প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতে শিক্ষার্থীদের দাবির সমর্থনে আয়োজিত আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে মুম্বাই পুলিশের হাতে বলিউড অভিনেত্রী আয়েশা খানের আটক হওয়ার ঘটনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দিল্লিতে শুরু হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির এই আন্দোলন দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ার পর, শিক্ষার্থীদের সংহতি জানাতে গিয়ে মুম্বাইয়ের দাদারে পুলিশি হেনস্তার শিকার হয়েছেন তিনি।
‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘শারারাত’ গানখ্যাত এই অভিনেত্রী প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পান। বুধবার বিকেলে মুম্বাইয়ের দাদারে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান আয়েশা খান। তবে, তার দাবি অনুযায়ী, মিছিল বা কোনো প্রতিবাদ শুরু করার আগেই পুলিশ তাকে এবং তার সঙ্গীদের আটক করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আয়েশা জানান, তিনি তার দুই নারী বন্ধুর সঙ্গে রাস্তার একপাশে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এর আগে তার ভাই এবং অন্যান্য পুরুষ বন্ধুদের পুলিশ ভ্যানে তুলে নেওয়া হয়। তারা কোনো স্লোগান দেননি অথবা কোনো প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেননি, তবুও প্রায় ১৫ জন পুলিশ সদস্য তাদের ঘিরে ধরে জোরপূর্বক ভ্যানে তুলে নেয়।
আটকের পরপরই শেয়ার করা একাধিক ভিডিওতে আতঙ্কিত আয়েশাকে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো নিয়ম না ভেঙে এবং কোনো ধরনের স্লোগান না দিয়ে শুধু শান্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে কেন তাকে আটক করা হল? আটক হওয়ার পর তাকে এবং তার বন্ধুদের ওরলি পুলিশ স্টেশনে নেয়া হয়। এছাড়া, পরে তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন থানায় তাদের দলের সদস্যদের আলাদা করে ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল। পুলিশ স্টেশনে তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা হলেও আটক প্রক্রিয়ার সময় হেনস্তা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অবশেষে প্রায় তিন ঘণ্টা পরে মুক্তি পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আপডেট জানান এই অভিনেত্রী। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি তার ভাইয়ের মুক্তির জন্য অন্য পুলিশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হন।
প্রসঙ্গত, সিজেপি আয়োজিত এই আন্দোলনের সমর্থনে দেশের একাধিক খ্যাতনামা তারকা সোচ্চার হয়েছেন। দিল্লি ও মুম্বাইয়ের রাজপথে শাবানা আজমি, প্রকাশ রাজ, রত্না পাঠক শাহ এবং নাসিরুদ্দিন শাহের মতো বর্ষীয়ান অভিনয়শিল্পীরাও শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার অধিকারের পক্ষে আওয়াজ তুলছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন