বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০৩ এম
জনস্বার্থে, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার মাছ বাজার, সবজি বাজার ও চাল বাজার পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে, তিনি বাজারের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। ব্যবসায়ীদের বাজার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে, বাজার এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময়, খোলা বাজারের ব্যবসায়ীদের একটি হালনাগাদ তালিকা দ্রুত পৌর প্রশাসকের দপ্তরে জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান মন্তব্য করেন, জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে যারা অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য পৌরসভা নিয়মিত এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পরিদর্শনকালে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মো. ইয়াকুব আলী এবং শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় কৃষকদের আধুনিক কৃষি সেবার আওতায় আনতে কৃষক কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া,এম ,পি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান সরকার।
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথম ধাপে উপজেলার গোবিন্দপুর ব্লকের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য এলাকায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। প্রধান অতিথি বলেন, “কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ গড়ে তুলতেই কৃষক কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।” এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কৃষি বীমা, সেচ সুবিধা, কৃষিযন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, ফসলের রোগ-বালাই দমনে পরামর্শ এবং কৃষিপণ্য বিপণনসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল (হাইব্রিড ও উফশী) জাতের শাকসবজির উৎপাদন ও আবাদ বৃদ্ধি লক্ষ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। বক্তারা বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরকারি কৃষি সহায়তা আরও স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আর্থিকভাবে লাভবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান সামস, উপজেলা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বিএসসি জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আলম তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা শরিফুল ইসলাম প্রধান, ৬ নম্বর গোয়ালডিহি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন, ২নং ভেড়ভড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বাবুল ,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) রংপুর জোনের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপনের অভিযোগ এনে তা বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা চেয়ে আদালতে ঘোষণামূলক ডিক্রির মামলা দায়ের করেছেন ১৫ জন ভুক্তভোগী গ্রাহক।
বুধবার (২২ জুলাই) রংপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য আব্দুল জব্বার সরকারসহ ১৫ জন বাদী এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় নেসকো রংপুর জোনের প্রধান প্রকৌশলী (অপারেশন) মো. আশরাফুল ইসলাম মণ্ডলসহ ছয়জনকে বিবাদী করা হয়েছে। মামলার নম্বর অন্য-৫৪৩/২০২৬।
মামলার আরজিতে বাদীপক্ষের দাবি, নেসকো রংপুর জোন নগরীর বিভিন্ন বাসাবাড়ি, বেসরকারি অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের আপত্তি সত্ত্বেও পোস্টপেইড মিটার অপসারণ করে বাধ্যতামূলকভাবে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের ভাষ্য, এ কার্যক্রম বেআইনি, অবৈধ এবং গ্রাহকদের জন্য হয়রানিমূলক।
তাহলে আদালতের কাছে তাদের চাওয়া, এ কার্যক্রমকে বেআইনি ঘোষণা করে আদালতের ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রার্থনা করা হয়েছে। বাদীপক্ষে আইনজীবী হিসেবে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ। বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
মামলা দায়েরের পর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির নেতারা বলেন, আদালত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। তারা আশা প্রকাশ করেন, আদালতের মাধ্যমে এ বিষয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাছে ভাতে বাঙালী। এই বাক্যটি একসময় পাঠ্য পুস্তকে অনেকেই পড়েছেন। সময়ের পরিক্রমায় পাঠ্য পুস্তকে পরিবর্তন এসে গেছে। অনেকেই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ভুলেও যেতে বসেছেন সেই বাক্যগুলো, যা পাঠ্য পুস্তকে পড়া হয়েছিল। তবে গ্রাম বাংলার সেই অপরূপ দৃশ্য এখনো অটুট রয়েছে। একসময় গরুর হাল দিয়ে জমিতে চাষাবাদ করা হত। বর্তমানে সেগুলো যান্ত্রিক উপায়ে চাষ হচ্ছে। কিন্তু বাঙালী আজও মাছ আহরণে মেতে উঠেছে। টানা বৃষ্টিপাতের ফলে গ্ৰামের পুকুর, জলাশয় ও আবাদী জমিগুলো এখন ভরা। এসব পানিতে অবাধে বিচরণ করছে দেশীয় মাছের নানান প্রজাতি। দল বেঁধে ট্রাক্টরের পেছনে ছুটে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির নানা রকম মাছ। মাছগুলো আহরণে জমির মালিকের বাইরেও পাড়াপড়শিরা মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছে। বিরল উপজেলার ১০ নং রাণীপুকুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের একটি আবাদি জমিতে দান রোপনের জন্য ট্রাক্টর দিয়ে চাষ দেয়া হচ্ছিল। চাষের সময় ট্রাক্টরের ধারালো ফালের দ্বারা প্রথমে কয়েকটি ঢেলা (শাটি) মাছ কেটে ভেসে উঠলো। এই দৃশ্য দেখে এলাকায় মোকছেদ আলী মাছ ধরতে ট্রাক্টরের পেছনে ছুটলেন। কিছুক্ষণ পরে আরও কয়েকজন শিশু কিশোর আসলেন মাছ ধরতে। এরপর প্রতি জনই মাছ ধরতে নেমে পড়লেন। ট্রাক্টর চাষ দিতে চলেছে, আর পেছনে মাছ ধরতে ছুটছে সবাই। প্রায় অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরী মাছ ধরতে নেমে এলাকা অন্যরকম উৎসবে পরিণত হলো। এইভাবেই প্রায়ই মাছের সন্ধানে চাষাবাদের ট্রাক্টরের পেছনে ছুটে যাওয়া মাছ আহরণ করতে দেখা যায়, যা স্মরণ করিয়ে দেয় সেই চিরচেনা বাক্য 'মাছে ভাতে বাঙালী'। এলাকার কৃষকেরা জানিয়েছেন, এখন ধান রোপনের মৌসুম। তাই জমি চাষাবাদ করতে হয়। ইরি-বোরো ধান কাটার পর দীর্ঘ সময় জমিগুলো পরে থাকে। আমন ধানের বীজতলা তৈরির পর বীজ বোপন থেকে চারাগাছ উত্তোলনের সময় পর্যন্ত আবাদি জমিগুলোতে পানি থাকে। এই পানি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের ডিম ছাড়ার এবং বাচ্চা ফুটে বড় হওয়ার জন্য উপযুক্ত। ধানের চারাগাছ রোপণের পূর্বে চাষাবাদের সময় এই মাছ ধরার উৎসব হয়ে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক পাচারের বিভিন্ন কৌশলের কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। কিন্তু রাশিয়ার নিজনি নোভগোরোদ অঞ্চলে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে। এখানে এক বিড়ালকে দিয়ে কারাগারে মাদক পাচারের চেষ্টা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিড়ালটির গলায় মাদক সমৃদ্ধ দুটি কলার পরিয়ে দেওয়া হয়। বিড়ালের গলায় কলার দেখে কারা কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। সেই সন্দেহের ভিত্তিতে তারা এটি ধরে ফেলেন। পরে বিড়ালটির গলা থেকে কলারগুলো খুলে ফেলা হয়।
এই কলারগুলো অবশ্য বাড়িতে কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এগুলোর ভেতরই মাদকগুলো লুকানো ছিল। পরবর্তীতে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায় বিড়ালটি তার গলায় মাদকই বহন করছিল। যেহেতু মাদক বিভিন্ন কারণে ছিল, তাই বিড়ালটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর এটিকে নিজের মতো করে চলে যেতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