ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৫ জন


চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৫ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে পূর্ববর্তী শত্রুতার ফলস্বরূপ দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে আসাদুল হক (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মোট অন্তত ৫ জন আহত হন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভুজা-বটতলা এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। নিহত আসাদুল হক মুশরীভুজা বটতলা গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

স্থানীয়রা ও ওসি জানান, আসাদুল হকের সঙ্গে একই গ্রামের ইলিয়াস আলীর জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ ছিল। এর জের ধরে সকালে এবং দুপুরে ওই দুইজন ও তাদের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের ফলে গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদুল হককে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যান। সংঘর্ষের সময় অন্তত তিনটি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ভোলাহাট থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষ ও মৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাত্র এক সপ্তাহেই পেছনে পড়ল দুই বিশ্বকাপ, ভাঙনের মুখে ২০ বছরের পুরনো রেকর্ড!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


মাত্র এক সপ্তাহেই পেছনে পড়ল দুই বিশ্বকাপ, ভাঙনের মুখে ২০ বছরের পুরনো রেকর্ড!

মাঠে রেফারির কঠোর অবস্থান এবং খেলোয়াড়দের ভুলের কারণে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে লাল কার্ডের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। চলতি বিশ্বকাপের প্রথম ৭ দিনে মাত্র ২৭টি ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার পর লাল কার্ডের সংখ্যা ২০১৮ এবং ২০২২ সালের পুরো বিশ্বকাপের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রবণতা চলতে থাকলে ২০০৬ সালের এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক ২৮টি লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ডও এবার ভেঙে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেওয়ার রেকর্ডটি ২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে ছিল, যেখানে মোট ২৮টি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। অথচ, গত দুটি আসরে লাল কার্ডের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে মাত্র ৪টি করে। তবে চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথম ২৭ ম্যাচেই রেফারিরা ৫টি লাল কার্ড দেখিয়েছেন, এবং এ সকল কার্ডই ছিল সরাসরি (স্ট্রেট) লাল কার্ড। এর ফলে পেনাল্টি, বক্সের বাইরে বিপজ্জনক সেট পিস এবং একজন কম নিয়ে খেলার কারণে দলগুলোকে মাঠের ভেতরে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে।

সাবেক ফিফা রেফারি ও ফক্স স্পোর্টসের নিয়ম বিশ্লেষক মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ লাল কার্ডের এই আকস্মিক বৃদ্ধির বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, "খেলোয়াড়দের আচরণ খারাপ এমনটি নয়; বরং পেনাল্টি বক্স ও তার আশেপাশে প্যানিক বা হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে তারা ভুল করে বসছে। তবে এখন স্কোয়াডে ২৬ জন খেলোয়াড় রাখার নিয়ম থাকায় দলগুলো সহজেই নিষেধাজ্ঞা পাওয়া খেলোয়াড়ের বিকল্প খুঁজে নিতে পারছে।"

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত যে ৫ জন ফুটবলার লাল কার্ডের কবলে পড়েছেন, তাদের মধ্যে কাতারের হোমাম আহমেদও রয়েছেন। তিনি বক্সের ঠিক বাইরে তাজন বুকাননকে ফাউল করার পরপরই গোল হজম করেন তাঁর দল। টুর্নামেন্ট কেবল শুরু হয়েছে এবং রেফারিদের এই কড়া মনোভাব বাকি ম্যাচগুলোতে দলগুলোর কৌশলে মূলত প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন ফুটবল বোদ্ধারা।

সূত্রঃ ফক্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে বিষধর সাপের কামড়ে পল্লী চিকিৎসক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


জামালপুরে বিষধর সাপের কামড়ে পল্লী চিকিৎসক নিহত

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে ৬০ বছরের এক ব্যক্তি শফিকুল ইসলাম চান-এর।

এটি ঘটেছে শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের পুরান বাঁশকান্দা গ্রামে।

