ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলার নিন্দা জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত


বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলার নিন্দা জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত

বাহরাইন ও কুয়েতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ইরান পরিচালিত নতুন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

সোমবার (২০ জুলাই) আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, ইরানের এই পদক্ষেপ ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর ওপর পুনরায় চালানো বৈরী আক্রমণ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের হামলা সার্বিক আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের নগ্ন লঙ্ঘন এবং এ সম্পর্কিত দেশগুলোর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় আকারের হুমকি।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

বিবৃতিতে আমিরাত বাহরাইন ও কুয়েতের সার্বিক নিরাপত্তার প্রতি পূর্ণ সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং দুই দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গৃহীত সকল পদক্ষেপের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধীরে খাওয়ার অভ্যাস কি ওজন কমাতে সাহায্য করে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ এম


ধীরে খাওয়ার অভ্যাস কি ওজন কমাতে সাহায্য করে?

ওজন কমাতে অনেকেই ভাত, মিষ্টি বা তেলযুক্ত খাবার কমিয়ে দেন। কিন্তু শুধুমাত্র কী খাচ্ছেন, সেটিই নয়—কীভাবে খাচ্ছেন, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধীরে ধীরে এবং মনোযোগ দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস ওজন নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, খাদ্য খাওয়ার পর পাকস্থলী থেকে মস্তিষ্কে পেট ভরে যাওয়ার সংকেত পৌঁছাতে প্রায় ২০ মিনিটের মতো সময় প্রয়োজন। এর ফলে যদি খুব দ্রুত খাওয়া হয়, তাহলে মস্তিষ্ক বুঝে ওঠার আগেই অনেক বেশি খাবার খেয়ে ফেলা হয়। যার ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি জমা হতে শুরু করে এবং ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত ২০ মিনিট অথবা তার বেশি সময় নিয়ে খেলে খাবার ভালোভাবে হজম হয়। এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে এবং অকারণে খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, দ্রুত খাওয়ার সময় বেশিরভাগ মানুষ খাবার ভালোভাবে চিবান না। এর ফলে বড় বড় খাবারের অংশ পাকস্থলীতে পৌঁছে হজমের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। পাশাপাশি বাতাস গিলে ফেলার কারণে গ্যাস, পেট ফাঁপা, অম্লভাব এবং বুক জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিভিন্ন গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে অতিরিক্ত শর্করা, পেটের চর্বি এবং অস্বাভাবিক কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব কারণে হৃদরোগ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং দ্বিতীয় ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে।

গবেষণায় আরও বিশ্লেষণ করা হয়েছে যে, যারা ধীরে ধীরে খান, তাদের শরীরে এমন হরমোন বেশি নিঃসৃত হতে দেখা যায়, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি তৈরি করে। তাই অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে আসে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, প্রতিটি লোকমা ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া উচিত। খাবার মুখে নেওয়ার পর চামচ বা হাত কিছুক্ষণ নামিয়ে রাখা, ছোট ছোট লোকমা খাওয়া এবং অন্তত আধা ঘণ্টা সময় নিয়ে খাবার শেষ করার চেষ্টা করলে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

এছাড়া খাবার খাওয়ার সময় মোবাইল, টেলিভিশন বা অন্যদিকে মনোযোগ না দিয়ে শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ, গন্ধ এবং গঠনের দিকে মনোযোগ দেওয়ার ওপর বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন। এর ফলে খাবার উপভোগ করার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমাতে শুধু খাবারের ধরন পরিবর্তন নয়, ধীরে এবং সচেতনভাবে খাওয়ার অভ্যাসও হতে পারে সুস্থ থাকার একটি সহজ এবং কার্যকর উপায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শৈশব থেকেই শিশুদের সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলবেন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


শৈশব থেকেই শিশুদের সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলবেন যেভাবে

ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুললে এটি সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবনকে বদলে দিতে পারে। শিশুর জীবন শুধুমাত্র ভালো শিক্ষা বা সুন্দর পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং ছোটবেলা থেকে গড়ে ওঠা অভ্যাসও তার উপর প্রভাব ফেলে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হচ্ছে সঞ্চয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, যদি ছোট থেকেই শিশুকে অর্থের মূল্য এবং সঞ্চয়ের গুরুত্ব শেখানো যায়, তাহলে তারা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল এবং সচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সঞ্চয় বলতে আমরা সাধারণত টাকা জমিয়ে রাখা বুঝি। তবে এটি শুধুমাত্র টাকা সংরক্ষণ করা নয়, বরং প্রয়োজন ও ইচ্ছার মধ্যে ফারাক বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক অভ্যাস গড়ে তোলা। শিশু সাধারণত বড়দের দেখেই সবচেয়ে বেশি শেখে। তাই পরিবারে যদি খরচ পরিকল্পনা ও নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে, তাহলে সেটি শিশুর মাঝেও সহজে গড়ে উঠবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়স থেকে শিশুদের সঞ্চয়ের ধারণা দেয়া সম্ভব। প্রথমে ব্যবহার করার জন্য একটি ছোট সঞ্চয়ের বাক্স ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন, জন্মদিনে পাওয়া টাকা, আত্মীয়দের দেয়া উপহার বা হাতখরচের কিছু অংশ সেখানে জমাতে উৎসাহ দেয়া উচিত, এতে ধীরে ধীরে সঞ্চয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। সময় সময়ে জমা টাকার পরিমাণ দেখালে শিশুর উৎসাহ আরো বৃদ্ধি পাবে।

একই সঙ্গে শিশুদের শেখাতে হবে যে, সব কিছু সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া সম্ভব নয়। যদি শিশু কোনো খেলনা বা বই কিনতে চায়, তাহলে তাকে কিছুদিন টাকা জমিয়ে সেটি কিনতে উৎসাহিত করতে হবে। এতে অপেক্ষা করার মানসিকতার পাশাপাশি নিজের পরিশ্রমের মূল্য বোঝা সম্ভব হবে।

তবে শিশুদের সঞ্চয়ের শিক্ষা দিতে গিয়ে ভয় দেখানো বা চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়। বরং তাদের বোঝাতে হবে যে, আজ সামান্য সঞ্চয় করলে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে সেটি কাজে লাগবে। এর ফলে অর্থের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে।

শুধু টাকা জমানোই নয়, খরচের হিসাব রাখার অভ্যাসও উন্নীত করা জরুরি। একটি ছোট খাতায় শিশু লিখে রাখতে পারে, কত টাকা পেয়েছে, কত খরচ করেছে এবং কত টাকা জমিয়েছে। এর ফলে হিসাব রাখার অভ্যাস ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির সুযোগ মিলবে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সঞ্চয়ের পাশাপাশি শিশুদের উদারতার শিক্ষাও দেয়া প্রয়োজন। জমানো টাকার একটি ক্ষুদ্র অংশ অসহায়দের সাহায্যে ব্যয় করতে শিখালে, এটি শিশুর মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

তবে সঞ্চয় শেখানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন শিশুটি কৃপণ হয়ে না যায়। প্রয়োজনীয় কাজে অর্থ ব্যায় করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে তাদের বুঝাতে হবে। কারণ অর্থের সঠিক ব্যবহারই প্রকৃত শিক্ষা। শিশুরা যে সঞ্চয় শেখে, সেটিই তাদের ভবিষ্যতে আর্থিক সচেতন, আত্মনির্ভর এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। তাই দামী উপহারের পরিবর্তে সন্তানের হাতে দিন সঞ্চয়ের অভ্যাস, যা তার সারা জীবনের সম্পদ হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭ সবজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১১ এম


বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭ সবজি

বর্ষায় সুস্থ থাকতে পাতে রাখতে হবে ৭টি সবজি, যা সর্দি-কাশি ও সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে। বর্ষা আসলে সর্দি-কাশি, পেটের সমস্যা এবং নানা ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে জীবাণুর ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই শুধু পরিচ্ছন্নতা নয়, বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিনের খাবারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে কিছু নির্দিষ্ট সবজি নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় শাকপাতা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া দরকার। কিন্তু, কিছু সবজি রয়েছে, যা এই মৌসুমে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

লাউ বর্ষার জন্য একটি অন্যতম উপকারী সবজি। এটি সহজেই পেটের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে, শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে। এছাড়া, ওজন নিয়ন্ত্রণে লাউ কার্যকর। লাউয়ের পাশাপাশি চালকুমড়োও খাদ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

পটল হলো এক ধরনের শাকসবজি, যা আঁশ, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি-এ সমৃদ্ধ। এটি হজমে সহায়তা করে এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পাশাপাশি, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই সবজিটি কার্যকর।

করলা রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরের শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। বর্ষাকালে নিয়মিত করলা খেলে সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে যেতে পারে।

ঢ্যাঁড়শ আবারও একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি, যা আঁশ, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন সি-তে সমৃদ্ধ। এটা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। কুন্দরি বা তরুলিও এই মৌসুমে উপকারী খাবারের তালিকায় রাখা উচিত।

কুমড়োর মধ্যে রয়েছে প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন, যা সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এটি চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। বর্ষাকালে কুমড়োর স্যুপ স্বাস্থ্যকর খাবার হতে পারে।

কচু, যা অনেকেই এড়িয়ে চলে, এটি অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে রয়েছে আঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই, যা হজমে সাহায্য করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টি আলু বর্ষাকালে উপকারী একটি খাবার হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে জটিল শর্করা, আঁশ এবং ভিটামিন এ, যা শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছে, বর্ষাকালে শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই যথেষ্ট নয়, সবজি ভালোভাবে ধুয়ে এবং পরিষ্কার করে রান্না করাও জরুরি। এছাড়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সুষম খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এই মৌসুমে সর্দি-কাশি, পেটের সমস্যা এবং বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাচেলরদের জন্য বাসা খোঁজার সহজ কিছু কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


ব্যাচেলরদের জন্য বাসা খোঁজার সহজ কিছু কৌশল

ব্যাচেলর হিসেবে ঢাকায় বাসা খোঁজা অনেক ব্যক্তির জন্য একটা বিরাট ভোগান্তি তো বটেই। পছন্দসই লোকেশন এবং ভাড়া মিলে গেলেও শেষের দিকে শুধুমাত্র ‘ব্যাচেলর’ পরিচয়ের কারণে অনেক বাড়িওয়ালা বাসা ভাড়া দিতে রাজি হন না। ফলে শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবী উভয় শ্রেণির ব্যাচেলরদের বাসা খুঁজতে বাড়তি শ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়।

তবে কিছু কৌশল গ্রহণ করলে এই সমস্যার পরিমাণ অনেকটাই কম করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমত এমন ভবন বা এলাকায় খোঁজ নেওয়া উচিত যেখানে আগে থেকেই ব্যাচেলর ভাড়াটিয়া আছেন। সহকর্মী, বন্ধু, সিনিয়র বা পরিচিতদের মাধ্যমে এ ধরনের তথ্য পেলে বাসা পাওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়।

বাসা খোঁজার সময় ভবনের দারোয়ান বা নিরাপত্তাকর্মীরাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে কোন বাসায় ‘টু-লেট’ সাইনবোর্ড না থাকলেও, কোন ফ্ল্যাট খালি হবে বা কোন বাড়িওয়ালা ব্যাচেলরদের জন্য ভাড়া দেন, এসব তথ্য তাদের কাছ থেকেই জানা যায়।

একই এলাকায় একাধিক ‘টু-লেট’ বিজ্ঞাপন দেখলে প্রতিটি নম্বরের ছবি তুলে রাখা উচিত। পরে ফোন করে শুরুতেই জানতে হবে ব্যাচেলর ভাড়া দেওয়া হবে কি না। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এক ভবন থেকে আরেক ভবনে ঘোরাঘুরি করার প্রয়োজন কমে যাবে।

মাসের শেষের দিকে বাসা খোঁজার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। কারণ এই সময়ে অনেক ভাড়াটিয়া বাসা ছাড়েন এবং নতুন ভাড়াটিয়া নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়। তাই প্রয়োজনের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই বাসা খোঁজার কার্যক্রম শুরু করা উচিত।

পরিচিত কারো মাধ্যমে বাড়িওয়ালার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আস্থা তৈরি সহজ হয়। একই সঙ্গে কতজন থাকবেন, কোথায় পড়াশোনা বা চাকরি করেন এবং কতদিন থাকার পরিকল্পনা রয়েছে সে সব তথ্য স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। শুধু ‘আমরা ভালো ব্যাচেলার’ বলার চেয়ে নির্দিষ্ট তথ্য এবং প্রয়োজন হলে পরিচয়পত্র বা রেফারেন্স প্রদান করাটা বেশি কার্যকর হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, বাসা পাওয়ার আশায় নিজের পরিচয় ‘ফ্যামিলি’ হিসেবে উপস্থাপন করা বা তথ্য গোপন করা উচিত নয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে নতুন সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

অনলাইনে বাসা খুঁজতে ‘বাসা ভাড়া’ লিখে সার্চ না করে এলাকার নামের সঙ্গে ‘ব্যাচেলর বাসা’, ‘সাবলেট’, ‘রুমমেট চাই’, ‘সিট ভাড়া’ বা ‘শেয়ারড ফ্ল্যাট’ লিখে খোঁজ করলে অধিক ফল পাওয়া যেতে পারে।

পুরো ফ্ল্যাট না পেলে শেয়ারড ফ্ল্যাট বা সাবলেটও একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে ওঠার আগে বাড়িওয়ালার অনুমতি, ভাড়া, ইউটিলিটি বিল, রান্নার নিয়ম এবং বাসার নিয়ম-নীতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া আবশ্যক।

বাসা দেখতে যাওয়ার সময় অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা ভালো। তবে প্রয়োজন ছাড়া ব্যক্তিগত নথির কপি কাউকে দেওয়া উচিত নয়।

এছাড়াও বাসা নেওয়ার আগে অতিথি আনার নিয়ম, বাসায় ফেরার নির্ধারিত সময়, ছাদ ব্যবহারের সুযোগ এবং কতজন থাকার অনুমতির বিষয়গুলি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সবশেষে, যদি কোন বাড়িওয়ালা স্পষ্টভাবে জানান যে তিনি ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া দেবেন না, তাহলে সময় নষ্ট না করে অন্য বিকল্প খোঁজা সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনাকৃতভাবে খোঁজ শুরু করলে, পরিচিতদের সহায়তা নেওয়া ও সঠিক মাধ্যমে অনুসন্ধান চালালে ঢাকায় ব্যাচেলরদের জন্য বাসা খোঁজার দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%