ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘোড়াঘাটে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন


ঘোড়াঘাটে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

‘করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ বারো মাস’-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার শুরু হয়েছে।

দেশীয় ফল সবার কাছে পরিচিত করা এবং উন্নত জাতের ফল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় প্রদর্শিত ফলের মধ্যে আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, ড্রাগন ফল, মাল্টা, কমলা, আনারসসহ নানা জাতের ফল দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। উল্লেখযোগ্য হল, মেলাটি আগামী তিন দিনব্যাপী চলবে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় ফল মেলা উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

র‌্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবানা তানজিন প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং দেশীয় ফলের উৎপাদন ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। বিনামুল্যে গাছের চারা বিতরণও করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, ফল মেলার মাধ্যমে দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ফল চাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের বাণিজ্যিকভাবে ফল উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

মেলায় উপজেলা কৃষি অফিস ও দীপশিখার বৃহৎ স্টলে প্রদর্শন করা হয় শতাধিক জাতের দেশীয় ও উন্নত জাতের ফল।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি উপপরিদর্শক মোছাঃ খাতিজাতুল কুবরা ও সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সফল কৃষি উদ্যোক্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ‘বালিশকাণ্ড’ চলবে না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ‘বালিশকাণ্ড’ চলবে না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা ‘বালিশকাণ্ড’ যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে এবং এ ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ইস্কাটনের নিজস্ব জমিতে একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ভবনটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা সংরক্ষণের উপযোগী করে নির্মাণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবনটির জন্য একটি নান্দনিক, কার্যকর, ব্যয়-সাশ্রয়ী ও যুগোপযোগী নকশা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। এ লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“২০০ বছরের পুরোনো শ্মশান রক্ষা মামলায় নতুন অগ্রগতি”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


“২০০ বছরের পুরোনো শ্মশান রক্ষা মামলায় নতুন অগ্রগতি”

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় অবস্থিত সিদ্ধিরগঞ্জ শ্মশান ও মন্দির। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

এরশাদ সরকারের আমলে মাত্র এক টাকায় প্রায় ৭০০ শতাংশ (সাত একর) জমি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল আম্বার পেপার মিলসকে। বর্তমানে ওই এলাকার প্রতি শতাংশ জমির মূল্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা হিসাব করলে সম্পত্তিটির বাজারমূল্য দাঁড়ায় শত কোটি টাকারও বেশি।

এই স্থায়ী বন্দোবস্তের বৈধতা, জমির প্রকৃত মালিকানা এবং প্রায় ২০০ বছরের পুরনো একটি শ্মশান ও মন্দিরের অস্তিত্ব নিয়ে চলমান আইনি লড়াইয়ের মধ্যে এক টাকায় স্থায়ী বন্দোবস্ত- এসব বিষয় নিয়ে মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে।

এ ঘটনায় শিল্প প্রতিষ্ঠানটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মধ্যে আইনি লড়াইয়ে আদালত চূড়ান্ত রায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নারায়ণগঞ্জের প্রথম যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ইনজাংসন ও স্থিতাবস্থা আদেশ বাতিলের আবেদন নিয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত রায়ের সিদ্ধান্ত নেন।

শ্মশান কর্তৃপক্ষ জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় অবস্থিত প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্মশান ও মন্দিরটি ১৭৯৩ সাল থেকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু সিদ্ধিরগঞ্জ নয়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ১০ নম্বর ওয়ার্ড এবং পাশের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ও মদনগঞ্জ এলাকার হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য একমাত্র শ্মশান এটি।

বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রায় সাত একর জমির মধ্যে শ্মশান ও মন্দিরের জন্য ব্যবহৃত ৩১ শতাংশ জায়গা।

স্থানীয়দের দাবি, এই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে শ্মশান ও মন্দির থাকলেও শিল্প প্রতিষ্ঠানটি পুরো জমির মালিকানা দাবি করছে।

এর মধ্যে প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে প্রায় তিন কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে শ্মশানটির আধুনিকায়ন প্রকল্প হাতে নেয়। প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক দাহ চুল্লি, গোসলখানা ও কার্যালয় ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। উন্নয়ন কাজ শুরু হয়ে একাধিক পাইলিং পিলারও বসানো হয়।

এদিকে, পারটেক্স গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আম্বার পেপার মিলস উচ্চ আদালত থেকে স্থিতাবস্থার আদেশ নিয়ে এলে হঠাৎ করেই উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এতে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

উচ্চ আদালতের আদেশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জের আদালতে সিটি করপোরেশন ও শিল্প প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে আইনি লড়াই শুরু হয়।

