ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিজস্ব প্রথা ভাঙতে চলেছে ফিফা!


নিজস্ব প্রথা ভাঙতে চলেছে ফিফা!

চলমান বিশ্বকাপের ফাইনালে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে আয়োজিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল।

এবার দীর্ঘদিন পর ফিফা নিজেদের নিয়ে আসছে একটি নতুন পরিস্থিতি। ট্রাম্প ও ইনফান্তিনো যৌথভাবে ফাইনাল ট্রফি প্রদান করবেন। অর্থাৎ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক তাদের দুজনের কাছ থেকেই ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ট্রফি গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন: বিএনপির এমপির ফুলেল শুভেচ্ছা, সাধারণ সম্পাদককে শোকজ

মার্কিন টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন ইনফান্তিনো জানান, 'আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফাইনাল উপভোগ করব এবং নিশ্চয়ই একসঙ্গে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেব।'

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, 'আমরা প্রায় সব সময়ই একসঙ্গে কাজ করছি।'

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের সময় ইনফান্তিনো নিজেই ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন। তবে এবার ফিফার প্রথায় নতুনতা আসছে।

গত বছর নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ফাইনালে প্যারিস সেন্ট জার্মাইকে পরাজিত করে চেলসি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর, ট্রাম্পকে ট্রফি দেওয়ার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। চেলসির অধিনায়ক রিস জেমসের হাতে ট্রফি তুলে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৪ নেতা গ্রেফতার

কিন্তু ট্রফি দেওয়ার পর মঞ্চে থেকে খেলোয়াড়দের উদ্‌যাপনের সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।

সাম্প্রতিক বিশ্বকাপের সময়ে ফিফা সভাপতিরা ট্রফি তুলে দিয়েছেন। তবে অতীতে রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা রাজপরিবারের সদস্যরাও এই দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে স্পেনের রাজা হুয়ান কার্লোস ইতালির অধিনায়ক দিনো জ়োফের হাতে ট্রফি তুলে দিয়েছিলেন।

এছাড়া ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের একমাত্র বিশ্বকাপজয়ের পর অধিনায়ক ববি মুরের হাতে ট্রফি তুলে দেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এ কার্যকারিতা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে ট্রাম্পের ট্রফি প্রদান নতুন হলেও, রাষ্ট্রপ্রধানদের এই ভূমিকার নজির বিশ্বকাপের ইতিহাসে পূর্বেও রয়েছে।

আরও পড়ুন: নরসিংদীতে কালীবাড়ি ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলে বিস্ফোরণে ৫ জন দগ্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


ডিসি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচিত প্রবাহে প্রথমবার মুখ খুললেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বললেন, 'তিনি (ডিসি) আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। সবাইকে নিয়ে বসে অচিরেই স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কাজ করব।'

অপরদিকে, বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথাবার্তা বলেন। তিনি চার দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক মাজারের বিষয় এবং জেলা প্রশাসক প্রত্যাহার নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিলেন। এ সময় প্রশাসন ও বিমানবন্দরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আরো বলেন, 'উনি (সারওয়ার আলম) আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। আমরা সেদিকেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব।' তিনি উল্লেখ করেন, 'এ ধরনের (মাজারের দানের টাকা প্রকাশ্যে গণনা) স্বচ্ছতার পদক্ষেপে আমাদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব এবং আমরা সবাইকে নিয়ে মাজারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।'

এ সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, 'আমি দেশের বাইরে ছিলাম। দেশে আসার পর গতকাল সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা সবাই একমত। মাজার নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব। খুব তাড়াতাড়ি মাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।'

জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের বদলি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, 'বদলির বিষয়টা রুটিন ওয়ার্ক। এটা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাজ। এটা এই ঘটনার (মাজার ইস্যু) সঙ্গে সংযুক্ত নয়। এটি আগে-পরেও হতে পারত।'

সম্প্রতি কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৫ প্রবাসী নিহতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, 'নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে। নিহতদের পরিবারকেও সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।'

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, 'ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও বিশ্রামাগারসহ নানা বিষয়ে উদ্যোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।'

এর আগে গত বৃহস্পতিবার, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের ৩টি ডেগে সিলগালা করে জেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন চারটি দানবাক্স মাজারে বসানো হয়। মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনার কথা বলে পিতলের তিনটি ডেগ সিলগালা করেছে প্রশাসন।

এ নিয়ে মাজার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দেয়। তারা মাজারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। এই পরিস্থিতিতে রবিবার জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসককে হঠাৎ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রবি ও সোমবার সিলেটে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এরকম পরিস্থিতিতে সোমবার দুপুর ২টায় হঠাৎ দরগাহে যান জেলা প্রশাসক সারওয়ার। সেখানে প্রশাসনের বসানো ৪টি দানবাক্স, দরগার মহিলা এবাদতখানার একটি দানবাক্স এবং সিলগালা করা তিনটি পিতলের ডেগের টাকা গণনা করা হয়। প্রায় চার ঘণ্টা গণনা শেষে প্রশাসন জানায়, চারদিনে এসব দানবাক্স ও ডেকে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ৭ আনা সোনা ও ১০ সৌদি রিয়াল পাওয়া গেছে। শেষে প্রশাসন দানের সব টাকা সোনালী ব্যাংকে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের নামে খোলা একটি অ্যাকাউন্টে জমা দেয়। সেখানে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে আরও ৫ লাখ টাকা জমা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে বহিরাগত অতিথিদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটি শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তর থেকে বুধবার (২৪ জুন) একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ খেলা চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলো—শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, বার্ন ইউনিট, শিববাড়ী ক্রসিং, ফুলার রোড, পলাশী মোড় ও নীলক্ষেত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি এবং জরুরি সেবার যানবাহন ব্যতীত অন্য যানবাহনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত আছে অ্যাম্বুল্যান্স, ডাক্তার, রোগী, সাংবাদিক, রাইড শেয়ার, খাবার গাড়ি, অনলাইন শপিং বাহন ও অন্যান্য সরকারি গাড়ি। তবে, গণপরিবহন এবং ভারী যানবাহনের প্রবেশ সব সময়ই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অংশীজনদের মতামত, পরামর্শ এবং বাস্তব অবস্থা অনুযায়ী উপরোক্ত সিদ্ধান্ত সময়ে সময়ে পুনর্মূল্যায়ন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বব্যাংক ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


বিশ্বব্যাংক ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে

বাংলার ব্যাংক খাতের ভিত আরও মজবুত করার লক্ষ্যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার জন্য ৪৫০ মিলিয়ন বা ৪৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুন) বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের বোর্ড এই ঋণ অনুমোদন করেছে।

‘ফাইন্যানশিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ নামের এই প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে। পাশাপাশি, এই ঋণ ব্যাংক খাতের সংকট দূর করার এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর সংস্কারের ভিত্তি তৈরি করতে অবদান রাখবে।

ঢাকা অফিস থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের এই অর্থায়ন মূলত আমানত সুরক্ষা তহবিলের মূলধন বৃদ্ধি এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার অগ্রাধিকারকে এগিয়ে নেওয়ার কার্যক্রমে সহায়তা করবে। এর মধ্যে রয়েছে আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, কার্যকর জরুরি লিকুইডিটি সহায়তা কাঠামো প্রতিষ্ঠা, ব্যাংক পুনর্গঠন কৌশল তৈরি এবং সরকারি ব্যাংকগুলোর কাঠামোগত সংস্কার নির্ধারণ করা।

বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাত দুর্বল করপোরেট সুশাসন, ঋণ বিতরণে অনিয়ম এবং অনৈতিক সুবিধার কারণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়ে রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের শেষে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) হার ৩২.৫ শতাংশের বেশি হয়ে গেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকগুলোর গড় খেলাপি ঋণের (৭.৯ শতাংশ) তুলনায় অনেক বেশি। তাছাড়া, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস শেষে পুরো ব্যাংকিং খাতের মূলধন ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাত ঋণাত্মক ২.৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জঁ পেসমে মন্তব্য করেন যে, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে একটি স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক খাত অপরিহার্য। তবে দেশের মোট আর্থিক খাতের সম্পদের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যাংক খাতের অধীনে রয়েছে, যা ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই প্রকল্প বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার, ব্যবস্থা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে সাহায্য করবে, যা ক্ষুদ্র আমানতকারীদের রক্ষা করবে, আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করবে এবং ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে; যেন এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।

এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো আধুনিকায়ন ও উন্নত করা হবে, যা সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকির মোকাবিলা এবং খাতভিত্তিক তথ্য ও বিশ্লেষণের ঘাটতি দূর করতে সহায়তা করবে।

ফলস্বরূপ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, তথ্যনির্ভর ও ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি জোরদার হবে এবং আর্থিক খাতের সামগ্রিক স্থিতিস্থাপকতা বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার তোশিয়াকি ওনো মন্তব্য করেছেন যে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। এটি সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি শক্তিশালী করতে এবং ব্যাংকিং খাতের চাপ ব্যবস্থাপনায় কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তামাকপণ্য সহজলভ্যই থাকছে, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


তামাকপণ্য সহজলভ্যই থাকছে, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, তামাকপণ্য এখনো সহজলভ্যই রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির তুলনায় সিগারেটের দাম খুব কম বাড়ানো হয়েছে। ফলে, তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত হওয়ার বদলে, তামাক কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত মুনাফার সুযোগ পাবে।

আজ বুধবার ঢাকায় বিএমএ ভবনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এবং ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডব়্প)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা : প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট প্রণয়নের এই সময়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেবা আফরোজা। তিনি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা বাজারে বিদ্যমান চার স্তরের সিগারেটকে তিন স্তরে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা নির্ধারণ এবং প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করা হয়েছিল। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে, বিশেষ করে তরুণদের কাছে তামাকপণ্য কম সহজলভ্য হতো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. শাফিউন নাহিন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে, নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের দাম মাত্র ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছে। অথচ দেশে বিক্রি হওয়া প্রায় ৭৫ শতাংশ সিগারেটই এই স্তরের। মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি হওয়ায়, এ ধরনের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি তামাক ব্যবহার কমাতে কার্যকর হবে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নিম্নস্তরের সিগারেট প্রতি শলাকা ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে নতুন মূল্য কাঠামোর কারণে তামাক কোম্পানিগুলো প্রতি শলাকায় প্রায় ৮০ পয়সা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে নিম্নস্তরের সিগারেট বিক্রি হয়েছিল ৬৮.৮৯ বিলিয়ন শলাকা। এই হিসাবে কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত আয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫ হাজার ৫১২ কোটি টাকা। একই সঙ্গে সরকার বিপুল সম্ভাব্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস এবং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)-এর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে এসব নতুন নিকোটিনজাত পণ্য কার্যত বৈধতা পাচ্ছে। এতে বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে এবং তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সভাপতির বক্তব্যে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে সরকার অতিরিক্ত প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে পারবে। একই সঙ্গে প্রায় পাঁচ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ী ধূমপান ত্যাগে উৎসাহিত হবে, ৩ লাখ ৭২ হাজার তরুণ ধূমপান শুরু করা থেকে বিরত থাকবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রায় চার লাখ অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

সেমিনারে বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আগামী প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতি থেকে সুরক্ষার জন্য আরও কার্যকর করনীতি ও নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। তাদের মতে, তামাকপণ্য সহজলভ্য থাকলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। তাই, বাজেটের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে কর কাঠামো পুনর্বিবেচনার এখনই উপযুক্ত সময়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%