০৭:৩৬ পি.এম
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন-২০২৬ এর দ্রুত কার্যকর করার জন্য বিধিমালা প্রণয়ন এবং ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচসহ নতুন নিকোটিনজাত পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর অবসর ভবনে, সমিতি ও ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডর্প)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় এই দাবি ওঠে।
আরও পড়ুন: আজ যেসব দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে
সভায় সমিতির প্রশাসক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কার্যকর তামাক নিয়ন্ত্রণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। তিনি উল্লেখ করেন, শিশু-কিশোর ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সংশোধিত আইনের দ্রুত বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।
অবসরগ্রহণকারী সচিব মো. শামসুল আলম খান বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস ও হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টসের (এইচটিপি) ওপর কর আরোপের ফলে এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি সতর্ক করেন, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি বাড়তে পারে।
তাহলে সময়োপযোগী নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সমিতির পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি—৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির তুলনায় পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন
অতএব, সংশোধিত আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার পাশাপাশি নতুন নিকোটিনজাত পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বক্তারা সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করে আইনটি বাস্তবায়নের দাবি করেন। একই সঙ্গে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন