ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যশোরে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ


যশোরে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ

যশোরের অভয়নগরের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছাশ্রমে আমডাঙ্গা খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করেছেন। আজ শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুন্দলী ও ধোপাদী গ্রামের প্রায় শতাধিক মানুষ এই কাজে অংশ গ্রহণ করেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তাঁরা দশজন করে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে খালের বিভিন্ন স্থান থেকে জমে থাকা কচুরিপানা অপসারণের কাজ করছেন। সুন্দলী গ্রামের পরিতোষ কুমার জানিয়েছেন যে, গত দুই মাস ধরে তাদের এলাকায় শত শত পরিবার হাঁটু সমান পানিতে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র উপায় হলো আমডাঙ্গা খালে কচুরিপানা অপসারণ করা। এজন্যই খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুপুরের সময় অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফারাজী মতিয়ার রহমান কাজ পরিদর্শনে যান। তিনি গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলেন এবং খাল সংস্কারের জন্য দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া, তিনি স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নেওয়া মানুষদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করেন। এসময় সুন্দলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ মল্লিক, ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতা শিবপদ বিশ্বাস এবং স্থানীয় রাজনীতিক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইন্টারনেট একটু স্লো করে দাও’, পলককে কাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


‘ইন্টারনেট একটু স্লো করে দাও’, পলককে কাদের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আরও একটি কল রেকর্ড উপস্থাপন করা হচ্ছে।

রবিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর তিন সদস্যের বেঞ্চে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এটি শোনানো হবে। এ ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

উল্লেখ্য, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে ফোনালাপে ওবায়দুল কাদেরকে ইন্টারনেট স্লো করতে বলতে শোনা যায়।

কল রেকর্ডে পলক বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ভাই পলক বলছি।’ তাকে উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন: ‘এটা একটু স্লো করে দাও, ইন্টারনেট।’ পলক জানান: ‘জ্বি, একটু নেত্রীর পারমিশনটা নিয়া নিই।’ ওবায়দুল কাদের সাড়া দেন: ‘নিয়া নাও।’ পলক বলেন: ‘জ্বি আচ্ছা।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইরানকে লক্ষ্য করা হয়নি: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইরানকে লক্ষ্য করা হয়নি: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ন্যাটো জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষাবিষয়ক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সাথে তুলনা করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে মক্কা চুক্তি ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতোই হতে পারে। পাশাপাশি, ফিদান স্পষ্ট করে বলেন, চুক্তিটির লক্ষ্য হচ্ছে ইরান নয়।

শনিবার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আনাদোলু এজেন্সির ‘এডিটরস ডেস্ক’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হতে পারে। তাঁর মতে, এই চুক্তিটির লক্ষ্য হচ্ছে কোনো নির্দিষ্ট দেশকে হুমকি দেওয়া নয়; বরং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার মাধ্যমে অঞ্চলে স্থায়ী স্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা।

ফিদান আরও বলেন, চুক্তিতে কোনো অভিন্ন হুমকির উল্লেখ করা হয়নি। বরং এমনটা বলা হয়েছে, যদি কোনো দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিন দেশের ওপর হামলা না করে, তাহলে তাকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হবে না। তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান সম্প্রসারণবাদী দেশ হিসেবে পরিচিত নয়। তারা নিজেদের সীমান্ত, সমস্যা এবং উন্নয়নের বিষয়গুলো নিয়েই বেশি মনোযোগী এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চান।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামরিক সক্ষমতা ও কাজের ধরন ভিন্ন হলেও তিনটি দেশের একত্রিত হওয়া একটি প্রতিরক্ষামুখী জোটে পরিণত হতে পারে। এই জোটের উদ্দেশ্য হচ্ছে আক্রমণ চালানো নয়; বরং সদস্য দেশগুলোর সম্ভাব্য হামলা ঠেকানোর জন্য প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো।

তিনি আরও জানান, চুক্তিটি আইনগত, রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং তুরস্ক এতে কোনো সমস্যা দেখতে পাচ্ছে না। ফিদান আবারও বলেন, চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে ইরান নয়।

ফিদান জানান, ভবিষ্যতে এই জোটকে তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজনে অন্যান্য দেশকেও এর আওতায় আনা হতে পারে। তাঁর মতে, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে—এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করা।

চুক্তির অধীনে হামলার শিকার হওয়া কোনো সদস্য দেশ প্রয়োজন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্য, রসদ, গোলাবারুদ বা সামরিক ইউনিটসহ অন্যান্য সহায়ক সরঞ্জাম চাইতে সক্ষম হবে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জোটের সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামো।

ফিদান বলেন, তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানদের নিয়ে একটি যৌথ রাজনৈতিক ও সামরিক কমিটি তৈরি করা হয়। এ ছাড়াও সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, লজিস্টিক সহায়তা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নিরাপত্তার দায়িত্বে আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজেদের মালিকানা বা ‘রিজিওনাল ওনারশিপ’ অভিজ্ঞান। তাঁর মতে, বাইরের শক্তির আধিপত্যের পরিবর্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজেদের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন তিন সুন্নি মুসলিম দেশের এই জোট এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠিত হলো, যেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রফতানিকারক দেশগুলোও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

চুক্তির বিষয়ে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করাই এর মূল উদ্দেশ্য। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ে সম্প্রীতি বজায় রাখতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


পাহাড়ে সম্প্রীতি বজায় রাখতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, আনসারসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো নিয়মিত টহল ও অভিযান জোরদারের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সম্প্রীতি সভা, ক্রীড়া আয়োজনসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আজ ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস। এই দিবসটি ঘিরে তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে যাতে কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেখা গেছে যে, পাহাড়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, "প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় জেলায় সম্প্রীতি বজায় রয়েছে।"

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে নিয়মিত সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হয়। এসব সভায় সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন, যাতে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বড় ধরনের বিরোধ বা বিশৃঙ্খলায় রূপ না নেয়।

এছাড়া, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে পারস্পরিক পরিচয়, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহাবস্থান বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, "খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন। তাদের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।" তিনি আরও বলেন, "পূর্বাঞ্চলে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও তারা কাজ করছেন।"

বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে এখানকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

পাঠশালা সিএইচটি গবেষণা কেন্দ্রের সমন্বয়ক মোহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেন, "সম্প্রীতি বাড়াতে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে মেলবন্ধন আরও বাড়ানো প্রয়োজন।"

শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, "সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।"

স্থানীয়রা জানান, সেনাবাহিনী সম্প্রীতি রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। বিভিন্ন সময় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রেও নানা সহযোগিতা করা হচ্ছে।

দুর্গম এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন, সেখানে সেনাবাহিনীর চিকিৎসা দল গিয়ে চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দুর্গম এলাকা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসতেও সহযোগিতা করা হয়। এমনকি নিয়মিত টহলের সময়ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয়দের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কার্যক্রম পাহাড়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ন্যাটোর মতোই: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ন্যাটোর মতোই: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কৌশলগতভাবে ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫ (আর্টিকেল ৫) ভিত্তিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির সমান।

এমন বক্তব্যটি শনিবারে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, এই চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি।

ফিদান আরও বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলছেন যে, তিনি এই জোটের পরিধি বাড়াতে চান এবং মিসরসহ আরও কয়েকটি দেশ এতে যোগ দেওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারে।

আঞ্চলিক শক্তিগুলো শুক্রবার ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। তথ্য অনুযায়ী, সুন্নি মুসলিম দেশগুলোর এই মিত্ররা আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছে, যেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রফতানিকারক দেশগুলোকে আঘাত করছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এই চুক্তির উদ্দেশ্য যেকোনও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনও একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, নতুন এই জোট ইরান বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়। বরং এটি তিন মিত্র দেশের নিরাপত্তার প্রতি সাধারণভাবে পারস্পরিক সমর্থনের অঙ্গীকার হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনও হামলার ঘটনা ঘটে, তবে মিত্র দেশগুলো একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করে তারা কী মাত্রায়, কেমন ধরনের এবং কোন পদ্ধতিতে সহায়তা চাইবে, তা নির্ধারণ করবে। যদিও কোনও সদস্যদেশ আক্রান্ত না হলে, কোনও দেশকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনীর অধিকারী তুরস্ক জানিয়েছে, এই চুক্তিটি অন্যান্য আঞ্চলিক দেশের জন্যও উন্মুক্ত এবং এটি বিদ্যমান কোনও জোটের বিকল্প হিসেবে কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি।

ফিদান আরো বলেন, “ন্যাটো একটি বিশাল সামরিক জোট, যেখানে ৩২টি দেশ রয়েছে। আমরা এখানে তিনটি দেশ নিয়ে শুরু করেছি এবং আমাদের খুবই বিনয়ী কিন্তু বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নিতে হবে।”

তিনি উল্লেখ করেছেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা দুই বছর আট মাস ধরে চলছিল।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ন্যাটোর অভ্যন্তরে থাকা ব্যবস্থা অনুসারে, মন্ত্রীদের একটি কমিটি এই জোটের অংশ হিসেবে গঠন করা হবে। তাছাড়া, সৌদি আরবে একটি সাধারণ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। তবে জোটের কার্যক্রম পরিচালনার বিস্তারিত বিষয়গুলো প্রথম কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য হলো, আমরা যেন তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকি; বরং এই জোটের ছাতার নিচে সব আঞ্চলিক দেশকে একত্রিত করে এর পরিধি বাড়াই।”

তিনি আরও বলেন, কিছু কৌশলগত বিষয় সমাধান হয়ে গেলে মিসরও এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে। সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%