ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা


গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি হামলার ফলে ৬ কোটি ১০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। এই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বিপজ্জনক বর্জ্য ও ক্যানসার সৃষ্টিকারী অ্যাসবেস্টস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে উপত্যকাটিতে ভয়াবহ পরিবেশ ও মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে পরিবেশের শোষণ রোধে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয় ফিলিস্তিনের পরিবেশ মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের কারণে গাজাজুড়ে ৬১ থেকে ৬৮ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ জমেছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ টন বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্তত ৫০ হাজার টন অ্যাসবেস্টস রয়েছে।

আরও পড়ুন: চার দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ করলো সৌদি আরব

অ্যাসবেস্টস হলো এক ধরনের আঁশযুক্ত পদার্থ, যা ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে। অতীতে এটি নির্মাণ ও ভবনের তাপ নিরোধক উপকরণ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ইসরাইলি হামলায় গাজার ৮২ শতাংশ কৃষিজমি, জলপাই ও অন্যান্য ফলের ৯৭ শতাংশ গাছ এবং পানি ও পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর ৮৪ শতাংশ ধ্বংস হয়েছে।

পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি গাজার রাস্তাঘাট ও জলাধারে গিয়ে পড়ছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধে ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। পাশাপাশি উপত্যকাটির বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।

আরও পড়ুন: কঙ্গোয় বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের হামলায় ৩৩ বেসামরিক নাগরিক নিহত

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাসদস্য নিহত, আটক নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাসদস্য নিহত, আটক নেই

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলায় সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলির সময় এক সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় পাহাড়ে চলছে যৌথ বাহিনীর টহল অভিযান। তবে এ ঘটনায় এ পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্গম পাহাড়ে তিনজনের অজ্ঞাত নামা লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়েছে। তাদের লাশ উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকালে হ্নীলা ইউনিয়নে নয়াপাড়া ও লেদা ক্যাম্পের পূর্বে পাহাড়ের ঝিরিতে ওই সব লাশের সন্ধান পায় পুলিশ।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তারা ওই পাহাড়ে তিনজনের লাশ থাকার খবর পেয়েছেন। লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। যদি রাতে সম্ভব না হয়, তবে সকালে উদ্ধার করা হবে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধী যে-ই হোক পার পাওয়ার সুযোগ নেই।

আইএসপিআর জানিয়েছে, ৫ নভেম্বর টেকনাফের হ্নীলার গহীন পাহাড়ে প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালি নাগরিককে ১৫-১৬ জনের একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল জিম্মি করে রেখেছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।

এই তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ আভিযানিক দল আনুমানিক বিকাল ৫টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

এ সময় সশস্ত্র মানবপাচারকারীরা যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।

গোলাগুলির একপর্যায়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) বাম কাঁধে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এবং তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রামুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর নিরাপত্তায় পুরুষ বডিগার্ড: ইসলাম কী নির্দেশ করে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


নারীর নিরাপত্তায় পুরুষ বডিগার্ড: ইসলাম কী নির্দেশ করে?

বর্তমান সময়ে অনেক নারী নিজেদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুরুষ বডিগার্ড বা নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করেন। যদিও জীবনের সুরক্ষা ও আত্মরক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার, ইসলামি শরিয়তে নিরাপত্তার প্রকৃতি ও সীমা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে।

বডিগার্ড নিয়োগের উদ্দেশ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেও, একজন অনাত্মীয় (গাইরে মাহরাম) পুরুষ বডিগার্ডের দ্বারা নারীর শরীর স্পর্শ করা কতটুকু বৈধ, তা সঠিকভাবে জানা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামে, একজন নারীর জন্য যেকোনো অনাত্মীয় পুরুষকে 'গাইরে মাহরাম' হিসাবে বিবেচনা করা হয়। নিরাপত্তার কারণে কোনো পুরুষকে বডিগার্ড হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অনুমতি থাকলেও, বডিগার্ড হওয়ার কারণে তিনি 'মাহরাম' বা রক্তের সম্পর্কের মধ্যে পড়েন না। শরিয়তের দৃষ্টিতে, তিনি সাধারণ পরপুরুষের মতোই গণ্য হবেন। তাই, পর্দা, দৃষ্টি সংযত রাখা এবং দৈহিক দূরত্বের সাধারণ বিধানগুলো বডিগার্ডের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে নিযুক্ত হলেও, পুরুষ বডিগার্ডের দ্বারা নারীর শরীর স্পর্শ করা সাধারণ অবস্থায় সম্পূর্ণ হারাম এবং নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন যে, পরপুরুষের জন্য কোনো পরনারীর শরীর স্পর্শ করা মারাত্মক গুনাহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে নারীদের কাছ থেকে বাইআত বা শপথ নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেও কোনো নারীর হাত স্পর্শ করেননি। তাই কেবল ‘পাহারা দেওয়া’ বা ‘বডিগার্ড হিসেবে নিয়োজিত থাকা’র অজুহাতে শরীরের স্পর্শকে বৈধ মনে করার সুযোগ ইসলামে নেই।

