০৮:৩৮ পি.এম
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আমীর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাঁর নাম এমপিও শিট থেকে স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে এবং বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত ৭৮ লাখ ১২ হাজার ৭৫৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিও শাখা থেকে ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একটি চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। চিঠিতে অধ্যক্ষ আমীর হোসেনের ইনডেক্স নম্বর C315268 উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, ২০১০ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১৫ বছর ৮ মাসের মধ্যে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে ৭৮ লাখ ১২ হাজার ৭৫৭ টাকা বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, এ অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত গ্রহণ এবং অধ্যক্ষের বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
আরও পড়ুন: নতুন পে স্কেলে তিন মাসের বর্ধিত বেতন কবে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা?
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরীদের একটি পত্র এবং পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) অডিট প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা অভিযোগ ও আলোচনা চলছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা মাদরাসাটির আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে স্থানীয় সচেতন মহলের কাছে।
তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: শ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন