মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
১১:২১ এম
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজারে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। হঠাৎ ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ তিনজন আটকের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোয়ালখালী বাজারের সেলিম স্টোরের সামনে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাঙামাটির সাজেক থানার বাঘাইহাট চৌধুরীপাড়ার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২৬), দীঘিনালার রাজেন্দ্র কারবারীপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হেমান্দ্র ত্রিপুরার ছেলে কাকো মনি ত্রিপুরা (৩৫) এবং বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার রমজান আলীর ছেলে আবু তৈয়ব (৩৮)।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাটি অনেকটাই অপ্রত্যাশিত বলে জানিয়েছেন তারা। বাজারের ব্যস্ত এলাকায় এমনভাবে মাদকবিরোধী অভিযান ও ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তারের ঘটনায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বোয়ালখালী বাজারের একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, যাদের মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে কখনো ভাবিনি, তাদেরই ইয়াবাসহ আটকের খবর আমাদের অবাক করেছে। পরিচিত মানুষদের নিয়েই যখন এমন ঘটনা সামনে আসে, তখন সন্তানদের নিয়ে আমরা আরও চিন্তিত হয়ে পড়ি। কে কখন মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আকস্মিক এ অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাজার ও আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে। তাদের মতে, শুধু মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তার নয়, মাদকের উৎস ও কারবারের সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার চর দৌলতখান ইউনিয়নে তানিয়া নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাবার বাড়ির সামনে রেখে যাওয়া হলেও পরে জানা যায়, মৃত্যুর দিন তিনি কথিত পরকীয়া প্রেমিক মিলন হাওলাদারের সঙ্গে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। এ ঘটনায় মিলনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন নিহতের ছোট ভাই।
নিহত তানিয়া চর দৌলতখান ইউনিয়নের ঢাকি কান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী ও দুই মেয়ে এক ছেলেসহ পাঁচ সদস্যের সংসার ছিল। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সাহেবরামপুর ইউনিয়নের শাহিন হাওলাদারের ছেলে মিলন হাওলাদারের সঙ্গে তানিয়ার সম্পর্ক ছিল। মিলনেরও সংসার রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার তানিয়া বাড়ি থেকে বের হয়ে সিডি খান বাজারে যান। পরে রাতে একটি ইজিবাইকে করে গুরুতর অসুস্থ ও আহত অবস্থায় তাকে বাবার বাড়ির সামনে রেখে যাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথেই তানিয়ার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ঘটনাটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে ধরে নিয়ে তানিয়ার মরদেহ দাফন করেন। তবে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে আসায় তাদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, মৃত্যুর দিন তানিয়া কথিত প্রেমিক মিলন হাওলাদারের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে খাসেরহাট এলাকায় গিয়েছিলেন। বিষয়টি জানার পর মিলনকে সন্দেহ করে ঘটনার দুই দিন পর কালকিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন নিহতের ছোট ভাই মেহেদী মোল্লা।
অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। পরিবারের দাবি, তানিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক।
এদিকে, মিলন হাওলাদারকে স্থানীয়ভাবে ‘হোটেল মিলন’ নামেও ডাকা হয় বলে জানা গেছে। তার সাহেবরামপুর বাজারের দোকানে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় তার ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি মিলনের বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, খাসেরহাট বাজারের একটি বেসরকারি ক্লিনিকের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার দিন মিলন ও তানিয়া সেখানে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাদের চিকিৎসার ধরন ও সেখানে যাওয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের অভিযোগ, তানিয়ার মৃত্যুর পেছনে মিলন হাওলাদারের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
এ বিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে মিলন হাওলাদার আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার। বর্তমানে তার সাহেবরামপুর বাজারের দোকানে ছোট ভাই ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
তানিয়ার পরিবারের অভিযোগ ও স্থানীয়দের সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে এখন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী—সড়ক দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন স্বজনরা। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো একটি মানচিত্র ফের প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মানচিত্রটি শেয়ার করেছেন। তবে এবার তিনি পোস্টটির সঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি।
এক সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট একই মানচিত্র দ্বিতীয়বার প্রকাশ করলেন। এর আগে ১৮ আগস্টও তিনি ঠিক একই ছবি শেয়ার করেছিলেন।
এদিকে শুক্রবার এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজকে ‘বর্তমানে আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখতে হবে। পাশাপাশি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের অবস্থানও কঠোর। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করা পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ থাকবে।