মৃত শফিকুল ইসলাম চান পল্লী চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে তিনি গরুর জন্য বাড়ির পাশে একটি পাট ক্ষেতে ঘাস কাটতে যায়। এ সময় একটি বিষধর সাপ তাকে কামড়ে দেয়। কামড় খেয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। বাড়ির লোকজন তাকে প্রথমে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম আহমেদ বলেন, রোগীটি হাসপাতালে দেরিতে আসায় তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। তবে, তার আইসিইউ সাপোর্টের প্রয়োজন ছিল। পরে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করার সময়ই তার মৃত্যু ঘটে।

নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান ফর্সা জানান, সকালে এক ব্যক্তিকে সাপে কামড় দিলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে জাল টাকাসহ ৭ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে জাল টাকাসহ ৭ জন গ্রেফতার

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় থানা পুলিশের অভিযানে আলাদা এলাকা থেকে জাল টাকা সহ চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে ছিলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার বাকপাড়া এলাকার জনৈক সিরাজুল ইসলামের ছেলে চঞ্চল মিয়া (৩২), বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুদাল এলাকার আউয়াল হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেন (৪০), মাদারীপুর শিবচর উপজেলার মাদবর চর এলাকার ইউনুস শেখের ছেলে এমরান শেখ (৪৮), বাগেরহাট রামপাল উপজেলার কাশিপুর এলাকার মাহামুদুল হকের ছেলে শেখ নাছিম (২৮), ফরিদপুর ভাঙ্গা উপজেলার শিংগাদাগ এলাকার নুরুল আমিন খাঁনের ছেলে সোহেল খাঁন (২৮), ঢাকা কেরানীগঞ্জ পূর্ব মুগারচর এলাকার মৃত: আলী আকবর মাস্টারের ছেলে রুহুল আমিন (৫২) এবং কুমিল্লা দ্বেবিদার উপজেলার মারিচা এলাকার মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আটোয়ারীর ফকিরগঞ্জ বাজারে চঞ্চলকে জাল টাকা সহ আটক করা হয়েছিল। তারপর তার দেওয়া তথ্যে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের প্রাইম হোটেল এবং নিউ হোটেল সালাম এন্টারপ্রাইজে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় আটোয়ারী সহ পৃথক অভিযানে ৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ জাল টাকা ও ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ অরিজিনাল টাকা জব্দ করা হয়। একই সাথে তাদের আটোয়ারী থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়।

আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজরতের শিক্ষা এবং আশুরার তাৎপর্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


হিজরতের শিক্ষা এবং আশুরার তাৎপর্য

ইসলামের ইতিহাসে হিজরত একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এটি কেবল ভৌগোলিক স্থানান্তরের নাম নয়; বরং এটি সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ এবং নতুন সভ্যতা নির্মাণের এক মহিমান্বিত অধ্যায়। ‘হিজরত’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ত্যাগ করা, পরিত্যাগ করা বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যাওয়া। ইসলামে হিজরত বলতে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আদেশ পালনের উদ্দেশ্যে দীনের নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠার জন্য নিজ আবাসভূমি ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া বোঝায়।

মক্কায় ইসলামের সূচনালগ্নে মহানবী (সা.) ও তাঁর সাহাবিগণের বিরুদ্ধে চরম নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হয়। কুরাইশ নেতারা ইসলামের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে নিজেদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় কর্তৃত্বের জন্য হুমকি মনে করেছিল। মুসলমানদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, সামাজিক বয়কট, সম্পদ লুট এবং হত্যার ষড়যন্ত্র পর্যন্ত করা হয়। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর স্মরণ করুন, যখন কাফিররা আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল- আপনাকে বন্দি করে রাখতে, অথবা হত্যা করতে, অথবা দেশ থেকে বের করে দিতে। তারা ষড়যন্ত্র করছিল, আর আল্লাহও পরিকল্পনা করছিলেন। আর আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী’ (আল-আনফাল-৩০)। এই আয়াতে হিজরতের প্রাক্কালে মক্কার কুরাইশ নেতাদের একটি দারুণ-নাদওয়ার বৈঠকের সময় গৃহীত তিনটি প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথমত, বন্দি করে রাখা: কিছু সদস্য মহানবী (সা.)-কে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে কারাগারে আবদ্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছিল, যেন তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতে না পারেন। দ্বিতীয়ত, হত্যার প্রস্তাব: কিছু সদস্য মহানবী (সা.)-কে হত্যা করার পরামর্শ দিয়েছিল, যাতে সকল মিশন চিরতরে শেষ হয়ে যায়। তৃতীয়ত, দেশ থেকে বহিষ্কার করার প্রস্তাব: কিছু সদস্য মহানবী (সা.)-কে মক্কা থেকে নির্বাসিত করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল, যাতে তিনি অন্যত্র গিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন।

দারুণ-নাদওয়ার এই বৈঠকে উত্থাপিত তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে শেষ পর্যন্ত মহানবী (সা.)-কে হত্যা করার প্রস্তাবটিই গৃহীত হয়। সিরাতের প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী, কুরাইশদের এ সভায় নাজদের এক বৃদ্ধ শাইখের ছদ্মবেশে ইবলিশ উপস্থিত হয়েছিল। যখন বিভিন্ন মতামত আলোচনা হচ্ছিল, তখন সে হত্যা পরিকল্পনাটিকে সবচেয়ে কার্যকর বলে সমর্থন করে। মূল পরিকল্পনাটি পেশ করে আবু জাহেল। সে বলে, প্রত্যেক গোত্র থেকে একজন করে শক্তিশালী যুবক নির্বাচন করা হবে। তারা সবাই একযোগে মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর আঘাত করবে। ফলে তাঁর রক্তের দায়িত্ব সব গোত্রের মধ্যে বণ্টিত হবে। তখন বনু হাশিম সমগ্র কুরাইশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারবে না এবং বাধ্য হয়ে রক্তপণ গ্রহণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিভিন্ন কুরাইশ গোত্র থেকে নির্বাচিত যুবকদের একত্র করে রাতের বেলা রসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঘর ঘিরে ফেলে এবং অপেক্ষা করতে থাকে যে তিনি সকালে বের হলে সবাই মিলে একযোগে তাঁকে আক্রমণ করবে। আল্লাহতায়ালা আগেই তাঁর নবীকে এ ষড়যন্ত্রের সংবাদ অবহিত করেন। রসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতের নির্দেশ পান। তিনি যখন ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সুরা ইয়াসিন-এর কিছু আয়াত তিলাওয়াত করেন, তখন আল্লাহর ইচ্ছায় ষড়যন্ত্রকারীরা তাঁকে দেখতে পায়নি। তিনি আবুবকর (রা.)-কে সঙ্গে নিয়ে হিজরতের পথে রওনা হন। হিজরত শুরু হয়েছিল সফর মাসে। মদিনায় পৌঁছেন রবিউল আউয়াল মাসে। কিন্তু হিজরি সনের গণনা মহররম থেকে শুরু হয়েছে, কারণ মহররম ছিল আরবদের বর্ষের প্রথম মাস এবং দ্বিতীয় আকাবার বাইআত সংঘটিত হয়েছিল জিলহজ মাসে। তখনই হিজরতের সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতি হয়। পরবর্তী প্রথম মাস মহররম হওয়ায় সাহাবিগণ এটিকেই বছরের সূচনা হিসেবে গ্রহণ করেন। এ মাসের দশম দিন ‘আশুরা’ নামে পরিচিত। এই দিনের সঙ্গে বহু ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি জড়িত। যখন রসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় আগমন করেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিন রোজা পালন করতে দেখেন। তারা বলেন, এই দিন আল্লাহতায়ালা মুসা (আ.) ও তাঁর সম্প্রদায়কে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তখন নবী (সা.) বলেন, ‘মুসা (আ.)-এর প্রতি তোমাদের চেয়ে আমাদের অধিক অধিকার রয়েছে।’ অতঃপর তিনি নিজে রোজা রাখেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন (সহিহ বুখারি)। অন্য এক হাদিসে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ হবে (সহিহ মুসলিম)।

আশুরার রোজা মূলত ১০ মহররম। তবে ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখে, তাই ইহুদিদের থেকে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার লক্ষ্যে নবম ও দশম মহররম দুই দিন অথবা দশম ও একাদশ মহররম দুই দিন রোজা রাখা সুন্নত। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইহুদিদের বিরোধ করো, তোমরা এর আগে একদিন অথবা পরে একদিন রোজা রাখো’ (আহমদ)।

♦ লেখক: গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%