ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী


বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সম্প্রতি সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দাবি করেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ৬৫ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির রুটিন সিদ্ধান্তের আওতার বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছে।

তিনি স্পষ্ট করে জানান, দেশের শতকরা ৬৫ ভাগ সাধারণ ও নিম্নআয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীকে এই মূল্যবৃদ্ধির বাড়তি চাপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা হয়েছে। এর আগে এই সাধারণ মানুষ বিইআরসির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের আওতায় ছিল।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

শুক্রবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সম্প্রতি সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘বিইআরসি একটি জুডিশিয়াল অথরিটি বা আধা-বিচারিক প্রতিষ্ঠান। তারা সুনির্দিষ্ট মাপকাঠির ভিত্তিতে তাদের রুটিন কাজ হিসেবে এই মূল্য সমন্বয় করেছে। তবে সরকারের সংকল্প ছিল প্রান্তিক মানুষকে সুরক্ষা প্রদান করা। ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে বিত্তবান গ্রাহকদের ওপর চাপ পড়লেও নিম্নআয়ের ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ এর আওতামুক্ত থাকবে।’

ব্রিফিংয়ের অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের লিখিত বক্তব্য এবং সার্বিক পরিস্থিতি গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ও উপদেষ্টা বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিত, পরিমাণ এবং ধরণ তুলে ধরেন। এসময় ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদফতরের উপ প্রধান তথ্য অফিসার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদেশি সফর শেষে দেশে ফিরলেন

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার দেশগুলো বড় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বিগত ২০ বছর ধরে যদি আমাদের দেশের মাটির নিচে আবিষ্কৃত এবং চিহ্নিত নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ উত্তোলনের জন্য সঠিক নীতিমালা থাকত, তবে আজ আমাদের এতটা আমদানি নির্ভর হতে হতো না। পূর্ববর্তী নীতিমালার ভুলের কারণে আজ বৈশ্বিক সংকটে আমরা এতটা আঘাতপ্রাপ্ত এবং সংকুচিত হয়ে পড়েছি। বর্তমানে আমাদের আন্তর্জাতিক বাজারের বৈশ্বিক মানদণ্ড এবং বাধ্যবাধকতা মেনে মূল্য নির্ধারণ করতে হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রসঙ্গ টেনে, তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত এক থেকে দেড় দশক ধরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যে ভয়াবহ দুর্নীতি ও লুটপাটের চক্র তৈরি হয়েছে, তা আপনারা দেখেছেন। এই দীর্ঘস্থায়ী অপরাধ ও দুর্নীতির গভীর চক্র থেকে পুরো খাতকে বের করে আনতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে বর্তমান সরকারের স্পিরিট বা সংকল্প অত্যন্ত পরিষ্কার।’

তিনি জানান, সরকার একদিকে যেমন জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তেমনি বর্তমানের তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কৃষিমন্ত্রী: নিয়মবহির্ভূত সবকিছুই পরিচ্ছন্নতার আওতায় আসবে

কালী টাকার অপরাধের বোঝা বহন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকারকে এখনও ৪১ হাজার কোটি টাকার বিশাল ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। অথচ দেশের খেলাপি ঋণ, মানি লন্ডারিং এবং অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির বিশাল আকারের দিকে তাকালে এই ৪১ হাজার কোটি টাকা কিছুই নয়। যারা এ অপরাধগুলো করে বিপুল পরিমাণ কালো টাকার মালিক হয়েছেন, বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন, মূলত তাদের সেই অপরাধের বোঝা আজকের সংকটময় ব্যবস্থাপনাকে বহন করতে হচ্ছে।

কোনো আনুষ্ঠানিক বা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন ছাড়া জনগণের স্বার্থে সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে একটি তথ্য বিনিময়ের স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণকে জানাতে চায়, আবার জনগণও জানতে চায়। সুস্থ গণমাধ্যম সংযোগকারী হিসেবে উভয়কেই সেবা দেবে। আমরা তথ্য প্রবাহের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করতে চাচ্ছি, যেখানে যেকোনো জরুরি বিষয়ে আমরা নিয়মিত আপনাদের সঙ্গে বসব এবং পরামর্শ নেব।’

জনগণকে সচেতন রাখার জন্য গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতিটি কাজের জবাবদিহিতা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণের কাছে প্রতিনিয়ত পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনকে শোকজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩০ পি.এম


বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'ঢাকা মহানগরী আমাদের সবার বসবাসের জায়গা। কিন্তু ঘর থেকে বের হলেই দূষিত বাতাস। একটি হাসপাতালে যাবেন, পাবলিক হাসপাতাল হলে সেখানে ঢোকাই যায় না। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, 'বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না, এত দূষণ আর দুর্গন্ধ! আমার মনে হয়, ঢাকা শহরের সব রোগের মূলেই রয়েছে এই বুড়িগঙ্গা নদীর পানি।'

শনিবার রাজধানীতে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম 'দক্ষিণের জানালা' উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমার নিজেরই এখন মনে হয়, আমি আর ঢাকা শহরে থাকব না, নিজের দেশের শহরে গিয়ে থাকব। কারণ এই শহর আর বাসযোগ্য মনে হয় না।'

মন্ত্রী প্রকল্পনির্ভর উন্নয়নের সমালোচনা করে বলেন, 'নীতিনির্ধারণী মহল হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের পর প্রকল্প করছে। কিন্তু মানুষ কতটুকু উপকৃত হচ্ছে, তা মূল্যায়ন করা দরকার। প্রকল্প শেষ, তো সব শেষ, এমনটা যেন না হয়।' একই সঙ্গে তিনি বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার কোনো প্রকল্প তৈরি হওয়ার বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

'দক্ষিণের জানালা' আন্দোলনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই আন্দোলন নগরবাসীকে আলোড়িত করবে। তবে শুধুমাত্র আন্দোলন নয়, এটিকে বাস্তবায়নের জন্য কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, 'ঢাকা শহর আমাদের সবার, এটা কারও ব্যক্তিগত নয়। আমি যদি বদলাই, ঢাকা বদলাবে।'

তিনি বলেন, তারেক রহমান পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার জন্য ইতোমধ্যে অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। 'সবার আগে বাংলাদেশ'-কে প্রাধান্য দিয়ে জনগণকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে চান। একটি আধुनिक, মানবিক ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, 'ঢাকা দক্ষিণকে বলা যায় আদি ঢাকার একটি অংশ। ঢাকার সর্বাধিক ঐতিহ্য বা গুরুত্বপূর্ণ স্থান অবস্থিত এখানে। একসময় সবুজে ভরপুর ছিল, ফুলের বাগানে সাজানো ছিল এই পুরান ঢাকা। আমরা চাই, এই আদি ঢাকাকে তার পুরোনো রূপ ফিরিয়ে দিতে।'

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারসহ অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২ পরিবারের বিরোধে অবরুদ্ধ শতাধিক পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


২ পরিবারের বিরোধে অবরুদ্ধ শতাধিক পরিবার

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় দুই পরিবারের বিরোধ ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে অন্তত ১০০টি পরিবার দীর্ঘ এক বছর ধরে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে। অভিযুক্ত দুই পরিবার গ্রামের প্রধান চলাচল সড়কে কাঁটা এবং ডালপালা ফেলে পথটি বন্ধ করে দেওয়ায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ শতাধিক মানুষ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সমস্যা সমাধানের জন্য সামাজিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগের কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি।

শনিবার (৬ জুন) সকালে সরেজমিনে রাজা তালুকদারবাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, চলাচলের একমাত্র সড়কটিতে কাঁটা বিছিয়ে রাখা হয়েছে। কাঁটার ওপর দিয়েই অত্যন্ত ঝুঁকি ও কষ্ট নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় সেখানে জড়ো হওয়া শতাধিক ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ছৈয়দুল হক ও আজম খায়েরের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। গত বছর চলন্ত বাসে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় ছৈয়দুল হকের ছেলে শাহেদ গ্রেপ্তার হয়ে এক বছর জেল খাটেন। এরপর কালা মিয়া ও নজরুলও মাদক মামলার তালিকাভুক্ত আসামি।

এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কড়া হুঁশিয়ারি দিলে অভিযুক্ত পরিবারদুটি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারপর তারা সড়কটি নিজেদের জায়গা দাবি করে প্রধান ফটক আটকে কাঁটা বিছিয়ে দেয়, ফলে প্রায় ১০০টি পরিবার কার্যত বন্দি হয়ে পড়ে।

ভুক্তভোগী ৬৫ বছর বয়সী মো. মোজাহের বলেন, "জন্মের পর থেকেই এই সড়ক দিয়ে আমরা যাতায়াত করছি। গত বছর সমাজের এক সালিশি বৈঠকে ছৈয়দুল হক ও আজম খায়েরের ছেলেদের অনৈতিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ করার কারণে তারা রাস্তার মুখে কাঁটা দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে ফেলেছে।"

বাড়ির ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা লায়লা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কতভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তারা সড়ক থেকে কাঁটা সরায়নি। আমরা মেম্বারকেও জানিয়েছি, কোনো লাভ হয়নি।"

সড়কটি বন্ধ থাকায় এলাকার সামাজিক ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আইনজীবী মো. আবদুর রহিম বলেন, "বয়োবৃদ্ধ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয় কেউ মারা গেলে বা অসুস্থ হলে। এমনকি কোনো বিয়েশাদির আয়োজন হলে আমরা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি, কারণ বাড়িতে ঢোকার কোনো রাস্তা নেই।"

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, "আমি নিজে কয়েকবার সামাজিক বৈঠক ডেকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু ছৈয়দুল হকের পরিবার ওই জায়গা নিজেদের দাবি করে কোনো সালিশ-বিচার মানছে না। "

যোগাযোগ করা হলে আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক ত্রিপুরা বলেন, "সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে বা বাধা সৃষ্টি করে কাউকে দুর্ভোগে ফেলার অধিকার কারও নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে অস্বাভাবিকভাবে উত্তপ্ত মাটি, কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


শরীয়তপুরে অস্বাভাবিকভাবে উত্তপ্ত মাটি, কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিস

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে রহস্যজনকভাবে গরম মাটি হয়ে ওঠার ঘটনায় এলাকাটিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রায় ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে অস্বাভাবিক তাপ অনুভূত হচ্ছে।

শনিবার (৬ জুন) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাটি অস্বাভাবিকভাবে গরম থাকার ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে সেখানে গর্ত করে পরীক্ষা করা হলে মাটির নিচ থেকেও তাপ বের হতে দেখা যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের পাশাপাশি কিছুটা আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে গোসাইরহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। প্রাথমিকভাবে তারা ওই স্থানে পানি দিয়ে তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

গোসাইরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা এবিএম আবুল বাশার বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা মাটির একটি নির্দিষ্ট অংশে অস্বাভাবিক তাপ অনুভব করেছি। প্রাথমিকভাবে সেখানে পানি দিয়ে তাপমাত্রা কমানোর প্রচেষ্টা চলছে। কিন্তু কী কারণে মাটি গরম হচ্ছে, তা এখনই সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।

স্থানীয়দের ধারণা, ভূগর্ভস্থ কোনো গ্যাস, রাসায়নিক বিক্রিয়া অথবা অন্য কোনো কারণে এ ধরনের তাপ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। তাপের উৎস এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে রহস্যজনক এই ঘটনার কারণে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড় বেড়ে গেছে। মাটির নিচে কী কারণে এমন তাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তা জানতে স্থানীয়রা অপেক্ষা করছেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরিণ শিকারে সঙ্গীর গুলিতে নিহত ১ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


হরিণ শিকারে সঙ্গীর গুলিতে নিহত ১ জন

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে হরিণ শিকার করতে গিয়ে সঙ্গীর ছোঁড়া গুলিতে মোহাম্মদ জমিল উদ্দিন (৫৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে রাউজান থানাধীন হলুদিয়া ইউনিয়নের রাবার বাগান এলাকায় ঘটে এই ঘটনা।

নিহত জমিল উদ্দিন ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম ইউনিয়নের দক্ষিণ খিরাম এলাকার ‘বলির বাপের বাড়ি’র তুফায়েল আহাম্মদের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বা আজ শনিবার এলাকার ৫-৬ জন প্রতিবেশী মিলে রাউজান থানার হলুদিয়া রাবার বাগান বনাঞ্চলে হরিণ শিকারের উদ্দেশ্যে বের হন। বনের ভেতর শিকারের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তাদের নিজেদের দলেরই কারো বন্দুকের গুলি সরাসরি জমিল উদ্দিনের গায়ে লাগে। এর ফলে তিনি গুরুতর জখম হন।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় সঙ্গীরা ও স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে, পথেই তার মৃত্যু হয়।

এর আগে ঘটনাটি ফটিকছড়ির সর্তা বিট এলাকায় ঘটেছে বলে প্রাথমিক গুঞ্জন ছড়ালেও, পরবর্তী অনুসন্ধানে জানা যায় ঘটনার মূল স্থান রাউজান থানার হলুদিয়া ইউনিয়ন।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি ও রাউজান থানা পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার সময় সাথে থাকা ৫-৬ জন প্রতিবেশীর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ঘটনার পর থেকেই তারা পলাতক রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%