এর আগে ইরান সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অভিযানে কোনো প্রতিবেশী দেশ যোগ দিলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, এমন পরিস্থিতির ফলস্বরূপ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর স্বার্থে আঘাত হতে পারে এবং হরমুজ দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেহরানকে আর্থিক বা বাণিজ্যিক সহায়তা দেওয়া দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি এসেছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর মধ্যে একটি। এই জলপথ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই, রয়টার্স, ডেকান ক্রনিকল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুশফিকুর রহিম এক প্রান্তে প্রতিরোধ গঠন করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইনিংস হার এড়ানোর পথটা কঠিন হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৮ ওভারের মধ্যে ৯৫ রান তুলতে গিয়ে সফরকারীরা ৮ উইকেট হারিয়েছে। এখন ইনিংস হার রোধ করতে হলে ৫১ রান করতে হবে।
চা বিরতির সময় মুশফিক ৮০ বল খেলে ২৯ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। তার সাথে ব্যাটিং করছিলেন তাসকিন আহমেদ, যিনি ১০ বলে ৮ রান করে অপরাজিত রয়েছেন।
এর পূর্বে, ৩৫ দশমিক ২ ওভারের সময় তাইজুল ইসলামকে ফিরিয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক বাংলাদেশ দলের অষ্টম উইকেটটি তুলে নেন। এটি স্টার্কের জন্য ১০ উইকেট পূরণের সিরিজে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল।
বাংলাদেশ দলের বিপদের শুরু হয়েছিল যখন তারা মিরাজ, হাসান মাহমুদ এবং লিটন দাসকে হারিয়ে ফেলেছিল। লিটন ১০ বল খেলে শূন্য রানে ফিরে আসেন, মিরাজ ১ রান এবং হাসান মাহমুদ ১০ রান করে আউট হন।
নাজমুল হোসেন শান্ত ৪৬ বল খেলে ৩১ রান করার পর নাথান লায়নের বলে মিচেল স্টার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এই পর পরিস্থিতির পরও মুশফিক লড়াই করে যাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ২১০ রানে অলআউট হয়েছিল। বাংলাদেশের শরীফুল ইসলাম ১৫ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ৭ উইকেট নেন। আরও, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, এবং মেহেদী হাসান মিরাজ প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ১৪৬ রানের লিড পায়। সেই লিড পার হয়ে ইনিংস হার এড়াতে বাংলাদেশকে এখন আরো ৫১ রান করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ‘সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দিতে হতে হবে।’
রবিবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার অফিসে এসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সকাল ৮টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে এসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মন্ত্রী। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।
আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘সরকারের ভালো কাজগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে হবে। দেশের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে গুরুত্ব দেওয়ার দায়িত্বও মন্ত্রণালয়ের রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি কঠিন সময়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
কাজ করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হতে পারে। তবে নৈতিকতার জায়গায় সরকার শক্ত অবস্থানে রয়েছে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো দেশের সেবা করা এবং জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। সংবাদমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। গত ১৭ বছরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে লড়াই হয়েছে, সেখানে সংবাদমাধ্যমেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।’
তিনি বলেন, ‘নানা ধরনের নিয়ন্ত্রণ ও চাপের মধ্যেও সংবাদমাধ্যম থেকে সরকারের ব্যর্থতা, অনিয়ম, নির্যাতন ও গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের নানা তথ্য মানুষ জানতে পেরেছে। তাই জুলাইয়ের আন্দোলনে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের ভূমিকা কোনোভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।’
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সতর্ক করে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়; বরং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা। কোনোভাবেই যেন নিয়ন্ত্রণের পথে যাওয়া না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘গত ১৭ বছরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সময় লাগবে। বিচার বিভাগ, রাজনীতি, সংসদসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে যে নৈতিক অবক্ষয় তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে হবে। একই সঙ্গে আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন, সেটিকে সামনে রেখে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থ রক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান মেরামত এবং নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে, সরকারের কোনো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যেন অন্যায় না হয়।’
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে আমার চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ও দক্ষ। আপনাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