ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে জাল টাকাসহ ৭ জন গ্রেফতার


পঞ্চগড়ে পুলিশের অভিযানে জাল টাকাসহ ৭ জন গ্রেফতার

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় থানা পুলিশের অভিযানে আলাদা এলাকা থেকে জাল টাকা সহ চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে ছিলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার বাকপাড়া এলাকার জনৈক সিরাজুল ইসলামের ছেলে চঞ্চল মিয়া (৩২), বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুদাল এলাকার আউয়াল হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেন (৪০), মাদারীপুর শিবচর উপজেলার মাদবর চর এলাকার ইউনুস শেখের ছেলে এমরান শেখ (৪৮), বাগেরহাট রামপাল উপজেলার কাশিপুর এলাকার মাহামুদুল হকের ছেলে শেখ নাছিম (২৮), ফরিদপুর ভাঙ্গা উপজেলার শিংগাদাগ এলাকার নুরুল আমিন খাঁনের ছেলে সোহেল খাঁন (২৮), ঢাকা কেরানীগঞ্জ পূর্ব মুগারচর এলাকার মৃত: আলী আকবর মাস্টারের ছেলে রুহুল আমিন (৫২) এবং কুমিল্লা দ্বেবিদার উপজেলার মারিচা এলাকার মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩২)।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাজারের দানবাক্স ভেঙে টাকা ও মালামাল চুরি, ক্ষতি ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আটোয়ারীর ফকিরগঞ্জ বাজারে চঞ্চলকে জাল টাকা সহ আটক করা হয়েছিল। তারপর তার দেওয়া তথ্যে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের প্রাইম হোটেল এবং নিউ হোটেল সালাম এন্টারপ্রাইজে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় আটোয়ারী সহ পৃথক অভিযানে ৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ জাল টাকা ও ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ অরিজিনাল টাকা জব্দ করা হয়। একই সাথে তাদের আটোয়ারী থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়।

আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজরতের শিক্ষা এবং আশুরার তাৎপর্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


হিজরতের শিক্ষা এবং আশুরার তাৎপর্য

ইসলামের ইতিহাসে হিজরত একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এটি কেবল ভৌগোলিক স্থানান্তরের নাম নয়; বরং এটি সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ এবং নতুন সভ্যতা নির্মাণের এক মহিমান্বিত অধ্যায়। ‘হিজরত’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ত্যাগ করা, পরিত্যাগ করা বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যাওয়া। ইসলামে হিজরত বলতে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আদেশ পালনের উদ্দেশ্যে দীনের নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠার জন্য নিজ আবাসভূমি ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া বোঝায়।

মক্কায় ইসলামের সূচনালগ্নে মহানবী (সা.) ও তাঁর সাহাবিগণের বিরুদ্ধে চরম নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হয়। কুরাইশ নেতারা ইসলামের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে নিজেদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় কর্তৃত্বের জন্য হুমকি মনে করেছিল। মুসলমানদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, সামাজিক বয়কট, সম্পদ লুট এবং হত্যার ষড়যন্ত্র পর্যন্ত করা হয়। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর স্মরণ করুন, যখন কাফিররা আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল- আপনাকে বন্দি করে রাখতে, অথবা হত্যা করতে, অথবা দেশ থেকে বের করে দিতে। তারা ষড়যন্ত্র করছিল, আর আল্লাহও পরিকল্পনা করছিলেন। আর আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী’ (আল-আনফাল-৩০)। এই আয়াতে হিজরতের প্রাক্কালে মক্কার কুরাইশ নেতাদের একটি দারুণ-নাদওয়ার বৈঠকের সময় গৃহীত তিনটি প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথমত, বন্দি করে রাখা: কিছু সদস্য মহানবী (সা.)-কে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে কারাগারে আবদ্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছিল, যেন তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতে না পারেন। দ্বিতীয়ত, হত্যার প্রস্তাব: কিছু সদস্য মহানবী (সা.)-কে হত্যা করার পরামর্শ দিয়েছিল, যাতে সকল মিশন চিরতরে শেষ হয়ে যায়। তৃতীয়ত, দেশ থেকে বহিষ্কার করার প্রস্তাব: কিছু সদস্য মহানবী (সা.)-কে মক্কা থেকে নির্বাসিত করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল, যাতে তিনি অন্যত্র গিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন।

দারুণ-নাদওয়ার এই বৈঠকে উত্থাপিত তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে শেষ পর্যন্ত মহানবী (সা.)-কে হত্যা করার প্রস্তাবটিই গৃহীত হয়। সিরাতের প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী, কুরাইশদের এ সভায় নাজদের এক বৃদ্ধ শাইখের ছদ্মবেশে ইবলিশ উপস্থিত হয়েছিল। যখন বিভিন্ন মতামত আলোচনা হচ্ছিল, তখন সে হত্যা পরিকল্পনাটিকে সবচেয়ে কার্যকর বলে সমর্থন করে। মূল পরিকল্পনাটি পেশ করে আবু জাহেল। সে বলে, প্রত্যেক গোত্র থেকে একজন করে শক্তিশালী যুবক নির্বাচন করা হবে। তারা সবাই একযোগে মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর আঘাত করবে। ফলে তাঁর রক্তের দায়িত্ব সব গোত্রের মধ্যে বণ্টিত হবে। তখন বনু হাশিম সমগ্র কুরাইশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারবে না এবং বাধ্য হয়ে রক্তপণ গ্রহণ করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিভিন্ন কুরাইশ গোত্র থেকে নির্বাচিত যুবকদের একত্র করে রাতের বেলা রসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঘর ঘিরে ফেলে এবং অপেক্ষা করতে থাকে যে তিনি সকালে বের হলে সবাই মিলে একযোগে তাঁকে আক্রমণ করবে। আল্লাহতায়ালা আগেই তাঁর নবীকে এ ষড়যন্ত্রের সংবাদ অবহিত করেন। রসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতের নির্দেশ পান। তিনি যখন ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সুরা ইয়াসিন-এর কিছু আয়াত তিলাওয়াত করেন, তখন আল্লাহর ইচ্ছায় ষড়যন্ত্রকারীরা তাঁকে দেখতে পায়নি। তিনি আবুবকর (রা.)-কে সঙ্গে নিয়ে হিজরতের পথে রওনা হন। হিজরত শুরু হয়েছিল সফর মাসে। মদিনায় পৌঁছেন রবিউল আউয়াল মাসে। কিন্তু হিজরি সনের গণনা মহররম থেকে শুরু হয়েছে, কারণ মহররম ছিল আরবদের বর্ষের প্রথম মাস এবং দ্বিতীয় আকাবার বাইআত সংঘটিত হয়েছিল জিলহজ মাসে। তখনই হিজরতের সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতি হয়। পরবর্তী প্রথম মাস মহররম হওয়ায় সাহাবিগণ এটিকেই বছরের সূচনা হিসেবে গ্রহণ করেন। এ মাসের দশম দিন ‘আশুরা’ নামে পরিচিত। এই দিনের সঙ্গে বহু ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি জড়িত। যখন রসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় আগমন করেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিন রোজা পালন করতে দেখেন। তারা বলেন, এই দিন আল্লাহতায়ালা মুসা (আ.) ও তাঁর সম্প্রদায়কে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তখন নবী (সা.) বলেন, ‘মুসা (আ.)-এর প্রতি তোমাদের চেয়ে আমাদের অধিক অধিকার রয়েছে।’ অতঃপর তিনি নিজে রোজা রাখেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন (সহিহ বুখারি)। অন্য এক হাদিসে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ হবে (সহিহ মুসলিম)।

আশুরার রোজা মূলত ১০ মহররম। তবে ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখে, তাই ইহুদিদের থেকে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার লক্ষ্যে নবম ও দশম মহররম দুই দিন অথবা দশম ও একাদশ মহররম দুই দিন রোজা রাখা সুন্নত। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ইহুদিদের বিরোধ করো, তোমরা এর আগে একদিন অথবা পরে একদিন রোজা রাখো’ (আহমদ)।

♦ লেখক: গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি

প্রবাসী আয় বেড়ে যাওয়াসহ বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতিতে কিছু উন্নতি দেখা যাচ্ছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তির আভাস পাচ্ছি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১০ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৭ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে এই ইতিবাচক চিত্রের আড়ালে কিছু দুর্বলতা রয়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, বৈদেশিক লেনদেনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নতির বড় অংশটাই এসেছে ঋণনির্ভর উৎস থেকে। অর্থাৎ নিজস্ব আয় বৃদ্ধি পাওয়ার চেয়ে ধার করা অর্থ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেন, ‘রিজার্ভের বৃদ্ধি অবশ্যই একটি ইতিবাচক খবর। তবে যদি এ বৃদ্ধি ঋণ বা সাময়িক উৎস থেকে হয়, তাহলে সেটা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। আমাদের রপ্তানির এবং উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে।’ নতুন বাজেটে প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে রাজস্বের লক্ষ্য রাখা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার ফলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এ ঘাটতি মেটানোর জন্য ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি, বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস হিসাবে রপ্তানি খাত প্রত্যাশা অনুযায়ী বৃদ্ধি পাচ্ছে না। চলতি অর্থবছরে একই সময়ে রপ্তানি আয় প্রায় ২ শতাংশ না বেড়ে কমে গেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এই ধীরগতি বেশি করে দেখা যাচ্ছে। পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে, অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৪ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি বাড়াতে ব্যর্থ হলে রিজার্ভ শক্ত ভিত্তি পায় না এবং তাই সামগ্রিক অর্থনীতি ঝুঁকির মধ্যে থেকে যায়। বিনিয়োগ পরিস্থিতি খুব আশাব্যঞ্জক নয়। নতুন শিল্প স্থাপনের পাশাপাশি যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি দুটিই কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, জিডিপির সঙ্গে মোট বিনিয়োগের অনুপাত কমে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে বিনিয়োগ কমেছে শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ পয়েন্ট। এর দ্বারা বোঝা যায়, উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে কিছুটা পিছিয়ে গেছেন এবং এর প্রভাব ভবিষ্যতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের ওপর পড়তে পারে। এর পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে যেখানকার ঋণ পরিশোধ ছিল ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, তা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ আগামী বছরগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রা ঋণ শোধের জন্য আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে, যা রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। অর্থনীতিবিদদের মতে, শুধুমাত্র রিজার্ভের পরিমাণ বাড়লেই হবে না, এর উৎস কতটা টেকসই সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। যদি রপ্তানি এবং উৎপাদনের মতো স্থায়ী উৎস থেকে বৈদেশিক আয় না বাড়ে, তাহলে এই রিজার্ভ দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মেসিই ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০২ এম


‘মেসিই ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়’

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে শেষ প্রস্তুতি সারছেন মেসি। ছবি : রয়টার্স।

লিওনেল মেসির পক্ষে প্রমাণের কিছু নেই। মেসি অনেক আগেই সে প্রমাণগুলো দিয়েছেন।

এখন মুগ্ধতা ছড়িয়ে শুধু নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। তার ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে সে কাজটি করছেন তিনি।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই মেসি হ্যাটট্রিক করে সেই সুবাস ছড়িয়েছেন। যা দেখার পরে ফুটবল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও বলেছেন, ‘আর লুকানোর কিছু নেই।

এবার পুরো বিশ্বের সময় এসেছে মেসিকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে মেনে নেওয়ার।’

ভবিষ্যতে ফুটবলের ব্যাটন যার হাতে থাকবে সেই লামিনে ইয়ামালও মনে করেন মেসিই সর্বকালের সেরা। স্প্যানিশ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পেন উইঙারের বক্তব্য, ‘মেসির হ্যাটট্রিক? প্রতিটি ম্যাচই প্রমাণ করে যে তিনি ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। তারপরে যদি কারো মনে সংশয় থাকে, তাহলে বুঝতে হবে তারা ইচ্ছে করেই খুঁত খুঁজছে।

এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই। আমার আদর্শ নেইমার, কিন্তু মেসিই সেরা।’

মেসিই সর্বকালের সেরা—মেনে নেওয়ার আহ্বান রোনালদোর

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আলজেরিয়াকে হারিয়ে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে। সবকটি গোল করেছেন মেসি।

এতে করে কাতার বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক না পাওয়ার অপূর্ণতাও ঘুচেছে আজন্ম স্বপ্ন পূরণ করা আর্জেন্টিনা অধিনায়কের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫ জন

 

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ডাকাতির মামলা হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

গেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হচ্ছে—আশরফুল ইসলাম ওরফে আপেল (৩৮), সুমন (৩৬), সারোয়ার হোসেন সাগর (৩৫), সুমন ওরফে ক্যাপ সুমন (৩৫) এবং কাঞ্চন (৩৫)।

গ্রেপ্তারকালে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত তিনটি ভুয়া র‌্যাব পরিচয়পত্র, পাঁচটি র‌্যাব লেখা কালো জ্যাকেট, পাঁচটি ক্যাপ, একটি মাইক্রোবাস, ছয়টি নম্বর প্লেট, একটি ওয়াকিটকি সেট, একটি পিস্তলের কভার, একটি খেলনা পিস্তল এবং তিন জোড়া হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে কেরানীগঞ্জের কমদতলী এলাকায় ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ) এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম সুমন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিবি ওসি জানান, গত বৃহস্পতিবার আশুলিয়া থানায় র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলা দায়েরের পর ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা (দক্ষিণ) অভিযান শুরু করে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার আসামিরা একটি টয়োটা মাইক্রোবাসে করে সাভারের আকরাইন এলাকা থেকে খাগান বাজারের দিকে যাচ্ছেন।

ডিবির একটি দল আকরাইন বাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে সন্দেহভাজন গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালায় এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরো জানান, আশুলিয়ার ইউসুফ মার্কেট এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রদীপ কর্মকার দোকান বন্ধ করে প্রায় তিন ভরি স্বর্ণ, ৪০ ভরি রুপা ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন পথের মাঝে র‍্যাব পরিচয়ধারী একটি দল তার গাড়ি থামায়।

নিরাপত্তার জন্য তাকে চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয় এবং পরে তার কাছে থাকা স্বর্ণালংকার, রুপা ও নগদ টাকা লুট করে ভবানীপুর এলাকায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে র‍্যাব ও ডিবি পুলিশের পরিচয়ে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে। আশুলিয়া থানায় দায়ের করা ডাকাতি মামলায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%