শ্মশান কমিটির অভিযোগ, ১৯৮৯ সালে পারটেক্স গ্রুপের লিজ নেওয়ার সময় শ্মশানের ৩১ শতাংশ জমির বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বর্তমানে শত কোটি টাকা মূল্যের এই সম্পদ মাত্র এক টাকায় স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল, যা তদন্তের দাবি রাখে।

অন্যদিকে আম্বার পেপার মিলসের দাবি, সংশ্লিষ্ট জমির সব বৈধ রেকর্ড, বন্দোবস্ত ও মালিকানার কাগজপত্র তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে। সরকারি রেকর্ডে শ্মশান বা মন্দিরের দাবির পক্ষে কোনো উল্লেখ নেই বলেও দাবি তাদের। তাদের ভাষ্য, জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত সব অর্থ পরিশোধ করেই বৈধভাবে লিজ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে একবার শ্মশানের জমি দখলের চেষ্টা হয়েছিল। সে সময় আদালতের রায়ে শ্মশানের অস্তিত্ব স্বীকৃতি পায় এবং সেখানে নিয়মিত দাহকাজ চলতে থাকে। তবে আধুনিকায়ন প্রকল্প শুরু হওয়ার পর নতুন করে আইনি বিরোধ সামনে আসে।

এদিকে, উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশ বাতিলের জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নিম্ন আদালতে আবেদন করে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান নিজেই আদালতে উপস্থিত হয়ে শুনানিতে অংশ নেন।

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অ্যাড. সাখাওয়াত বলেন, সরকারি তদন্তে জমিটি শ্মশানের জমি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী হাট-বাজার, সড়ক, মসজিদ, মন্দির বা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লিজ দেওয়ার সুযোগ নেই। এভাবে শ্মশানটির উন্নয়ন কাজ নিয়ে অনিশ্চয়তা শুরু হলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ফিরে যাবে।

অ্যাড. সাখাওয়াত আরো বলেন, 'এরশাদ সরকারের আমলে মাত্র এক টাকায় বিপুল পরিমাণ এই সম্পদ স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি হাস্যকর এবং এর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।'

তবে আম্বার পেপার মিলসের পক্ষে আইনজীবী অ্যাড. মজিদ খন্দকার বলেন, 'শ্মশান দাবিদারদের কোনো আইনি ভিত্তিসম্পন্ন কাগজপত্র নেই। আরএস, এসএ, সিএস কিংবা বিডিআরএস- কোনো জরিপেই সংশ্লিষ্ট স্থানে শ্মশান বা মন্দিরের অস্তিত্ব রেকর্ডভুক্ত নয়। বরং আরএস, এসএ ও সিএস রেকর্ডসহ সবশেষ বিডিআরএস জরিপেও ৯৯ বছরের স্থায়ী বন্দোবস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে। তবে এক টাকায় স্থানীয় বন্দোবস্ত বিষয়টি আমার জানা নেই। কাগজপত্র দেখলে বিষয়টি বোঝা যাবে।'

অ্যাড. মজিদ আরো বলেন, 'আমরা প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আদালতে জমা দিয়েছি। রায় আমাদের বিপক্ষে গেলে উচ্চ আদালতে যাব।'

এদিকে, ২০০ বছরের পুরনো এই শ্মশান ঘিরে এখন মুখোমুখি অবস্থানে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং আম্বর পেপার। একপক্ষ এটিকে ঐতিহাসিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে দাবি করলেও অন্যপক্ষ জমির বৈধ মালিকানা দাবি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : তিতুমীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


করের হার না বাড়িয়ে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : তিতুমীর

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ‘করের হার বাড়িয়ে নয়, বরং উৎপাদন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করা উচিত। সরকার সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নীতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলায়তনে রিসার্চ এন্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত বাজেট আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, আমরা একটি নতুন মডেলের দিকে যাচ্ছি। সেই মডেল হচ্ছে- বিনিয়োগ থেকে উৎপাদন। উৎপাদন থেকে কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান থেকে করের হার না বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বৃদ্ধি। অর্থাৎ, পুরনো মডেল থেকে এখানে একটি বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। আগে বিনিয়োগ ঋণাত্মক হয়ে পড়েছিল এবং বিনিয়োগ প্রথমদিকে স্থবির হয়ে থাকতো।

