প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যে ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে গেছে।
শীতের দেশে গ্রীষ্মের দাবদাহ এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ৯২ শতাংশ বাড়ি অতিরিক্ত গরমের কারণে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা পেয়েছে। মে মাসের এক প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি (সিসিসি) এ সমস্যার কথা জানিয়েছিল। বাস্তবতায় মে ও জুনের রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহের কারণে অতিরিক্ত প্রায় তিন হাজার প্রাণেরও ক্ষতি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা (ইউকেএইচএসএ) বুধবার জানিয়েছে, ইংল্যান্ডে তীব্র গরমের কারণে ২,৮৭৭ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে মে মাসে ৭৫৩ জন এবং জুনে রেড এলার্ট চলাকালীন ২,১২৪ জন মারা যান। এই সংখ্যা ২০২৫ সালের পুরো গ্রীষ্মের (১,৫০৪ জন) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক আঘাত হিসাবে দেখা দিয়েছে। ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিনের সাথে শীতল দিনের মৃত্যুর তুলনামূলক হিসাব করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ইউকেএইচএসএ-এর বিজ্ঞানী রস থম্পসন বলেছেন, জনস্বাস্থ্যে গরমের এই প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শীতকালীন অসুস্থতায় অভ্যস্ত যুক্তরাজ্যে গ্রীষ্মের দাবদাহ হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে, জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইভেট কুপার।
চলমান জুলাইয়ের দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের হিসাব এখনও যুক্ত হয়নি। ফলে সংস্থাটির আশঙ্কা রয়েছে যে ২০২৬ সাল হতে পারে সর্বোচ্চ তাপজনিত মৃত্যুর বছর। এর আগে ২০২২ সালের গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ ২,৯৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সিসিসি গত বছর জানিয়েছিল যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য মোটেও প্রস্তুত নয়। সুতরাং, ইউকেএইচএসএ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছে। চরম পরিস্থিতি এড়াতে তারা কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ এবং স্কুল-হাসপাতালে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) চালুর সুপারিশ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন