সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩১ পি.এম
বিপুল অর্থের মালিক হয়ে গেলে জীবন বদলে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কেউ বিলাসী বাড়ি কিনতে পারেন, কেউ দামি গাড়ি বা বিদেশ ভ্রমণে অর্থ ব্যয় করবেন।কিন্তু ফ্রান্সেস কনোলির কাহিনী একটু ভিন্ন।
উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রাক্তন সমাজকর্মী ও শিক্ষক ফ্রান্সেস ২০১৯ সালে স্বামী প্যাডির সঙ্গে ইউরোমিলিয়নস লটারিতে ১১ কোটি ৫০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড জিতেছিলেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, এর পরিমাণ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। এত বিশাল অর্থ পাওয়ার পরও নিজেদের জন্য সবটা রেখে দেননি এই দম্পতি।
পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর পর তারা সম্পদের একটি বড় অংশ অন্যদের জন্য ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেন। জানা গেছে, মোট পুরস্কারের প্রায় অর্ধেক, অর্থাৎ প্রায় ৬৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা, তারা বিভিন্ন দাতব্য কাজে দান করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে ফ্রান্সেস একটি দাতব্য ট্রাস্টও প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার পরেও উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডে তুলনামূলক সাধারণ জীবনযাপন করছেন ফ্রান্সেস ও প্যাডি।
তারা একটি বড় বাড়িতে বাস করেন এবং আরাম করে ছুটি কাটান। তবে অর্থ খরচের ক্ষেত্রে তারা এখনো হিসাবি। নতুন ও অত্যন্ত দামি জিনিস কেনার পরিবর্তে ব্যবহৃত বিলাসবহুল ঘড়ি বা গাড়ি কেনার ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই।
ফ্রান্সেসের ভাষায়, তারা আগের মতোই জীবন যাপন করছেন। তবে এখন সেই জীবনটা একটু বড় পরিসরে।
তার এই মানসিকতার পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে কিংবদন্তি মার্কিন গায়িকা ও সমাজসেবী ডলি পার্টনের দাতব্য কর্মকাণ্ড। প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্রান্সেস বলেন, "মানুষ কতটা অর্থ নিজের কাছে রাখবে, তা আসলে নির্ভর করে সে জীবনে কী চায় তার ওপর।" তিনি মনে করেন, যদি কারও লক্ষ্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হওয়া বা ক্ষমতাবান মানুষের ওপর প্রভাব তৈরি করা হয়, তাহলে তার কাছে বিপুল অর্থ ধরে রাখার কারণ আছে। ফ্রান্সেস বলেন, "মানুষের স্বভাবের মধ্যেই অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।" নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কিছু যখন কারও হাতে থাকে, তখন তা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছা তৈরি হয়। তবে ‘যথেষ্ট’ বলতে সবাই একই পরিমাণ অর্থ বোঝেন না বলেও মনে করেন তিনি।
লটারি জেতার সময় ফ্রান্সেসের বয়স ছিল ৫০-এর বেশি। তিনি মনে করেন, যদি আরও কম বয়সে এই অর্থ পেতেন, তাহলে হয়তো এতটা দান করার সিদ্ধান্ত নিতেন না। কারণ তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি চিন্তা থাকতে পারত। তবে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার মতো যথেষ্ট অর্থ রেখে দেওয়ার পর তিনি নিজের কাছে অতিরিক্ত অর্থ ধরে রাখার প্রয়োজন দেখেননি। তার যুক্তি খুব সহজ—"সন্তানরা যদি স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন কাটানোর মতো অর্থ পেয়ে যায়, তাহলে তার চেয়ে বেশি অর্থ জমিয়ে রাখার অর্থ কী?" ফ্রান্সেসের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অভ্যাস অবশ্য লটারি জেতার পর তৈরি হয়নি।
তার দাতব্য ট্রাস্টের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডে বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই অন্যদের সাহায্য করার মানসিকতা ছিল তার মধ্যে। পরে কাজের জন্য ১৯৯০ সালে তিনি হার্টলপুলে চলে যান। প্রথমে ভেবেছিলেন, সেখানে হয়তো এক-দুই বছর থাকবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শহরটিই হয়ে ওঠে তার দীর্ঘদিনের ঠিকানা। সেখানে ২৫ বছরেরও বেশি সময় বসবাস করেছেন তিনি। কুইন্স ইউনিভার্সিটি ছেড়ে নতুন শহরে যাওয়ার সময়ও মানুষের পাশে থাকার সেই মূল্যবোধ সঙ্গে করে নিয়েছিলেন ফ্রান্সেস। নতুন এলাকার মানুষদের বড় পরিসরে সাহায্য করার সুযোগকে তিনি নিজের জন্য সৌভাগ্য হিসেবে দেখেন।
ফ্রান্সেসের ৬০তম জন্মদিনও তাই শুধু নিজের উদ্যাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। স্কাই নিউজ জানিয়েছে, জন্মদিন উপলক্ষে সাতজন ক্রীড়াবিদ কয়েকটি চ্যালেঞ্জে অংশ নেবেন। এসব আয়োজন থেকে ফ্রান্সেস ও প্যাডির দাতব্য সংস্থা পিএফসি ট্রাস্টের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হবে। লটারি থেকে পাওয়া সেই বিপুল অর্থ হয়তো ফ্রান্সেসের জীবনকে আর্থিকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু অর্থ পাওয়ার পর তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অন্যদের জীবন একটু সহজ করে দেওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিকতা একটি মর্যাদাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পেশা। পেশার মর্যাদা ও মান সমুন্নত রাখতে সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি তথ্যের যথার্থতা যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সেশন পরিচালনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
‘গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণে অধিকার ও পেশাগত দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নের গুরুত্ব’ শীর্ষক এ কর্মশালায় প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে এলে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্রসহ আইনসম্মত পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও পেশাগত মান উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বিচারপতি আব্দুল হাকিম। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি পেশাগত নৈতিকতা অনুসরণের জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান।
স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুজ্জামান। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর সম্পদ ব্যক্তি হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সেশন পরিচালনা করেন।
কর্মশালায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৪০ জন সাংবাদিক অংশ নেন। এতে সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও দায়িত্ব, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান এবং গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘দুর্বার তারুণ্য, দুর্নীতি রুখবেই’ এ প্রতিপাদ্যে ঝালকাঠিতে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) আয়োজনে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।
এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পিরোজপুরের উপ-পরিচালক মো.আমিনুল ইসলাম ও ঝালকাঠির জেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু ছাঈদ।
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো.নজরুল ইসলাম তালুকদার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জেলার ৮ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে মুখোমুখি হয় কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চামটা বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্কে শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির কারণ ও এর সামাজিক প্রভাবের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব ও ভূমিকা তুলে ধরেন।
এ ছাড়া রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায়ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতাগুলোতে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা, সততা, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা ও নৈতিকতার চর্চা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে সড়কের পাশের একটি সজনে গাছ থেকে রতন সিংহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার জলছত্র বাজার এলাকায় মধুপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রতন সিংহ উপজেলার আঙ্গিনাপাড়া গ্রামের মৃত জগদীশ চন্দ্র সিংহের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে জলছত্র বাজার এলাকায় মধুপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পূর্ব পাশে একটি সজনে গাছের সঙ্গে এক ব্যক্তিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পথচারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহটি ফাঁড়িতে নেওয়া হয়।
অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ রুবেল জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। মধুপুর থানার তদন্ত ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের বিপরীতে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনসংখ্যার আদর্শ অনুপাত নিশ্চিত করতে দেশে বর্তমানে আরও প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে বলে জানান তিনি।
আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম-এর সভাপতিত্বে বিকেল ৩টা ২ মিনিটে জাতীয় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসকদের মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর মধ্যে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক সেবা প্রদান করছেন। ফলে বর্তমানে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের সার্বিক জনসংখ্যার অনুপাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের পদ নিরূপণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনশক্তি-সংক্রান্ত মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে নিবন্ধিত মোট চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় প্রত্যক্ষভাবে কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়।
তিনি আরও বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর শূন্য পদ পূরণ এবং চিকিৎসকের সংকট কাটাতে সরকার ইতোমধ্যে জোরদার নিয়োগ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, “৪৪তম ও ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়াও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।”
সরকারি হাসপাতালগুলোর শূন্য পদ পর্যায়ক্রমে পূরণ করতে এই ধারাবাহিক নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
দেশের প্রান্তিক ও সার্বিক জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত এবং জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নতুন নতুন পদ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