০৭:৫০ পি.এম
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত ৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
রুশ সীমান্তবর্তী বেলগোরোদে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ৫ জন নিহত হয়েছেন এবং চার বছরের এক শিশুসহ ২৪ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের সালতিভস্কি এলাকায় রুশ মিসাইল হামলায় বহুতল ভবনে দুজন নিহত এবং ১৩ জন আহত হন। এছাড়া ওডেসায় রাতভর মিসাইল ও ড্রোন হামলায় আরও ৮ জন আহত হয়েছেন।
সম্প্রতি ইউক্রেনে রাশিয়ার এমন হামলা প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ব্যালিস্টিক মিসাইল ঠেকানোর একমাত্র মার্কিন অস্ত্র ‘প্যাট্রিয়ট’ সিস্টেমের তীব্র ঘাটতি থাকায় মস্কো এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে।
আরও পড়ুন: জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে
নাগরিকদের সুরক্ষায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও প্যাট্রিয়ট সিস্টেম চেয়ে আসছেন। তা না পেলে তিনি দেশে এর গোলা তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। এমনকি রাশিয়ার ভেতরে নিখুঁত হামলা চালাতে ইলন মাস্কের ‘স্টারলিংক’ ব্যবহারের অনুমতি চাইছেন জেলেনস্কি।
এদিকে কিয়েভও থেমে নেই। তারা রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো, বৃহৎ অনলাইন রিটেইলার ওয়াইল্ডবেরিসহ বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে; ফলে দেশটিতে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
রবিবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা খারকিভ ও ওডেসায় ইউক্রেনের সামরিক গুদামে সফল হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি ক্রিমিয়াসহ কৃষ্ণ ও আজভ সাগরে ১৫৩টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে মস্কো।
অন্যদিকে ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার বেলগোরোদে ২৯টি অ্যাপার্টমেন্টসহ বহু বাণিজ্যিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নভোরোসিস্ক শহরেও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এই শহরটিতে একটি বড় জ্বালানি টার্মিনাল রয়েছে, যা কাজাখস্তানের তেলের সঙ্গে বিশ্ববাজারের সংযোগ ঘটায়। এটি ইউক্রেনের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন