ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিশু আবু সাঈদের মৃত্যুতে সিলেটে হামে মৃত্যু স্পর্শ করল শতকে


শিশু আবু সাঈদের মৃত্যুতে সিলেটে হামে মৃত্যু স্পর্শ করল শতকে

সিলেট বিভাগে হামে প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ৯ মাস বয়সী আবু সাঈদের মৃত্যু হয়েছিল হামের উপসর্গ নিয়ে।

এবারের এই মৃত্যুর ফলে সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা ১০০ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে, এই উপসর্গ নিয়ে আরও ৮৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে, বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মোট ২৮৫ জন।

হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আবু সাঈদের পরিচয় জানা গেছে। সে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার দুয়ারাবাজারের সাহাব উদ্দিনের ছেলে।

আরও পড়ুন: হোসেনপুরের ‘হেরার আলো ইসলামী ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস, প্রেশার ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি

আবু সাঈদ শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রবিবার (১৯ জুলাই), সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, রবিবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১০০ জন।

এর মধ্যে ৯৯ জনই শিশু। এদের মধ্যে ৪ জনের হাম রোগে মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়াদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৩৫ জন, হবিগঞ্জের ৮, মৌলভীবাজারের ১২ এবং সুনামগঞ্জ জেলার ৪৫ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৫ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ২৮ জন শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ও সিলেটের রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ জন করে এবং নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন/ধানের শীষ নাকি দাঁড়িপাল্লা, কার ওপর আস্থা রাখছেন ভোটাররা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিল্পা ও রাজের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্টে নিষেধাজ্ঞা, নেটপ্রভাবীকে কড়া নির্দেশ আদালতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


শিল্পা ও রাজের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্টে নিষেধাজ্ঞা, নেটপ্রভাবীকে কড়া নির্দেশ আদালতের

নেটপ্রভাবী শমিতা যাদবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন শিল্পা শেট্টী ও রাজ কুন্দ্রা। কী অভিযোগ ছিল তাঁরকা দম্পতির?

অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টী ও তাঁর স্বামী, ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে মানহানিকর কোনও পোস্ট বা মন্তব্য প্রকাশ বা প্রচার না করার নির্দেশ দিয়েছে দিন্ডোশী আদালত। আদালত একই সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছে যে, ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের সমস্ত পোস্ট পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত সরিয়ে ফেলতে হবে।

নেটপ্রভাবী শমিতা যাদবের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন শিল্পা ও রাজ। অভিযোগ হচ্ছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তিনি তাঁর বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের পাতায় দম্পতিকে নিয়ে একাধিক আপত্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য এবং পোস্ট করেছেন। পরবর্তীতে, মামলার বিচারাধীন থাকা অবস্থায় অন্তর্বর্তিকালীন নিষেধাজ্ঞার আবেদনও জানান এই তারকা দম্পতি।

দম্পতির আইনজীবী প্রদীপ গাঁধীর দাবি অনুযায়ী, শমিতা যাদব তাঁর একাধিক পোস্টে শিল্পা ও রাজকে অপরাধী হিসেবে তুলে ধরেছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলক উদ্দেশ্যে এমন পোস্ট ছড়িয়েছেন। এর ফলে, দম্পতির সম্মানহানি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁদের সুনামের অপূরণীয় ক্ষতির কথাও জানান দম্পতির আইনজীবী।

দম্পতির আবেদন মঞ্জুর করে দিন্ডোশী আদালতের অতিরিক্ত বিচারক এসএম বুক্কে নির্দেশ দেন, শমিতা এবং তাঁর প্রতিনিধি বা সহযোগীরা শিল্পা ও রাজের বিরুদ্ধে কোনোরূপ মানহানিকর বিষয়বস্তু প্রকাশ বা প্রচার করতে পারবেন না। আদালত উল্লেখ করেছে যে, তাঁর সামাজিক মাধ্যমের পাতায় ইতিমধ্যেই প্রকাশিত এ ধরনের সমস্ত ভিডিয়ো বা পোস্ট পরবর্তী নির্দেশ না-দেওয়া পর্যন্ত সরিয়ে ফেলতে হবে।

প্রায় পাঁচ বছর আগে পর্নোগ্রাফি মামলায় নাম জড়ায় শিল্পা-পতি রাজের। হাজতবাসও করতে হয়েছে তাঁকে। পরবর্তীতে জামিন পান রাজ; তবে জীবনের সেই অধ্যায় তিনি ভোলেননি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে বাইরে বেরোতেও তিনি আতঙ্কিত বোধ করতেন। জামিন পেলেও আদালত পুরোপুরি স্বস্তি দেয়নি। রাজের মামলাটি এখনও নিম্ন আদালতের বিচারাধীন রয়ে গেছে। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে মামলার সে ভাবে শুনানি না হওয়ায়, চলতি বছরের এপ্রিল নাগাদ প্রকাশ্যে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন রাজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় বিমান সংস্থার সক্ষমতা বাড়লেই অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: আব্দুল্লাহ আল মামুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


দেশীয় বিমান সংস্থার সক্ষমতা বাড়লেই অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: আব্দুল্লাহ আল মামুন

দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা গেলে জাতীয় অর্থনীতি, পর্যটন শিল্প এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি এ বিষয়ে উল্লেখ করেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক রুটের বাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশ বিদেশি এয়ারলাইন্সের নিয়ন্ত্রণে থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় অংশ বিদেশে চলে যাচ্ছে।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীতে ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্সের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল্লাহ আল মামুন জানালেন, ইউএস-বাংলা ও রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা মিলে আন্তর্জাতিক রুটের মার্কেট শেয়ারের প্রায় ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে, কিন্তু বাকি ৭৫ শতাংশ বিদেশি এয়ারলাইন্সের হাতে রয়েছে। দেশীয় বিমান সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়লে দেশের অর্থনীতি আরও স্বাবলম্বী হবে এবং পর্যটন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৪ সালে যশোর রুটে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১২ বছর পূর্ণ করে ১৩তম বছরে পদার্পণ করেছে। বর্তমানে সংস্থাটির বহরে ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এসব উড়োজাহাজ ব্যবহার করে দেশের ৬টি অভ্যন্তরীণ এবং ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে।

ইউএস-বাংলার এমডি আরও বলেন, একটি এয়ারলাইন্সের প্রকৃত শক্তি শুধুমাত্র বহরের আকারের ওপর নির্ভর করে না; বরং নিরাপত্তা, সেবার মান, পরিচালন দক্ষতা এবং যাত্রী সন্তুষ্টির ওপরও নির্ভর করে। এ কারণে ইউএস-বাংলা বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি এয়ারলাইন্স হিসেবে আইএটিএ ও আইওএসএ-এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

তিনি যোগ করেছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে সংস্থাটির বহরে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। এর মধ্যে ১৫টি বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ৬টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০এনজি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা, দাম্মাম, কাঠমান্ডু, কলম্বো, হংকং, জোহর বাহরে এবং পেনাংয়ে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, নিরাপত্তায় আপসহীন থেকে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক এয়ারলাইন্স হিসেবে ইউএস-বাংলাকে বৈশ্বিক আকাশপথে বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী ব্র্যান্ডে পরিণত করার অঙ্গীকারও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলগঞ্জে ১১০০ নারী চা শ্রমিকের মাঝে বিতরণ করা হলো রেইনকোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


কমলগঞ্জে ১১০০ নারী চা শ্রমিকের মাঝে বিতরণ করা হলো রেইনকোট

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় বৃষ্টি-বাদলে কর্মরত নারী চা শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য ১ হাজার ১০০ জনের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা মুহিবুল আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরমা ও বাঘাছড়া চা বাগানের নারী শ্রমিকদের এই বিশেষ উপহার দেওয়া হয়।

রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় কুরমা চা-বাগানের নাটমণ্ডপে এ উপলক্ষে এক নারী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এর সভাপতিত্ব করেন ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুন্দর আলী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মো. দুরুদ আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন এবং অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহিবুল আলম।

নারী চা শ্রমিকরা এটি জানায় যে, এই প্রথমবারের মতো কোন ব্যক্তি তাদের রেইনকোট উপহার দিলেন। এই উদ্যোগে তারা নিজেদের আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ অনুভব করছেন।

সমাবেশে মুহিবুল আলম বলেন, তার বাবা এক সময় চা বাগানের শ্রমিক ছিলেন, তাই শ্রমিকদের কষ্ট ও সংগ্রাম তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও নারী শ্রমিকরা ভিজে ভিজে চা-পাতা সংগ্রহ করেন। তাদের কষ্টের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি ভবিষ্যতে চা শ্রমিকদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন বলে জানান।

বক্তারা আরও বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়ায় নারী চা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই রেইনকোট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। রেইনকোট পেয়ে শ্রমিকদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালে সেমিফাইনালের জয়ী একাদশ নিয়েই নামছে স্পেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


ফাইনালে সেমিফাইনালের জয়ী একাদশ নিয়েই নামছে স্পেন

স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় কোনো চমক প্রদর্শনের পরিকল্পনা করছেন না।

তিনি নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা লড়াইয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারানো জয়ী একাদশকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিশ্বকাপের মহারণে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বেলজিয়াম ও ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দলকে পরাজিত করে ফাইনালে উন্নীত হওয়া স্পেন শেষ ম্যাচে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে চান না।

ফাইনালের আগে স্পেন শিবিরে থাকা চোটের শঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে গোল করে ম্যাচসেরা পেড্রো পোরো ম্যাচের শেষ দিকে ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়লেও বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে উঠেছেন।

এছাড়া দলের অন্যতম তারকা লামিনে ইয়ামালও অনুশীলনের এক পর্যায়ে আলাদাভাবে কাজ করলেও শেষ অফিসিয়াল সেশনে দলের সঙ্গে পূর্ণ উদ্যমে অনুশীলন করছেন। ফলে পোরোর বিকল্প হিসেবে মার্কোস ইয়োরেন্টেকে খেলানোর প্রয়োজন পড়বে না বলে মনে করা হচ্ছে।

মাঝমাঠে, ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্তের কারণে বার্সেলোনার তরুণ মিডফিল্ডার পেদ্রিকে আবারও বেঞ্চে বসিয়ে রাখতে পারেন দে লা ফুয়েন্তে। টুর্নামেন্টের শুরুতে একাদশে থাকা পেদ্রির জায়গাটি এখন নিয়েছেন ফ্যাবিয়ান রুইজ।

রদ্রি ও ফ্যাবিয়ান রুইজের জুটি স্পেনের মাঝমাঠে দারুণ ভারসাম্য সৃষ্টি করেছে। তাদের সামনে আক্রমণভাগের ছন্দ তৈরির দায়িত্ব পালন করবেন দানি ওলমো।

অন্যদিকে, নিকো উইলিয়ামস চোট নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে গিয়ে উরুগুয়ের বিপক্ষে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এরপর থেকেই বাঁ প্রান্তে নিজের জমি পাকাপোক্ত করেছেন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের অ্যালেক্স বায়েনা। ফাইনালে লামিনে ইয়ামাল ও মিখেল ওয়ারজাবালের সঙ্গে স্পেনের আক্রমণভাগে দেখা যেতে পারে বায়েনাকেই।

স্পেনের সম্ভাব্য একাদশ হলো: উনাই সিমন (গোলরক্ষক); পেড্রো পোরো, পাও কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেলা; রদ্রি, ফ্যাবিয়ান রুইজ; দানি ওলমো; লামিনে ইয়ামাল, মিখেল ওয়ারজাবাল ও অ্যালেক্স বায়েনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%