তবে ইসলাম একটি বাস্তবসম্মত জীবনব্যবস্থা। যদি কখনো এমন চরম জরুরি পরিস্থিতি বা আক্রমণ ঘটে যেখানে নারীর প্রাণনাশের বা অপহৃত হওয়ার প্রত্যক্ষ আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, তখনই জীবন ও সম্ভ্রম রক্ষার্থে বডিগার্ড তাকে টেনে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ন্যূনতম স্পর্শ করতে পারবেন। ইসলামি ফিকহের মূলনীতি অনুযায়ী, জরুরি অবস্থায় নিষিদ্ধ বিষয়কে সাময়িকভাবে শিথিল করা হয় (الضرورات تبيح المحظورات)। তবে আক্রমণ বা প্রাণনাশের প্রত্যক্ষ ঝুঁকি ছাড়া সাধারণ সময়ে চলাফেরা, গাড়িতে ওঠানামা বা ভিড় ঠেলে পথ চলার সময় পুরুষ বডিগার্ডের শরীর স্পর্শ করা নাজায়েজ।

নারীদের দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও পর্দার বিধান দুটিকে একসাথে রক্ষা করার জন্য সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা হলো নারী বডিগার্ড নিয়োগ করা। এতে করে যেকোনো শারীরিক সহায়তা বা তল্লাশির প্রয়োজন হলে কোনো ধর্মীয় বিধান লঙ্ঘিত হবে না। আর যদি পুরুষ বডিগার্ড রাখতেই হয়, তবে তাকে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে যেন দৈহিক স্পর্শ ছাড়াই এবং পর্দার মার্জিত দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেন।

একজন নারী নিজের জীবনের নিরাপত্তার জন্য পুরুষ বডিগার্ড রাখতে পারেন, তবে বডিগার্ডের জন্য তার শরীর স্পর্শ করা ইসলামি বিধান অনুযায়ী বৈধ নয়। নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার যেমন সত্য, ঠিক তেমনি ধর্মীয় সীমানা ও নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিয়ম মেনে ও স্পর্শ এড়িয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একজন সচেতন মুসলিম নারীর প্রধান দায়িত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সোলার প্যানেল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

শুক্রবার সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আজকে সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এই সংকটের মধ্যেও আমরা দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে বিদেশ থেকে বেশি দাম দিয়ে গ্যাস কিনছি। আমরা যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম, তখন গ্যাসের দাম ছিল ১২ ডলার, আর এখন সেই গ্যাসের দাম বেড়ে ৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আমরা এই কয় মাসে ভর্তুকি দিয়েছি ৪৭ হাজার কোটি টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে যদি আমরা ভর্তুকি দিতে থাকি, তবে সামাজিক প্রকল্পগুলো—যেমন রাস্তাঘাটের কাজ করা, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া, স্কুল ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি করা—এসবের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। আপনারা যদি সহযোগিতা না করেন, তবে এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।’

মন্ত্রী সৌরবিদ্যুতের সুবিধা এবং জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে এর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা একটা সহজ পদ্ধতি পেয়েছি—আল্লাহর দেওয়া সূর্য। এই সূর্যের আলো থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই, ঘরে ঘরে সোলার বসান। তাহলে বিদ্যুতের বিলও দেওয়া লাগবে না, প্রিপেইড মিটারের জন্য ঘুরতেও হবে না, কাউকে কিছু বলাও লাগবে না। আপনার বিদ্যুৎ আপনার পছন্দমতো আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।’

নামাজ শেষে তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং সবাইকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে উৎসাহ দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল কায়েস, কামারখন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান ফেরদৌস, সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উথান প্রমুখ।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন গ্রেপ্তার ৫ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


শেরপুরে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মিছিলের চেষ্টা করেন গ্রেপ্তার ৫ জন

শেরপুরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করার চেষ্টার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পাঁচ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার গাজীরখামার ইউনিয়নের শেরপুর-গাজীরখামার-নালিতাবাড়ী সড়কসংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাজীরখামার উত্তরকান্দা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মুজাফফর আলী, শিপন মিয়ার ছেলে রমজান, বাচ্চু মিয়ার ছেলে রকিবুল ইসলাম, ফকির মাহমুদের ছেলে আব্দুর রহমান এবং সাইফুল ইসলামের ছেলে সাগর।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোররাতে গাজীরখামার এলাকায় একদল ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করার চেষ্টা করেন। এ সময় শেরপুর সদর থানার নিয়মিত টহল দলের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম প্রতিরোধে গাজীরখামার এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল চলছিল। এ সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পর তাঁদের আটক করে থানায় নেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করাজয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিলের
শেরপুরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিলের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৫
শেরপুরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করার চেষ্টার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পাঁচ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার গাজীরখামার ইউনিয়নের শেরপুর-গাজীরখামার-নালিতাবাড়ী সড়কসংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাজীরখামার উত্তরকান্দা গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে মুজাফফর আলী, শিপন মিয়ার ছেলে রমজান, বাচ্চু মিয়ার ছেলে রকিবুল ইসলাম, ফকির মাহমুদের ছেলে আব্দুর রহমান এবং সাইফুল ইসলামের ছেলে সাগর।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোররাতে গাজীরখামার এলাকায় একদল ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করার চেষ্টা করেন। এ সময় শেরপুর সদর থানার নিয়মিত টহল দলের সদস্যরা সেখানে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম প্রতিরোধে গাজীরখামার এলাকায় পুলিশের নিয়মিত টহল চলছিল। এ সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পর তাঁদের আটক করে থানায় নেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%