তিনি আরও বলেন, আমরা উৎপাদনমুখী শিল্পায়নের দিকে যাচ্ছি, যাতে করে নিউ নরমাল পরিস্থিতি আসার কারণে যে অনিশ্চয়তা বেড়ে যাচ্ছে, সেটিকে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়। কারণ কোভিড-১৯ এর বিষয়ে আপনি জানতেন না। মধ্যপ্রাচ্যের যে সংকট, সেটার কথাও আপনারা জানতেন না। বাংলাদেশের সাপ্লাই চেইন ডিস্রাপশন ঘটতে পারে, যেকারণে আমরা দেশোপযোগী উপায়ে এগিয়ে যাচ্ছি। ফলস্বরূপ, আমাদের জনগণ আমাদেরকে সমর্থন করেছে এবং আমাদের প্রত্যেকটি কৌশল দেশোপযোগী।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে আমাদের চিন্তার বিষয় হল যে, আমরা যে সংস্কার করেছি তার মধ্যে পাঁচটি অংশে বিভক্ত করা যায়। প্রথম অংশ হচ্ছে- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী তৈরি করতে হবে। এর ফলে আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য এবং আণবিক খাতে যেতে হবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে- জ্বালানিকে এফোরডেবল করে তোলা। কিভাবে মানুষদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে জ্বালানি রাখা যায়, এটি দ্বিতীয় চিন্তা। এ নিয়ে অনেকগুলো কাজ হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আপনারা সেগুলো দেখতে পারবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, তৃতীয় বিষয় হচ্ছে, প্রত্যেকটি কারখানার বিশেষ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যেমন, কোন কারখানায় গ্যাস সরবরাহ না হলে সেখানে উৎপাদন অসম্ভব। কিন্তু অতীতে আমরা লক্ষ্য করেছি, গ্যাস উত্তোলনের জন্য কোনো অনুসন্ধান হয়নি। গ্যাস আবিষ্কারে এবং উত্তোলনে দেশের অভ্যন্তরে এবং সমুদ্রে ব্যবস্থা করার জন্য আমরা কাজ করছি। চতুর্থ বিষয়, যদি আমরা সৌর বিদ্যুতের দিকে যেতে চাই বা নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের দিকে এগোতে চাই, তাহলে সেই উৎপাদন এখানেই করতে হবে। এটি নিশ্চিত করার জন্য আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি এই বাজেটে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‌্যাপিড) এর চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।

প্যানেল আলোচনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের উপাচার্য ড. রুবানা হক, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস ওয়ার্কারস সলিডারিটির সভাপতি তাসলিমা আখতার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসের পাতায় সাবেক ইতালিয়ান ডিফেন্ডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


ইতিহাসের পাতায় সাবেক ইতালিয়ান ডিফেন্ডার

এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসে প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে হেরেছে। তবে, এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে দেশের প্রধান কোচ ফ্যাবিও ক্যানাভারো ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছেন।

ফ্যাবিও ক্যানাভারো ফুটবল ইতিহাসের চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ব্যালন ডি'অর জিতেছেন এবং ফুটবলার ও প্রধান কোচ উভয় হিসাবেই ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি এমন এক অভিজাত তালিকায় যুক্ত হলেন, যেখানে এর আগে কেবল ফ্রানৎস বেকেনবাওয়ার, ওলেহ ব্লোখিন এবং মার্কো ফন বাস্তেন ছিলেন।

৫২ বছর বয়সী এই সাবেক ডিফেন্ডার ২০০৬ সালে ইতালিকে বিশ্বকাপের গৌরব এনে দিয়েছিলেন এবং ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। ১৯৬০ সালে ব্যালন ডি’অর বিজয়ী এই কোচ পরবর্তীতে ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত স্পেন জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন এবং ১৯৯০ ফিফা বিশ্বকাপে তাদের রাউন্ড অফ ১৬ পর্যন্ত নিয়ে যান।

এই তালিকার সবচেয়ে কিংবদন্তি হলেন ফ্রানৎস বেকেনবাওয়ার। ১৯৮৪ সালে পশ্চিম জার্মানির হয়ে খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জেতার পর, ‘ডার কাইজার’ ম্যানেজার হিসেবেও এই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করেন। কোচ হিসেবে তার প্রথম বিশ্বকাপেই ন্যাশনালমানশাফট ফাইনালে উঠেছিল।

কিন্তু ম্যারাডোনার অনুপ্রেরণায় উজ্জীবিত আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যায়। চার বছর পর বেকেনবাউয়ারের দল আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে পুরনো হিসাব চুকিয়ে দেয় এবং এই জার্মান কোচ ম্যানেজার ও খেলোয়াড় উভয় হিসেবে বিশ্বকাপ জেতা দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ইতিহাসে এক অনন্য স্থান করে নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%