০৮:৪০ পি.এম
বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুরে গৃহবধূ ধর্ষণের মামলার আসামি অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র এবং বাকেরগঞ্জ থানার তথ্য অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবর পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবাকী গ্রামে এক নববধূকে বিয়ের ১৭ দিন পর দুলাভাই ও চাচা শ্বশুর নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার কথা বলে বাজারে নিয়ে যায়। পরে, বাড়ি ফেরার পথে নির্জন স্থানে নিয়ে দুলাভাই ইমরান প্যাদা ও চাচা শ্বশুর রাকিব প্যাদার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ ২৩ অক্টোবর জেলা লিগ্যাল এইডের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। এ বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয় এবং ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। পরে ৩০ অক্টোবর পুলিশ একটি ধর্ষণের মামলা গ্রহণ করে, যার মামলা নম্বর ২৪।
আরও পড়ুন: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযুক্ত ধর্ষকদ্বয় পালিয়ে যায়। আসামিদের ধরতে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে সাড়াশি অভিযান চালায়। ৩১ অক্টোবর শনিবার ঢাকার কাচপুর এলাকা থেকে ধর্ষক ইমরান প্যাদা ও রাকিব প্যাদাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ১ নভেম্বর বাকেরগঞ্জ থানায় আসামিদের হাজির করে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন