০১:১২ পি.এম
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জন্য শেষ বিদায় উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন শুরু হয়েছে তেহরানে। এই আয়োজন হত্যাকাণ্ডের চার মাসেরও বেশি সময় পর আয়োজিত হচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা এই ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকতাকে ‘শতাব্দীর সেরা বিদায় আয়োজন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে যে, ঐতিহাসিক এই আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য এক কোটি ২০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম ঘটতে পারে। ইরানের ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য এত বড় পরিসরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।
শুক্রবার, স্থানীয় সময় সকাল ছয়টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষ রবিবার বিকেল পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ পাবেন। এরপর, মঙ্গলবার অনুষ্ঠানটি স্থানান্তরিত হবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান কোম শহরের জামকারান মসজিদে, যেখানে জানাজার নামাজে ইমামতি করবেন শিয়াদের জ্যেষ্ঠ আলেম।
ইরাকের বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনুরোধে ও মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ধর্মীয়-রাজনৈতিক সম্পর্ক তুলে ধরার উদ্দেশ্যে বুধবার খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে ইরাকের নাজাফে। সেখান থেকে যাত্রা করে কারবালায় ইসলামের খলিফা আলীর সমাধিস্থলে বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে। এরপর মরদেহ পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে, আগামী বৃহস্পতিবার খামেনিকে তার জন্মশহর মাশহাদের ঐতিহাসিক ইমাম রেজার সমাধিস্থলে সমাহিত করা হবে। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর দেশজুড়ে ৪০ দিন শোকানুষ্ঠান এবং বছরব্যাপী বিভিন্ন স্মরণসভার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের নিয়ন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’ স্লোগানকে সামনে রাখা হয়েছে। জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা তেহরানে পৌঁছেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন