ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হোসেনপুরে বজ্রপাতে নিহত সৌদি প্রবাসীর বিধবা স্ত্রী ও চার সন্তানের মানবেতর জীবনযাপন, দেখার কেউ নেই


হোসেনপুরে বজ্রপাতে নিহত সৌদি প্রবাসীর বিধবা স্ত্রী ও চার সন্তানের মানবেতর জীবনযাপন, দেখার কেউ নেই

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বজ্রপাতে নিহত সৌদি প্রবাসীর বিধবা স্ত্রী ও চার সন্তানের মানবেতর জীবনযাপন, দেখতে পাচ্ছে না কেউ।

সে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ধুলজুরী গ্রামের লিয়াকত আলীর পুত্র প্রবাসী রাসেল মিয়া।

কয়েক মাস কেটে গেছে মৃত্যুর, কিন্তু সরকারি সহায়তার আশ্বাসের বেশিরভাগই গুড়েবালি হয়ে গেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি বজ্রপাতে নিহত হওয়ায় তার পরিবারের ওপর পড়েছে অন্ধকার।

আরও পড়ুন: আলেমদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারীদের উদ্দেশে রফিকুল ইসলাম মাদানির বিস্ফোরক পোস্ট!

এক সময় যে ব্যক্তি প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারে খাবার জোগাড় করতেন, তার মৃত্যুর পর আজ সেই পরিবারের চুলায় অনেক দিন আগুনই জ্বলে না।

রাসেল মিয়ার স্ত্রী শাহানাজ, চার সন্তানকে নিয়ে একটি ভাঙাচোরা ঘরে অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন। পরিবারের কোনো স্থায়ী আয় নাই।

সরেজমিন তথ্য পাওয়া গেছে, রাসেলের স্ত্রী শাহানাজ নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। স্বামীর মৃত্যুতে শোক সামলাতে না সামলাতেই মাত্র ১৬ দিনের মাথায় মারা যান তার মা। জীবনযাত্রার সবচেয়ে কঠিন সময় তিনি হারিয়েছেন একমাত্র আশ্রয়টুকুও।

রাসেলের বৃদ্ধ মা মোমেনা আক্তার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, তিন বেলার খাবারের পরিবর্তে অনেক দিন একবেলা খেয়েই তাদের দিন কাটাতে হচ্ছে। সন্তানদের লেখাপড়াও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ তো বাদই দিন, ঠিক মতো খাবার জোগাড় করাও এখন পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিবিএ আওয়ামী লীগপন্থী নেতা তুহিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সুদের কারবার নির্যাতনে দিশেহারা অসহায় মানুষ

গত ১০ মার্চ ২০২৬ সালে সৌদি আরবে কর্মস্থলে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রাসেল মিয়ার মৃত্যু ঘটে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে স্ত্রী ও চার সন্তান চরম অনিশ্চয়ের মধ্যে পড়ে গেছে। অপর দিকে পরিবারের অভাব দূর করতে ধারদেনা করে বিদেশে কাজ করছিল রাসেল। কিন্তু সে আশা বর্তমানে বিষাদে রূপ নিয়েছে।

এরপর তিন-চার দিন পরে নিহতের বাড়িতে গিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা ঈদ উপলক্ষে জামাকাপড়, খাদ্যসামগ্রী ও কিছু নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। তারা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন সরকারি অনুদানের ব্যবস্থারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু পরিবারটির অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পর দীর্ঘ সময়ে কেটে গেছে, তারা উল্লেখযোগ্য কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। ফলে দিনকে দিন আরো অসহায় হয়ে পড়ছে পরিবারটি।

প্রতিবেশী আবু রায়হান জানান, রাসেল মিয়ার পরিবার বর্তমানে চরম মানবিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং দেশের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলোকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: চৌমুহনী: অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত

এলাকাবাসীর দাবি, সাময়িক সহায়তার পাশাপাশি পরিবারটির জন্য স্থায়ী পুনর্বাসন, বিধবা ভাতা, শিশুদের শিক্ষা সহায়তা এবং নিয়মিত সরকারি সহযোগিতার ব্যবস্থা করা জরুরি। তাদের প্রশ্ন, একজন প্রবাসী দেশে অর্থনীতি প্রবাহিত করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখে পড়ার পর তার অসহায় পরিবার কি এভাবে অনিশ্চয়তার মধ্যে বেঁচে থাকবে?

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাহানাজ বলেন, "স্বামী চলে গেছে, তারপর মা-ও মারা গেলেন। আমার মা-বাবা, ভাই-বোন কেউ নেই। চারজন সন্তান নিয়ে কোথায় যাব, কীভাবে বাঁচব জানি না। অনেক সময় সন্তানদের ঠিকমতো খাবারও দিতে পারি না।"

তিনি বলেন, সরকারি সহযোগিতার আশায় আছি, কিন্তু এখনো তেমন কোনো সহায়তা পাইনি।

হোসেনপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মিছবাহ উদ্দিন মানিক বলেন, "রাসেল মিয়ার পরিবার আজ চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছে। তারা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান মানুষ ও মানবিক সংগঠনের সবাইকে দ্রুত এই পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত। চারটি নিষ্পাপ শিশুর ভবিষ্যৎ রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।"

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা

একজন প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনা শুধু একটি প্রাণের অবসান নয়, এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের বাস্তবতা। রাসেল মিয়ার চার সন্তান এখনো অপেক্ষা করছে, তাদের বাবার দেওয়া সেই স্বপ্নগুলো অন্তত রাষ্ট্র ও সমাজের সহযোগিতার মাধ্যমে যেন বেঁচে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে কী বলছেন তার স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে কী বলছেন তার স্ত্রী

 

সোনম ওয়াংচুক দুই শর্তে অনশন ভাঙ্গতে সম্মত হয়েছেন। রবিবার (১৯ জুলাই) সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জানান, যদি রাজনৈতিক নেতারা হাসপাতালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সোমবার (২০ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে শিক্ষার জবাবদিহিতার বিষয়টি উত্থাপন হবে, তাহলে তিনি আজ সোমবার অনশন ভাঙবেন।

ভারতে নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ২৮ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে আমরণ অনশন শুরু করেন লাদাখের এই বিখ্যাত প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, শিক্ষা সংস্কারক ও পরিবেশবাদী সোনম ওয়াংচুক। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে পুলিশ তাকে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে তুলে এনে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিল্লি হাইকোর্ট সরকারকে সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষায় সম্ভাব্য সবকিছু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলি সফদরজং হাসপাতালের ওপর আস্থা না থাকায় রবিবার সকালে তাকে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হাইকোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। কিন্তু রবিবার বিকেলে আদালত তার আবেদন ফিরিয়ে দেয়। বিচারপতি মিনি পুশকরণার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রায় দেন যে, সোনমের স্বাস্থ্য অবনতি হওয়ার সত্ত্বেও তিনি নিজে হাসপাতালে ভর্তি না হওয়ায়, তাকে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সরকার সম্পূর্ণভাবে তার অধিকারের মধ্যেই কাজ করেছে। আদালত মন্তব্য করেন যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে প্রাথমিকভাবে খামখেয়ালি বলা যাবে না এবং এটি তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে লঙ্ঘনও করেনি।

গীতাঞ্জলি আংমোর আরও দাবি করেন যে, ওয়াংচুক বা তার পরিবারের সম্মতি ছাড়া তাকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার আবেদনে আরও যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, ওয়াংচুককে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখা হচ্ছে। শুনানির সময় একজন চিকিৎসক আদালতকে জানান, ওয়াংচুককে তার নিজের সম্মতিতেই মুখে খাওয়ার ওষুধ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি পুশকরণা বলেন, 'যেহেতু হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তার সম্মতিতে মুখে খাওয়ার ওষুধ দিয়েছেন, তাই এটি বলা যাচ্ছে না যে তার ওপর বলপ্রয়োগ করা হচ্ছে অথবা তার ব্যক্তি স্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে।' আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, আংমো ও ওয়াংচুকের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হাসপাতলে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গীতাঞ্জলি হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা করেছেন। ওয়াংচুক হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় আজ 'সংসদে চলো' কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন। সোনমের স্ত্রী গীতাঞ্জলিও ককরোচ জনতা পার্টি আয়োজিত আজকের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় আবারও শুরু হয়েছে বৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


ঢাকায় আবারও শুরু হয়েছে বৃষ্টি

টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত ঢাকায় গত দু-তিন দিন রোদের হাসি দেখা গিয়েছিল। এতে তাপমাত্রা বেড়ে ভ্যাপসা গরমও বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে সোমবার (২০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ আবারও বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

এদিন আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছিল, দুপুর নাগাদ ঢাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। সারাদেশের পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সাথে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু দেশের উত্তরাঞ্চলে সক্রিয় এবং অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয়, এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে দেশে প্রায় সব বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেও আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুয়া ঋণের ফাঁদে এডিবির নাম ব্যবহারে সচেতন হতে বললো প্রতিষ্ঠানটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


ভুয়া ঋণের ফাঁদে এডিবির নাম ব্যবহারে সচেতন হতে বললো প্রতিষ্ঠানটি

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর নাম, লোগো এবং কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার প্রতারণার বিষয়ে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (২০ জুলাই) তারা এক বার্তায় এ সতর্কবার্তা জারি করে।

এতে তারা জানিয়েছে, এডিবি কখনোই কোনো ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি ঋণ, অনুদান, তহবিল বা অন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দেয়ার কাজ করে না। এর পাশাপাশি, তারা আর্থিক সহায়তার নামে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য চায় না। এছাড়া, মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থ জমা দেয়ার জন্য অনুরোধও করে না।

এডিবির তথ্য অনুসারে, সম্প্রতি কিছু প্রতারক এডিবি ও এর কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে নকল ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ভুয়া পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন প্রতারণামূলক উপকরণ সৃষ্টি করছে। এসবের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এডিবির কোনো সম্পর্ক নেই।

এডিবি জনসাধারণকে এসব ভুয়া ঋণের প্রস্তাব সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং এ ধরনের যোগাযোগে কোনো সাড়া না দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। একইসঙ্গে, যদি কেউ এডিবির ঋণ বা আর্থিক সহায়তার নামে যোগাযোগ করে, তাহলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাতে আহ্বান করেছে।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে এডিবি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে। অতএব, এডিবির প্রতিনিধি পরিচয়ে যদি কেউ সরাসরি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়, তবে সেটি প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।

এডিবির নাম, কর্মকর্তাদের পরিচয় অথবা অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে যে ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত সতর্কবার্তা এবং এসব প্রতারণা এড়িয়ে চলার পরামর্শ এডিবির প্রকাশিত নির্দেশনায় পাওয়া যাবে।

১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু প্রবৃদ্ধি এগিয়ে দিতে কাজ করছে। বর্তমানে সংস্থাটির সদস্য দেশ সংখ্যা ৬৯, যার মধ্যে ৫০টি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেন-আর্জেন্টিনা খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ, আসল কারণ প্রকাশ্যে এসেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


স্পেন-আর্জেন্টিনা খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ, আসল কারণ প্রকাশ্যে এসেছে

বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজলে, স্পেনের ফুটবলারদের মধ্যে শিরোপা জয়ের আনন্দ মেতে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু সেই আনন্দের মুহূর্তটি বদলে গিয়ে উত্তেজনা, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতিতে পরিণত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে স্পেন ও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের সংঘর্ষের ঘটনায় একটি বিশাল চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে ঘটনার পেছনের কারণ।

জানা গেছে, সংঘর্ষের শুরুটা হয় স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি এবং আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনাকে কেন্দ্র করে। ম্যাচে জয়ের পর প্রতিপক্ষের সামনে রদ্রির উচ্ছ্বাস প্রকাশে মলিনা অসন্তুষ্ট হয়েছেন। এ নিয়ে প্রথম থেকেই দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে মুখোমুখি অবস্থানে গড়ায়।

এরপর পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য এগিয়ে আসেন স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। তিনি মলিনাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। সেই সময় আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ঘটনাস্থলে এসে গার্সিয়াকে ধাক্কা দেন। এরপর দুই দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড় সেখানে এসে জড়ো হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সতীর্থকে ধাক্কা খেতে দেখার পর স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভি এগিয়ে এসে পারেদেসকে ধাক্কা দেন। এই পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পারেদেসও গাভিকে ধাক্কা দেন। কেবল কিছু সেকেন্ডের মধ্যেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক ধাক্কাধাক্কির ঘটনা শুরু হয়।

এক পর্যায়ে আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা গাভিকে এক হাতে শক্তভাবে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, গাভি উঠে দাঁড়ানোর পর পারেদেস আবার তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এর ফলে মাঠজুড়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা দেয়।

যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিল, স্পেনের স্ট্রাইকার বোর্হা ইগলেসিয়াস এগিয়ে এসে বেশ কিছু প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে দুই দলের কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা এবং সিনিয়র খেলোয়াড়রা মাঠে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন। তাদের সহায়তায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় এবং অনেক বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে আয়োজক কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%