ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পীরগঞ্জে গোয়ালঘরে মিলল ১৮৮ বোতল মাদক, র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার কারবারি


পীরগঞ্জে গোয়ালঘরে মিলল ১৮৮ বোতল মাদক, র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার কারবারি

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার মাটিয়ানি গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১৮৮ বোতল বিভিন্ন ধরনের মাদকসহ মো. আজিবুর রহমান (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৩।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের মাটিয়ানি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজিবুর রহমান মৃত আবদুল গাফ্ফারের ছেলে এবং ওই গ্রামের বাসিন্দা।

র‍্যাব-১৩ সূত্রে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল পৌনে ৮টার দিকে র‍্যাব-১৩, সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল পীরগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর জাবরহাট ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাটিয়ানি গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় আজিবুর রহমানের বসতবাড়ির গোয়ালঘরে তল্লাশি করে ১১৭ বোতল এসকাফ, ৫৯ বোতল এমকেডিল এবং ১২ বোতল ফেনসিডিলসহ মোট ১৮৮ বোতল মাদক উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন

র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ থেকে জানা যায় যে, গ্রেপ্তার আজিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন জেলা থেকে মাদক সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন তিনি। শনাক্ত করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য সাড়ে ৪ লাখ টাকার বেশি বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী মন্তব্য করেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে র‍্যাব-১৩-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

এ ঘটনায় র‍্যাব বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পীরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ১৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীতাকুণ্ডে আসলাম চৌধুরীকে কেন্দ্র করে আবেগের মহাবিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


সীতাকুণ্ডে আসলাম চৌধুরীকে কেন্দ্র করে আবেগের মহাবিস্ফোরণ

চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার সীতাকুণ্ডের বুক চিরে চলে যাওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় দীর্ঘ একটি বিশাল অংশ জুড়ে সম্প্রতি যে অভূতপূর্ব এবং নজিরবিহীন রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল একটি সাধারণ বিক্ষোভ বা অবরোধ ছিল না। বরং এটি ছিল বিগত এক দশকের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং ১ লাখ ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটের এক ঐতিহাসিক জনরায়ের অবমূল্যায়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের এক স্বতঃস্ফূর্ত আবেগীয় মহাবিস্ফোরণ। বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব, চেয়ারপারসনের দূরদর্শী উপদেষ্টা এবং সীতাকুণ্ড সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটে সদ্য নির্বাচিত এমপি লায়ন অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ'র শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া আইনি বেড়াজালে আটকে থাকার জের ধরে চট্টগ্রাম সিটি গেট থেকে শুরু করে বড়দারোগারহাট পর্যন্ত অন্তত ২০টিরও বেশি পয়েন্টে একযোগে টায়ার জ্বালিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি ফেলে যে সর্বাত্মক সড়ক অবরোধ সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা পুরো দেশের রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে একটি বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিয়েছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, এই আন্দোলনের নেপথ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক ঘোষণা বা পূর্বপরিকল্পিত এজেন্ডা ছিল না, বরং এটি ছিল সম্পূর্ণ রূপেই সীতাকুণ্ডের আপামর জনসাধারণের এক আবেগঘন স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ। যেখানে সাধারণ রিকশাচালক থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও তৃণমূলের সাধারণ ভোটাররা পর্যন্ত স্বপ্রণোদিত হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা ধরে এই ব্যস্ততম মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়ায় এবং হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী চরম দুর্ভোগের শিকার হওয়ায় যখন পরিস্থিতি প্রায় এক প্রকার আইন-শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, ঠিক তখনই দীর্ঘ কারাবাসের ক্লান্তি ও আইনি লড়াইয়ে অবরুদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জননেতার দায়িত্বশীল পরিচয় দিয়ে আসলাম চৌধুরী নিজেই এক বিশেষ অডিও-ভিডিও বার্তা পাঠান। যেখানে তিনি তাঁর প্রিয় সীতাকুণ্ডবাসীকে শান্ত থাকার, কোনো প্রকার জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার এবং আইন নিজের হাতে না তুলে নেওয়ার কঠোর ও আবেগঘন নির্দেশনা দেন। মুহূর্তের মধ্যেই আন্দোলনকারীরা রাস্তা ছেড়ে দেয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় মহাসড়কে পুনরায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসে। যা স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর একচ্ছত্র ও প্রশ্নহীন নিয়ন্ত্রণকে আবারও প্রমাণ করে।

মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও তৃণমূলের ভোটারদের দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক নির্বাচনে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ সীতাকুণ্ড আসন থেকে যে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে এক ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছেন, তা কেবল একটি দলীয় বিজয় ছিল না। বরং সেটি ছিল বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর ওপর চলা একের পর এক রাজনৈতিক মামলা, ধারাবাহিক হয়রানি এবং দীর্ঘ কারাবাসের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ডের সর্বস্তরের মানুষের দেওয়া একটি নীরব ব্যালট বিপ্লব। কিন্তু এই বিশাল গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট পাওয়ার পরও ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত পুরোনো কিছু দেওয়ানি মামলা, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা এবং নতুন কিছু আইনি মারপ্যাঁচকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তাঁর শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়াকে যেভাবে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, তাঁকে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও তাঁর হাজার হাজার অনুসারী সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনগণের পবিত্র রায়ের ওপর এক ধরনের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ-র প্রতি সীতাকুণ্ডের মানুষের এই অন্ধ ভালোবাসা ও আবেগ একদিনে বা কোনো সস্তা স্লোগানে তৈরি হয়নি। বরং বিগত ১০-১৫ বছরে যখনই সীতাকুণ্ডে কোনো বড় সংকট এসেছে, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দলের শত শত নির্যাতিত নেতাকর্মীকে রাজপথে আগলে রাখা এবং নিজের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকার সামাজিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করার মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে এক স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। এই চলমান বারুদসদৃশ পরিস্থিতির মাঝে জ্বলন্ত আগুনে ঘি ঢালার মতো কাজ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর কন্যার একটি অত্যন্ত আবেগঘন এবং হৃদয়স্পর্শী ফেসবুক স্ট্যাটাস। যেখানে তিনি লিখেছেন, "যে মানুষটি নিজের জীবনের সোনালী ও শ্রেষ্ঠ সময়গুলো সীতাকুণ্ডের মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অন্ধকার কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে কাটিয়ে দিলেন, আজ লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ও ঐতিহাসিক বিজয়ের পরও কেন তাকে তার রাষ্ট্রীয় অধিকার ও শপথ থেকে এভাবে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে, সীতাকুণ্ডের মানুষ কি তাদের প্রিয় নেতাকে মুক্ত বাতাসে তাদের মাঝে ফিরে পাবে না?"-আর এই একটি মাত্র আবেগঘন আকুতি সীতাকুণ্ডের আপামর জনসাধারণের মনে এমন এক তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। যার ফলেই পুরো উপজেলা জুড়ে এই গণবিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি সম্মান রেখে আইনি প্রক্রিয়া তার নিজস্ব গতিতেই চলবে এবং দেওয়ানি বা ঋণ সংক্রান্ত মামলাগুলোর আইনি নিষ্পত্তি আদালতের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। তবে ১ লাখ ৪২ হাজার ভোটারের দেওয়া এই বিশাল জনরায়কে টেকনিক্যাল মারপ্যাঁচে ফেলে বেশিদিন চেপে রাখা সীতাকুণ্ডের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সীতাকুণ্ডের রাজনৈতিক পরিবেশকে শান্ত রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভের উপশম ঘটাতে অতি দ্রুত এই আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার একটি সুষ্ঠু, সম্মানজনক এবং স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে বাংলাদেশ: গা জ্বলছে পুরনো আধিপত্যবাদের?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


নতুন ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে বাংলাদেশ: গা জ্বলছে পুরনো আধিপত্যবাদের?



দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ অতিক্রম করছে। একসময়ের একমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত বহুমেরুকেন্দ্রিক বাস্তবতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর, আর সেই কারণেই বাংলাদেশ আজ আর কেবল একটি ভৌগোলিক রাষ্ট্র নয়; বরং বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু।

দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত প্রতিবেশী একটি বৃহৎ শক্তির নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির সীমারেখার মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে—এটাই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের স্বীকৃত নীতি।

বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি সেই বাস্তবতাকেই নতুনভাবে তুলে ধরছে। চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত, প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ হোক কিংবা অন্যান্য বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রচেষ্টা—এসবই বাংলাদেশের স্বাধীন কূটনৈতিক পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার ইঙ্গিত বহন করে। এ ধরনের উদ্যোগকে কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক কৌশলগত বৈচিত্র্য হিসেবে দেখা অধিকতর বাস্তবসম্মত।

বাংলাদেশের এই পরিবর্তিত অবস্থান স্বাভাবিকভাবেই দক্ষিণ এশিয়ার প্রচলিত ক্ষমতার সমীকরণে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। ভারতের নীতিনির্ধারণী মহল ও দেশটির গণমাধ্যমের একটি অংশে বাংলাদেশকে ঘিরে যে উদ্বেগ, সংশয়, গাত্রদাহ শুরু হয়েছে এবং ধারাবাহিক আলোচনা ও সমালোচনা ঝড় দেখা যাচ্ছে, তা এই পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতারই প্রতিফলন- কারণ তারা দীর্ঘদিনের জমিদার কর্তৃক প্রজা শাসনের মত অধিকার হারিয়ে ফেলছে। কারণ, যে বাংলাদেশকে তারা দীর্ঘদিন অনেকেই নিজেদের প্রভাব বলয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কল্পনা করত, সেই বাংলাদেশ এখন নিজের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বহুমাত্রিক কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করছে।

এখানেই নতুন বাস্তবতার সবচেয়ে বড় বার্তা নিহিত রয়েছে। সার্বভৌম রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত আর কারও অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকবে না। বাংলাদেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামুদ্রিক সম্পদ, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কিংবা বৈদেশিক সম্পর্ক—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হবে বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ।

বঙ্গোপসাগর আজ শুধু একটি সমুদ্র নয়; এটি আগামী কয়েক দশকের বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের অন্যতম কৌশলগত কেন্দ্র। ফলে এই অঞ্চলকে ঘিরে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ যদি বিচক্ষণ কূটনীতি, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখতে পারে, তবে অন্যের কৌশলগত দাবার গুটিতে পরিণত না হয়ে নিজেই হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি বিষয় এখন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে—বাংলাদেশকে আগের ছকে ফেলে বিচার করার সময় শেষ। আধিপত্যের মানসিকতা দিয়ে প্রতিবেশীকে পরিচালনার যুগও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, সমতা এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। যে রাষ্ট্র এই বাস্তবতা যত দ্রুত উপলব্ধি করবে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার জন্য তার অবস্থান ততই শক্তিশালী হবে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির নির্মম সত্য হলো—স্থায়ী বন্ধু বা স্থায়ী প্রতিপক্ষ নয়, স্থায়ী হয় কেবল জাতীয় স্বার্থ। বাংলাদেশ যদি সেই নীতিতে অবিচল থাকে, তবে পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় শুধু দক্ষিণ এশিয়ার নয়, সমগ্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম কৌশলগত শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার সুযোগ তার সামনে উন্মুক্ত থাকবে। এরূপ বিচক্ষণ কূটনৈতিক ধারা অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায ভূ রাজনৈতিকভাবে দ্রুতই কৌশলগত আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হবে এমন কথা বলা মনে হয় অমূলক হবে না।

লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ অক্টোবর হামলার স্বাধীন তদন্ত চায় অধিকাংশ ইসরাইলি: জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


৭ অক্টোবর হামলার স্বাধীন তদন্ত চায় অধিকাংশ ইসরাইলি: জরিপ

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের নেতৃত্বে সংগঠিত হওয়া হামলার ঘটনায় একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ইসরাইলের বেশিরভাগ নাগরিক। এক জরিপ প্রচার করে এমন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সম্পন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রতি চার জন ইসরাইলির মধ্যে তিন জন চাইছেন হামাসের হামলার ‘স্বাধীন’ তদন্ত হোক। এর কারণ হলো, ইসরাইলিদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ রয়েছে যে, একই ধরনের ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। সেটা গাজা থেকে হতে পারে, অথবা অন্য কোনো এলাকা থেকেও হতে পারে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর ইসরাইল ফিলিস্তিনের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযান ফলে গাজা উপত্যকা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং পরিণত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের একটিতে।

হামাসের হামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছু নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আলাদাভাবে তদন্ত করেছে, তবে সাধারণ মানুষ চাইছে স্পষ্ট জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হোক। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বারবার এই ধরনের তদন্তকে আটকে দিয়েছেন।

কেন জাতীয় তদন্ত চাওয়া হচ্ছে? কারণ নেতানিয়াহু বলছেন, যেকোনো তদন্তই ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ হবে। দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহু বলেন আসছেন যে, বিচার বিভাগ তার বিরুদ্ধে। তাই এমন জাতীয় তদন্তের ফল তার জন্য ভালো কিছু হবে না।

তিনি আরও যুক্তি তুলে ধরেছেন যে, অক্টোবর ৭-এর ঘটনার তদন্ত শুধুমাত্র এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধগুলো শেষ হওয়ার পরই করা উচিত। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহু একের পর এক যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

নেতানিয়াহুর সকল বিরোধী এই মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে তার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং নিজেদের ভোট বাড়ানোর লক্ষ্যে জাতীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে, গাজার যুদ্ধ আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ১০০০তম দিনে প্রবেশ করেছে। গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরাইলি হামলাগুলি বন্ধ হচ্ছে না। প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী, যার ফলে হতাহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

গাজার সরকারি ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, এই যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৭৩ হাজার ৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ জন।

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় উপত্যকার ৯০ শতাংশের বেশি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। স্থল অভিযান, সামরিক অভিযান এবং জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনার মাধ্যমে গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ ভূখণ্ড বর্তমানে ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গত বুধবার (১ জুলাই) ইসরাইলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেন, ইসরাইল বর্তমানে গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং এই নিয়ন্ত্রণ ‘১০০ শতাংশে’ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই মন্তব্যের পর হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম আরব লীগের জরুরি সম্মেলন আহ্বানের দাবি জানান। তার মতে, ইসরাইলের সম্প্রসারণবাদী নীতি শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের জন্য নয়, বিশেষ করে মিশরসহ অন্যান্য আরব দেশের জন্যও হুমকি।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দোহা বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ আলোচনা নিয়ে যা জানা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


দোহা বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ আলোচনা নিয়ে যা জানা গেছে

সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের পর উত্তেজনা প্রশমন এবং আলোচনা অগ্রসর করতে কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যে আরেকদফা পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা।

গত জুন মাসে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন এবং তেহরান একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সম্মত হয়েছিল। এই সমঝোতার মধ্যে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার ফলে শুরু হওয়া যুদ্ধ স্থগিত রাখার জন্য ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনা শুরু করার একটি রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

১৪ দফার এই সমঝোতায় হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা, ইরানের পুনর্গঠন তহবিল এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ সহ বিভিন্ন ইস্যুতে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য একটি সময়সূচী নির্ধারণ করা হয়েছে।

দোহার সর্বশেষ আলোচনা প্রসঙ্গে জানা গেছে:

কী বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে

দোহা থেকে এএফপি জানায়, বুধবার দোহায় অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী কাতার ও পাকিস্তান কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

কাতার এবং পাকিস্তান এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘বুধবার দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’

ইরানের প্রতিনিধি দলের প্রধান উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, সমঝোতা স্মারকের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের অভিযোগ নথিভুক্ত এবং পর্যালোচনার জন্য বৃহস্পতিবারের মধ্যে একটি যোগাযোগব্যবস্থা চালুর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ইরানের জব্দকৃত সম্পদও আলোচনায় বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। তেহরান এসব সম্পদ মুক্ত করার দাবি তুলেছে যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতার অংশ হিসেবে।

গারিবাবাদি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি অংশ কীভাবে ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ইরানের প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় ও সরবরাহে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বুধবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, ‘যেভাবে সবকিছু চলছে, ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি ভালোভাবে এগোচ্ছে।’

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র, নাম প্রকাশ না করে, এএফপিকে জানিয়েছে, দোহার এই বৈঠকে মূলত হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনার আলোচনা করা হয়েছে। পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে পরে আলোচনায় আরো বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এরপর কী

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা এবং দাফনের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পরবর্তী পরোক্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

৮৬ বছর বয়সী আলি খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তাঁর আবাসস্থলে নিহত হন। এরপর দ্রুত তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার তেহরানে কেন্দ্রীয় প্রার্থনা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানস্থলে তাঁর রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

কাতার এবং পাকিস্তান জানিয়েছে, ‘শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব’ পরবর্তী বৈঠকের সময় নির্ধারণে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

আগামী ৯ জুলাই তাঁর জন্মস্থান উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারে তাঁকে দাফন করা হবে।

মাঠের পরিস্থিতি

জুনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্বাক্ষরের পরেও উপসাগরীয় অঞ্চলে দুই পক্ষের মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রয়াসকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ গত সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানের ধারাবাহিক আগ্রাসনের’ জবাবে তারা ইরানের ১০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

জবাবে ইরান কুয়েত এবং বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে। কুয়েত এবং বাহরাইন উভয়েই এই হামলার নিন্দা করেছে।

তবে কাতারে আলোচনা শুরুর আগের কয়েক দিন উভয় পক্ষের সামরিক তৎপরতা তুলনামূলকভাবে কমে গেছে।

অন্যদিকে, লেবানন সীমান্তে ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষও অনেকটা কমেছে। তবে বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়াহ শহরে একটি হামলার খবর দিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা। এতে হতাহতের কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

লেবানন এখনো অপেক্ষা করছে তথাকথিত ‘পাইলট জোন’ থেকে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহারের জন্য। দুই দেশের মধ্যে হওয়া কাঠামোগত চুক্তি অনুযায়ী এসব এলাকায় পরে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন হওয়ার কথা রয়েছে।

তেহরান বরাবরই বলছে, যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতার অংশ হিসেবে লেবানন ফ্রন্টের সংঘাতেরও অবসান এবং দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত এলাকা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%