০৮:৩১ পি.এম
সফর শুরু করার সময় বাংলাদেশ জিম্বাবুয়েতে একমাত্র টেস্টে হেরে যায়। এরপর ওয়ানডে সিরিজও তাদের হাতছাড়া হয়। তবে পিছিয়ে পড়েও টি-টোয়েন্টি সিরিজটি নিজেদের করে নিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। তারা শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটে জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করেছে।
বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে এদিন টসে জিতে জিম্বাবুয়ে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। টাইগার স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান প্রথম ওভারেই স্বাগতিকদের দলের ওপর বড় ধাক্কা দেন। তাদিওয়ানাশে মারুমানি ৫ বল মোকাবিলা করে ৪ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ফলে দলীয় ৬ রানে ভেঙে যায় জিম্বাবুয়ের এই ওপেনিং জুটি।
এরপরে ওপেনার ব্রায়ান বেনেট এবং তিনে নামা ডিয়ন মেয়ার্স দলকে এগিয়ে নিয়ে গেলেন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জিম্বাবুয়ে ১ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান সংগ্রহ করে। বেনেট ও মেয়ার্স উভয়ই ফিফটির খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়। তবে ফিফটির আগে বিদায় নেন বেনেট। তিনি ৩৮ বলে করেন ৪৭ রান এবং দলের ৭৭ রানে ফিরে যান। তাকে ফিরিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
মেয়ার্স ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে বাংলাদেশের বোলারদের চাপের কারণে আরেক প্রান্তের ব্যাটাররা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছিলেন না। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৬ বলে ৩ রান করে বিদায় নেন রিশাদ হোসেনের হাতে। রায়ান বার্ল ৭ বলে ৭ রান করে ফিরেন আবদুল গাফফার সাকলাইনের বলেও। ১৯তম ওভারে একটি ক্যাচ মিস হওয়া সত্ত্বেও রিশাদ হোসেন দুর্দান্ত একটি থ্রোতে ব্র্যাড ইভান্সকে রান আউট করেন।
রানআউটের পরের বলেই ক্লিভ মাদান্দেকে কট বিহাইন্ড করে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষ বলে মেয়ার্স বিশাল ছক্কা হাঁকান কিন্তু ৫৩ বলে ৭৩ রান করে শেষ ওভারে আউট হন তিনি। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে দুটি উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। অন্যদিকে শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন এবং আবদুল গাফফার সাকলাইন পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
জবাবে বাংলাদেশ ৫ বলে ৪ রান করা ওপেনার সাইফ হাসানকে দ্রুত হারিয়ে ফেলে। পাওয়ার প্লেটে টাইগারদের ভালো সময়ে কাটেনি। ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে তারা করে ৩০ রান।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
তারপর ২২ বলে ২৪ রান করে দলের ৫৯ রানে থামেন ইমন। এরপর অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দেন তানজিদ। তানজিদ এবং হৃদয় মিলে কার্যকরী ব্যাটিং করতে থাকেন।
হৃদয় ১৯ বলে ২৪ রান করে বিদায় নেন। পরে ইয়াসির আলী চৌধুরী ৯ বলে খেলেন ১০ রানের ইনিংস। এরপর ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। শেষ ওভারে ৫ রান করতে হবে বাংলাদেশের। প্রথম বল থেকে ১ রান আসে। পরের বলে ব্র্যাড ইভান্স মোসাদ্দেককে ফেরান। তখন ৪ বলে ৪ রান করতে হবে। তবে পরের বল করার সময় ফিল্ডার মুভ করে ডেড বল ডাকেন আম্পায়ার। পরের বলেই শেখ মেহেদী হাসান চার মারেন। এভাবেই বাংলাদেশ ৪ উইকেটের মাধ্যমে দুর্দান্ত একটি জয় তুলে নেয়। ম্যাচের সাথে সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন ব্র্যাড ইভান্স, রিচার্ড এনগারাভা এবং সিকান্দার রাজা।
আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন