০৮:৩৮ পি.এম
কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে উজান থেকে নেমে আসা পানির ফলে কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৪টি ইউনিটে বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়ে ১২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে ৪টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১নং ইউনিটে ৩৫ মেগাওয়াট, ২নং ইউনিটে ৩৪, ৪নং ইউনিটে ২৮ এবং ৫নং ইউনিটে ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রংপুরের কাউনিয়ায় পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণের মৃত্যু
তিনি আরো জানান, গত এপ্রিল মাস থেকে হ্রদে পানি স্বল্পতা থাকার কারণে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে শুরু করেছিল। তবে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে হ্রদে পানির বৃদ্ধি ঘটেছে, যার ফলে উৎপাদন বেড়েছে। পানি সংকটের কারণে, দীর্ঘ ৩ মাস ধরে সচল থাকার পরও কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু করা সম্ভব হয়নি। এ সময় রেশনিং পদ্ধতিতে কেন্দ্রের ইউনিটগুলো চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখা হয়েছিল। এ ফলস্বরূপ ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্রে সর্বশেষ ৯৬ মেগাওয়াটে নেমে আসে। তবে যদি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে এবং পানি বৃদ্ধি পায়, তাহলে কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বাড়বে।
এদিকে, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন ধরে রাঙামাটিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অতি ভারী বর্ষণ হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পানির বৃদ্ধির কারণেই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, এ সময়ে রুলকার্ভ অনুযায়ী হ্রদে পানির পরিমাণ ৮৪ দশমিক ৯৬ ফুট মীন সি লেভেল (এমএসএল) থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে হ্রদে পানির স্তর ৭৯ দশমিক ৯ ফুট এমএসএল। হ্রদে সর্বোচ্চ পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন করার তথ্যও তারা জানায়।
আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতীক থাকবে না, প্রার্থী পক্ষে কাজ করতে হবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন