০২:২২ পি.এম
সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের খাদ্যে বৈচিত্র্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত উপকরণ ব্যবহার করে সহজেই সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর বিভিন্ন পদ তৈরি করা সম্ভব। এর মধ্যে একটি হলো কুমড়োর রায়তা। অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী এই পদটি তার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, খাবারটি শুধু সুস্বাদু নয়, বরং এটি হজম এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।
কুমড়োর রায়তা শুনে অনেকের হয়তো খাওয়ার ইচ্ছা নাও হতে পারে। তবে সঠিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত করলে এটি রুটির সঙ্গে খেতে বেশ উপভোগ্য। সম্প্রতি, ভাগ্যশ্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুমড়োর রায়তা তৈরির একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই পদের প্রতিটি উপকরণ হজমে সহায়তা করে, পেট ঠান্ডা রাখে এবং অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। অভিনেত্রী নিজে জোয়ারের রুটির সঙ্গে এই রায়তা খেতে পছন্দ করেন।
যা যা লাগবে
আরও পড়ুন: শাহরুখ নিজেকে বকতে বলেছিলেন, জানালেন ফারাহ
রায়তা তৈরির জন্য প্রয়োজন ১ কাপ টকদই, ২টি কাঁচামরিচ কুচি, ১টি ছোট পেঁয়াজ কুচি, আধা চা-চামচ রসুনবাটা, ১ কাপ সেদ্ধ ও টুকরো করা কুমড়া, সামান্য ধনেপাতা কুচি এবং স্বাদমতো লবণ।
ফোড়নের জন্য প্রয়োজন পরিমাণমতো সরিষার তেল, ৫-৬টি কারিপাতা, এক চিমটি হিং, ১ চা-চামচ কসুরি মেথি ও ১ চা-চামচ কাশ্মীরি মরিচের গুঁড়া।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি বড় পাত্রে টকদই, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ, রসুনবাটা, সেদ্ধ কুমড়া ও ধনেপাতা একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিতে হবে।
আরও পড়ুন: বরবাদ নির্মাতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে দিঘীর মন্তব্য
এবার একটি ছোট কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করুন। তাতে কারিপাতা, হিং, কসুরি মেথি ও কাশ্মীরি মরিচের গুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। তৈরি হয়ে গেলে গরম ফোড়নটি দই ও কুমড়ার মিশ্রণের ওপর ছড়িয়ে দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল ভাগ্যশ্রীর পছন্দের কুমড়োর রায়তা। এটি জোয়ারের রুটি বা পছন্দের অন্য রুটির সঙ্গে পরিবেশন করা যেতে পারে।
কেন উপকারী এই রায়তা?
কুমড়োর রায়তায় ব্যবহৃত উপকরণগুলোর রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ। টকদইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, কুমড়োয় রয়েছে ফাইবার, জলীয় উপাদান, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন ভিটামিন। এসব উপাদান হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। যাঁদের মাঝে মাঝে অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হয়, তাদের খাদ্যতালিকায় কুমড়া অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
এছাড়া, পেঁয়াজে কোয়ারসেটিন নামের একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। কারিপাতাও হজমে সহায়ক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, হিং দীর্ঘকাল ধরে গ্যাস এবং পেটফাঁপার অস্বস্তি কমাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক না হলে স্যান্ডেল দিয়ে পেটাতাম’: প্রভা
সব মিলিয়ে, পরিচিত কিছু উপকরণ দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় এই মুখরোচক পদটি। নিয়মিত খাবারে বৈচিত্র্য আনতে চাইলে কুমড়োর রায়তা একটি ভিন্নধর্মী সংযোজন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন