ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০২৮ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে: ববি হাজ্জাজ


২০২৮ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যমান শিক্ষাক্রম (কারিকুলাম) সংস্কার করে আসন্ন ২০২৮ সাল থেকে এতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি মূল্যবোধভিত্তিক (Value-Based) কাঠামোর ওপর পুনর্গঠন করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে (ডিপিই) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই সংস্কার যাত্রার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

‘Primary Curriculum Development: Guiding Principles for Textbook, Teacher Guide, Remedial Guide, and Video Lesson Design’ শীর্ষক এই সভায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এই শিক্ষাক্রম সংস্কারের কাজ।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর দাঁড়িয়ে পুনর্গঠন করা হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে পারিবারিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা, নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

একই সঙ্গে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান (Foundational Literacy and Numeracy-FLN) নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বাস্তব শেখার সক্ষমতা, পাঠদক্ষতা, গণিত দক্ষতা এবং জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। লক্ষ্যটি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে কোনো বই পড়তে দিলে সে যেন তা সহজে বুঝে পড়তে পারে, নিজের ভাষায় তা প্রকাশ করতে পারে এবং তার মধ্যে যেন শেখার প্রতি এক ধরনের সহজাত আগ্রহ তৈরি হয়—আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি।’

ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে প্রতিটি শ্রেণির জন্য স্পষ্ট ‘লার্নিং আউটকাম’ (শিখনফল) এবং পঞ্চম শ্রেণি শেষে শিক্ষার্থীদের অর্জনযোগ্য দক্ষতার একটি নির্দিষ্ট ‘এক্সিট প্রোফাইল’ নির্ধারণ করা হবে।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

এর ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সময়ে পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষক নির্দেশিকা, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী তৈরি করা হবে।

ডিজিটাল শিক্ষার প্রসারে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ভিডিও লেসন, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং সহায়তাকারী শিক্ষাসামগ্রী তৈরি করা হবে। বিশেষ করে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণভাবে খেলাধুলা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতির ওপর পরিচালিত হবে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ইন্টারেক্টিভ ফ্ল্যাট প্যানেল’ (IFP) প্রদান করা হবে এবং আগামী ৩ বছরের মধ্যে প্রত্যেকটি শ্রেণিকক্ষকে এই প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি, গণসাক্ষরতা অভিযান (ক্যাম্পে) এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে মে মাসে বরিশাল বিভাগের সেরা ইউএনও গলাচিপার ইজাজুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে মে মাসে বরিশাল বিভাগের সেরা ইউএনও গলাচিপার ইজাজুল হক

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে চলতি বছরের মে মাসের সময়ে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক। বিভাগের ৬টি জেলার ৪২টি উপজেলার মধ্যে গলাচিপা উপজেলা প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এটি নির্দেশ করে যে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্য এ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।

রোববার ২১ জুন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

মে মাসে গলাচিপা উপজেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল মোট ৪২৮টি। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৪২৯টি জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি এবং এখানে অর্জিত হয়েছে ২১৯টি। শতাংশের হিসেবে এ উপজেলায় জন্ম নিবন্ধনের কাজ ১০০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এটি ১৮৯ শতাংশ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে গড়ে কাজ হয়েছে ১৪৫ শতাংশ, যা বরিশাল বিভাগের মধ্যে অনন্য।

এছাড়াও, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে মে মাসে পিরোজপুর জেলায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে কাউখালী উপজেলা। সেখানে গড়ে কাজ হয়েছে ১০৫ শতাংশ। বরগুনা জেলা থেকে প্রথম হয়েছে বামনা উপজেলা, যেখানে সম্পন্ন হয়েছে ১০২.৫ শতাংশ। ভোলা সদর উপজেলার অর্জন ৯০.৫ শতাংশ এবং ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার গড় কাজ ৮৯ শতাংশ। বরিশাল জেলায় বাবুগঞ্জ উপজেলা ৬০.৫ শতাংশ কাজ করে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক সময় সংবাদকে বলেছেন, 'বিষয়টিতে আমি আনন্দিত। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে ইউএনওর কাজ মূলত তদারকি করা। সত্যিকার অর্থে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। তাদের সকলের কাজকে একই সুঁতোয় গাঁথা গেছে, এ কারণেই আজকের এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাদের সকলের প্রতি আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।'

উল্লেখযোগ্যভাবে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক গত অর্থবছরে (২০২৪-২০২৫) সারাদেশের ৫০৭ উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে বর্ষসেরা হয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


জাতীয় সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কার্যক্রম শুরু

দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি এবং পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মতো সমন্বিত সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

আজ রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যানিং ওভারভিউ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনের মাধ্যমে এই মহাপরিকল্পনার প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও)-এর দিকনির্দেশনায় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সার্বিক তত্ত্বাবধানে, আইসিএও গোল্ড সনদপ্রাপ্ত সিভিল এভিয়েশন একাডেমি, বাংলাদেশ এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় জানানো হয়, এই মহাপরিকল্পনা হবে দেশের বিমান চলাচল খাতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় রোডম্যাপ। এই রোডম্যাপ আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর অথবা তারও বেশি সময়ের জন্য উন্নয়ন লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং কৌশল নির্ধারণ করবে। এর আওতায় থাকবে বিমানবন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, এয়ার নেভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন, এয়ারলাইন্স খাতের সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা জোরদার এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, "এ মহাপরিকল্পনা দেশের দ্রুত বিকাশমান বিমান চলাচল খাতের সমন্বিত ও ভবিষ্যতমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। স্বাগত বক্তব্য দেন বেবিচকের সদস্য (অপারেশনস অ্যান্ড প্ল্যানিং) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খান।

কর্মশালায় আইসিএওর বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ এল আমিরি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিভিল এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যানের সফল অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিমান খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর একটি জাতীয় রোডম্যাপ তৈরির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো সমন্বিত জাতীয় সিভিল এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান নেই। এই ঘাটতি পূরণে বেবিচক এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যা আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তারা আরও জানান, মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে আইসিএও প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ সহায়তা দিতে ইতোমধ্যে সম্মতি দিয়েছে।

কর্মশালায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কর্মকর্তারা এ উদ্যোগকে বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, এ কর্মশালা খাতটির জন্য সমন্বিত জাতীয় মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রয়াস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ১১ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার : মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ১১ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার : মন্ত্রী

সরকার দেশের মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন পরিকল্পনার আওতায় ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

মন্ত্রী আজ সংসদে হবিগঞ্জ-৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য এস. এম. ফয়সলের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী আরও জানান, মৎস্য খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষায়িত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গৃহীত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাজশাহী বিভাগে জলবায়ু সহনশীল মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প, ময়মনসিংহ বিভাগে টেকসই মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প, খরা-প্রবণ রংপুর বিভাগে টেকসই মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ প্রকল্প, বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ জরিপ প্রকল্প, নির্বাচিত বাঁওর এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এবং বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ জরিপ ও মজুদ নিরূপণ জোরদারকরণ প্রকল্প।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশি পাঙ্গাস ও পোয়া মাছের স্থায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, চা-বাগান ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টিমান উন্নয়নে মৎস্য সম্প্রসারণ প্রকল্প, বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলায় মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প, হাওর অঞ্চলে মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প এবং অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জলাশয় সংস্কার ও আবাসস্থল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও জানান, মোট ১ হাজার ৮৭৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি জানান, হবিগঞ্জ জেলার জন্য পৃথক কোনো বরাদ্দ না থাকলেও 'হাওর অঞ্চলে মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প'-এর আওতায় জেলাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলার আলমগীর স্বেচ্ছাসেবক থেকে হতে চান জনপ্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


নকলার আলমগীর স্বেচ্ছাসেবক থেকে হতে চান জনপ্রতিনিধি

শেরপুরের নকলা উপজেলার ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের জানকিপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ডাক্তার বাড়ির মো. বেলায়েত হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন স্বেচ্ছাসেবক থেকে হতে চান জনপ্রতিনিধি। সে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে লড়াই করার জন্য প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। এরই মধ্যে সাধারণে ভোটারদের নজর কেড়েছেন তিনি।

ইউনিয়নবাসীর অনেকে জানান, আলমগীর হোসেনের মতো তরুণ শিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী পাবেন। সে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের পথ সুগম হবে বলে অনেকে মন্তব্য করেন।

তথ্য মতে, সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৩৫ বছর বয়সী আলমগীর হোসেন ছোট কাল থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত। কলেজ জীবনে পা দিয়েই স্বেচ্ছাসেবার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সরাসরি জড়িত হয়ে পড়েন। তার রাজনৈতিক কর্মক্ষতায় বর্তমানে সে জেলা জিয়া মঞ্চের সহ-সভাপতি, উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের সদস্য, চন্দ্রকোনা ইউনিয়ন তারেক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সাম্যধারা চন্দ্রকোনা ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক, চন্দ্রকোনা বাজার কমিটির (বণিক সমিতি) সদস্য, জানকিপুর সার্বজনীন গোরস্তান ও ঈদগাহ মাঠের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে জড়িত করে সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

আলমগীরের দেয়া তথ্য মতে, সে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা, শতবর্ষী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, উপজেলা সদরের ডিগ্রী কলেজ থেকে বি.এস.এস এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের সর্ববৃহৎ ও পুরাতন ঐতিহ্যবাহী আনন্দ মোহন কলেজ থেকে সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ে এম.এ ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপরে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে আলমগীর হোসেন দ্বিতীয়। সে ব্যক্তি জীবনে বিবাহিত ও দুই মেয়ে সন্তানের জনক।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির উপর আস্থা-বিশ্বাস রেখে নির্বাচনী এলাকার জনগণের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। তিনি নির্বাচিত হলে, ইউনিয়নের মধ্যে বিরাজমান সকল বৈষম্য দূরীকরণে সকলকে সাথে কাজ করবেচন। এক অপরের হাতে হাত রেখে মিলেমিশে সমাজ ও ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করবেন বলে জানান চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর হোসেন। সবার কাছে দোয়া ও ইউনিয়নবাসীর সমর্থন কামনা করেছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%