ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের পরীক্ষা হয়: রোনালদো


কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের পরীক্ষা হয়: রোনালদো

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের দিকে রওনা হয়েছে পর্তুগাল জাতীয় দলের সদস্যরা। ‘সিটি অব ফুটবল’ থেকে যাত্রার আগে দলের মুখপাত্র হিসেবে সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যদিও তিনি দলকে সরাসরি শিরোপার জন্য অন্যতম দাবিদার হিসেবে ঘোষণা দিতে রাজি হননি, তবুও বিশ্বকাপ সম্পর্কে তার আশাবাদের অভাব নেই।

৪১ বছর বয়সি এই তারকা ফরোয়ার্ড নিজের ক্যারিয়ারের আরেকটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সাথে দলের প্রস্তুতি ও সম্ভাবনাকে নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন তিনি।

পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘এ বোলা’-কে রোনালদো বলেছেন, ‘আমরা অনেক আনন্দ ও আশা নিয়ে যাচ্ছি। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের মতো বিশ্বকাপও সবসময়ই বিশেষ একটি প্রতিযোগিতা। আমাদের প্রত্যাশাও অনেক।’

আরও পড়ুন: মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা

বিশ্বকাপের পূর্বে নিজের শারীরিক অবস্থা জানাতে চাইলে আত্মবিশ্বাসী সুরে রোনালদো বলেন, ‘আমি ভালো আছি। আপনারা কি খেলাগুলো দেখছেন না?’

সাম্প্রতিক অর্জনের কারণে পর্তুগালকে ঘিরে প্রত্যাশার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অধিনায়ক চাপ কিছুটা হালকা করতে চান। তিনি মনে করেন, টুর্নামেন্ট যতই এগোবে, ততই পরিষ্কার হবে কোন দল আসল দাবিদার।

রোনালদো বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দারুণ একটি প্রজন্ম বিদ্যমান। কিন্তু এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জয়-পরাজয় বা ম্যাচের পরিস্থিতি অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। তারপরেও আমি আশাবাদী যে, এই প্রজন্ম পর্তুগালের জনগণকে অনেক আনন্দ দেবে।’

বর্তমান পর্তুগাল দলকে সাম্প্রতিক সময়ে অন্যতম প্রতিভাবান স্কোয়াড হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। রোনালদোর সঙ্গে দলে রয়েছেন ব্রুনো ফার্নান্দেস, বার্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লিয়াও, জোয়াও নেভেস এবং ভিতিনহার মতো ইউরোপের শীর্ষ লিগের খেলোয়াড়রা।

আরও পড়ুন: রিয়াল মাদ্রিদ লা লীগার সভাপতি তেবাসের পদত্যাগের দাবি জানাল

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পূর্বে নেওয়া প্রস্তুতির ব্যাপারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রোনালদো। তিনি জানান, ‘সময়টি কিছুটা ক্লান্তিকর ছিল, কারণ আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর মধ্যে আমরা জয় পেয়েছি। তবে আসল পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ তারিখ থেকে।’

বিশ্বকাপে কঠিন পরিস্থিতিতে প্রকৃত চ্যাম্পিয়নদের পরিচয় মেলে বলেও মনে করেন পর্তুগাল অধিনায়ক।

তার বক্তব্য হলো, ‘যখন চাপ বাড়বে এবং পরিস্থিতি কঠিন হবে, তখন প্রকৃত চ্যাম্পিয়নদের দেখা যাবে। ফল অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে, তবে আমি খুব আশাবাদী যে সবকিছু ভালোভাবেই চলবে।’

গ্রুপ পর্বে শীর্ষ স্থান অর্জনকে দলের প্রথম লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তারপর ধাপে ধাপে এগোতে হবে, ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে হবে এবং প্রতিযোগিতার ছন্দ ধরে রাখতে হবে।’

আরও পড়ুন: কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জীবনমান উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন: আমানউল্লাহ আমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


জীবনমান উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন: আমানউল্লাহ আমান

ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করাই এবারের জাতীয় বাজেটের মূল লক্ষ্য। জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে এ বছর জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করেছে সরকার।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমানউল্লাহ আমান বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে হৃদরোগ, কিডনি ও চক্ষু চিকিৎসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবাকে আরও সুলভ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক ও কৃষি বিমা সহজলভ্য করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অতীতে বাজেট ঘোষণার পর অনেক নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যেত। তবে এবারের জনবান্ধব বাজেটে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎসহ টেকসই জ্বালানি খাতে বিশেষ সহায়তা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন পণ্যের দাম কমানোর পাশাপাশি বেশকিছু ক্ষেত্রে কর মওকুফ ও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আমানউল্লাহ আমান বলেন, এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বিভিন্ন উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশ আরও শক্তিশালী ও স্বনির্ভর অবস্থানে পৌঁছাবে।

অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা বিএনপির সভাপতি শামীম হাসান, স্থানীয় সমাজসেবক সাজুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ক্রীড়া সংগঠক এবং বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন। পরে টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুশইন প্রতিরোধে জলসীমায় জোরদার নজরদারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


পুশইন প্রতিরোধে জলসীমায় জোরদার নজরদারি

মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন কার্যালয়ের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম বলেছেন, দেশে অবৈধ পুশইন ঠেকাতে স্থলের পাশাপাশি জলসীমাতেও কঠোর নজরদারি অব্যহত থাকায় পুশইন অপচেষ্টা সফল হচ্ছে না। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার লক্ষ্যে কোস্টগার্ড জলসীমার নজরদারিতে অত্যাধুনিক ড্রোন ও সার্ভিলেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বাগেরহাটের মোংলায় কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ দমনে কোস্টগার্ড সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সাতক্ষীরার মান্দারবাড়ি দিয়ে আগে পুশইনের ঘটনা ঘটে, তাই সেখানে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক ড্রোন ও সার্ভেলেন্স প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করছেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্তে ভারতের পুশইন চেষ্টায় অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দৃঢ়তার সঙ্গে পুশইন চেষ্টা প্রতিহত করছে। এরই মধ্যে কোস্টগার্ড জলসীমায় সক্রিয়তার কথা জানিয়েছে।

জোনাল কমান্ডার মেসবাউল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করার সময় আরও বলেন, সুন্দরবনে ইলিশ-মাছ ধরার মৌসুম এবং মধু সংগ্রহের সময়ে দস্যুদের তৎপরতা বেড়ে যায়। এ সময় বিপুলসংখ্যক জেলে, মৌয়াল এবং বনজীবী সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তাদের লক্ষ্য করে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও চাঁদাবাজির পরিকল্পনা করেন দস্যুরা। তবে বর্তমানে সরকার ঘোষিত তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে বনজীবীদের প্রবেশ সীমিত হয়েছে। ফলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও কমে গেছে। কিন্তু মৌসুম শুরু হলে দস্যুরা আবার সক্রিয় হতে চেষ্টা চালায়। তবে কোস্টগার্ডের কার্যক্রমের জন্য দস্যুরা এখন আগের মতো কার্যক্রম চালাতে পারছে না। তাদের চলাচল, অস্ত্র সরবরাহ, অর্থ সংগ্রহ এবং সংগঠন পরিচালনার সক্ষমতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ চাপের মুখে সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘ছোট সুমন বাহিনীর’ প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীরা গত ১৭ মে কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তিনি বলেন, আত্মসমর্পণের পর অনেকেই কর্মসংস্থানের সুযোগ পান না। সমাজও তাদের সহজভাবে গ্রহণ করে না। সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার অভাব, আর্থিক অনিশ্চিয়তা এবং ব্যক্তিগত মানসিক সমস্যা কারণে কিছু মানুষ আবার অপরাধের পথে ফিরে যায়।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, বর্তমানে সুন্দরবনে ছয় থেকে আটটি দস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। প্রতিটি বাহিনীতে সাধারণত ৮ থেকে ১০ নাগরিক কিংবা ১২ জন সদস্য থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই বড় বাহিনীগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে ছোট ছোট উপদল বা ‘ক্লোন’ বাহিনী তৈরি হয়। এসব বাহিনী মূলত জেলে ও মৌয়ালদের লক্ষ্য করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।

ক্যাপ্টেন মেসবাউল আরও বলেন, বনজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সরু খাল ও ন্যারো চ্যানেলকে আত্মগোপনের স্থান হিসেবে ব্যবহার করে দস্যুরা। জোয়ারের সময় যেসব পথে নৌকা চলাচল করে, ভাটার সময় সেগুলোর অনেক অংশ শুকিয়ে যায়। এ কারণে বড় বোট বা জাহাজ নিয়ে সেখানে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে ড্রোন প্রযুক্তির সাহায্যে এসব দুর্গম এলাকাও নজরদারি করা হচ্ছে।

এছাড়া, অপহরণের ঘটনা বনের ভেতরে ঘটলেও মুক্তিপণের টাকা অনেকসময় মংলা, বরগুনা, পাথরঘাটা অথবা খুলনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাতবদল হয়। এই কোস্টগার্ড কর্মকর্তা বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে পাঠানো মুক্তিপণের অর্থের গতিপথ অনুসরণ করে একাধিক সহযোগীকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়েছে। বনের ভেতরের দস্যুদের পাশাপাশি স্থলভাগে থাকা সহযোগী চক্রের বিরুদ্ধেও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ সহযোগী চক্রের ইন্ধনেই মোংলায় জয়মনিঘোল এলাকায় কোস্টগার্ডের হারবারিয়া স্টেশনে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

কোস্টগার্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সুন্দরবনে পরিচালিত অভিযানে ৪২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড গুলি, ২৫০ রাউন্ড কার্তুজ, ৯৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ককটেল, টেলিস্কোপ এবং দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ৩৯ জন বনদস্যু ও জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। তাদের কবল থেকে ৪১ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীতীরবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ দমনে কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সচেতন অবস্থানে রয়েছে। সাতক্ষীরার মান্দারবাড়ি দিয়ে আগে পুশইনের ঘটনা ঘটায় সেখানেও সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এবং এই লক্ষ্যে বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক ড্রোন ও সার্ভেলেন্স প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ ও যৌথ অভিযান পরিচালনা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাত্র ৯০ মিনিটে রোনালদোর আয়, প্রথম গ্রেড কর্মকর্তার কয়েক শত বছরের বেতনের সমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০১ এম


মাত্র ৯০ মিনিটে রোনালদোর আয়, প্রথম গ্রেড কর্মকর্তার কয়েক শত বছরের বেতনের সমান

পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সাধারণ কোনো বেতন পান না। তার উপার্জনকে এখন মানব সভ্যতার সময়ের স্কেলে মাপতে হবে। প্রতিবার তিনি যখন ফুটবল মাঠে পা রাখেন, সময়ের ঘড়িটা যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন নিয়মে চলতে শুরু করে। তার জন্য মাঠের ৯০ মিনিট মানেই প্রায় ৪৪ কোটি টাকা।

বাংলাদেশে একজন ভালো বেতনের চাকরিজীবী বছরে বেতন বাবদ ৬ লাখ টাকার মতো (৫০ হাজার মাসিক বেতন ধরে) ইনকাম করেন। সে হিসেবে রোনালদোর ৯০ মিনিটের সমান ইনকাম করতে বছরে প্রায় ৭৪৫ বছর লাগবে!

এটিকে আয়ের পার্থক্য বলা ভুল হবে। এটি আসলে আস্ত একটি ‘টাইম মেশিন’!

৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ ফুটবলার কেবল সৌদি আরবের ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি থেকেই বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়। বাংলাদেশি টাকায় হিসাব করলে যা প্রায় ২৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা মতো (২৪,৫৯৭,৬২০,০০০)।

ধরে নেওয়া যাক, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে তিনি পুরো মৌসুমে গড়ে ৫৫টি ম্যাচ খেলেন। এবার তার বার্ষিক আয়কে এই ৫৫ দিয়ে ভাগ করলেই চোখ কপালে ওঠার মতো হিসাব বেরিয়ে আসবে— মাঠে খেলা প্রতিটি ম্যাচের জন্য তিনি পাচ্ছেন প্রায় ৪৪.৭২ কোটি (৪৪ কোটি ৭২ লাখ) টাকার মতো।

অন্য কথায় বলতে গেলে, ৯০ মিনিটের একটি ফুটবল ম্যাচ আর সাথে সামান্য ইনজুরি টাইম— তাতেই রোনালদো যে টাকা আয় করেন, বাংলাদেশের অনেক বড় কোম্পানি পুরো বছরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন বাবদও এত টাকা বরাদ্দ রাখে না।

এবার চোখ রাখা যাক তার মোট সম্পত্তির খতিয়ানে। ধারণা করা হয়, রোনালদোর নেট ওয়ার্থ বা মোট সম্পদের পরিমাণ এখন অনায়াসেই ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

যদি আমরা একদম কম করেও ধরি, তবে এই অঙ্কটা অন্তত ১২০ কোটি ডলার। বর্তমান মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় বাংলাদেশি সংখ্যায় এটি ১৪ হাজার ৬৪০ কোটি!

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পাওয়া চড়া বেতন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বোনাস, ইমেজ রাইটস, স্পন্সরশিপ চুক্তি, নানা ব্যবসায়িক উদ্যোগ আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশাল ফ্যানবেস— সব মিলিয়েই গড়ে উঠেছে তার এই অঢেল সম্পদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ের সংখ্যা তো বিশ্বের অনেক দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।

এবার এই বিশাল অঙ্কের পাশে বাংলাদেশের ১ম গ্রেডের একজন সরকারি চাকরিজীবীকে দাঁড় করানো যাক। বর্তমান (২০১৫ সারের) প্রচলিত পে স্কেল অনুযায়ী প্রথম গ্রেডের একজন কর্মকর্তার বেসিক বা মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা।

রোনালদো মাত্র একটি ম্যাচে যা আয় করেন, সেই সমপরিমাণ টাকা আয় করতে ওই চাকরিজীবীর প্রয়োজন হবে প্রায় ৪৭০ বছরের কঠোর পরিশ্রম! (৪৪০০০০০০০ ÷ ৯৩৬০০০= ৪৭০)

অন্যভাবে বলতে গেলে, একজন মানুষ যদি উদারহস্তে টানা ৪০ বছরও চাকরি করেন, তবুও রোনালদোর পাহাড়সম সম্পদের সামনে তা বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলবে না। আর রোনালদোর সমান সম্পদ বানাতে গেলে বছরে ৬ লাখ আয় করা প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের এক বছরের আয় লাগবে।

এছাড়া রোনালদো ফুটবল মাঠে কাটানো প্রতি ঘণ্টার জন্য প্রকৃতপক্ষে প্রায় ২০ কোটি রুপি আয় করছেন।

জমকালো লাইফস্টাইল, ট্রফির রাজত্ব আর ইনস্টাগ্রামের কোটি কোটি ফলোয়ার— সবকিছু যদি বাদও দেওয়া হয়, তবুও এই সাধারণ গাণিতিক হিসাবটাই আসল সত্য বলে দেয়। আধুনিক ফুটবলের একদম চূড়ায় বসে থাকা একজন মানুষের মাত্র ৯০ মিনিটের মূল্য, অন্য কারোর হাজার বছরের সকাল-সন্ধ্যা খাটুনির চেয়েও অনেক বেশি!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালের রাষ্ট্রপতি-স্পিকারসহ ৩৬০ বিশিষ্টজনের কাছে আম পাঠাল বাংলাদেশ দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


নেপালের রাষ্ট্রপতি-স্পিকারসহ ৩৬০ বিশিষ্টজনের কাছে আম পাঠাল বাংলাদেশ দূতাবাস

কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের দূতাবাস ‘সেশন বেস্ট কম্প্লিমেন্টস’ উদ্যোগের আওতায় শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে নেপালের বিশিষ্টজনদের মাঝে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু আম উপহার প্রদান করেছে।

শুক্রবার (১২ জুন) প্রায় এক হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নতমানের বাংলাদেশি আম কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ ও এর জনগণের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের নিকট উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।

দূতাবাসের টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি প্রাপকের কাছে আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন।

আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করতে সেগুলো বাংলাবান্ধা বন্দর, ফুলবাড়ি ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং কাকরভিটা বন্দর হয়ে সতর্কতার সঙ্গে নেপালে পরিবহন করা হয়।

এ আমগুলো ছিল জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের আম, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন।

এ শুভেচ্ছা উপহার উভয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

নেপালে এ অনন্য ‘ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি’ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা অবদান রেখেছেন, বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%