১২:০৬ এম
ক্ষমতাচ্যুত বাশার আল-আসাদের সমর্থনে দেওয়া দুটি রুশ সামরিক ঘাঁটির চূড়ান্ত ভাগ্য এখন নির্ধারিত হয়েছে। দামেস্ক জানিয়েছে, দীর্ঘ দেড় বছরের আলোচনার পর খেমেইমিম বিমানঘাঁটি ও তারতুস নৌঘাঁটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে ‘যৌথ প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা-বৃদ্ধি কেন্দ্রে’ রূপান্তরিত করা হবে।
রবিবার সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, নতুন সমঝোতা অনুযায়ী, ঘাঁটিগুলোর বেসামরিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ পাবে দামেস্ক। আলোচনা চলাকালে, এগুলো স্বাভাবিকভাবেই কার্যকর ছিল।
এদিকে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে খেমেইমিম সংলগ্ন লাতাকিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষের প্রধান ওমর আল-হাসরি এটিকে সিরিয়ার বিমানবন্দরগুলো পুনরুদ্ধারের ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, বিমানবন্দরটি সংস্কারের জন্য প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া, চুক্তির স্থাপনাগুলো সরাসরি পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি। তবে এ বিষয়ে রাশিয়া এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন: পারস্য উপসাগরে মাইনের আঘাতে দ্বিতীয় সুপারট্যাঙ্কারে ভয়াবহ আগুন
১৩ বছরের গৃহযুদ্ধে আসাদকে টিকিয়ে রাখার প্রধান মিত্র ছিল রাশিয়া। কিন্তু ২০২৪ সালে আসাদের পতনে মস্কোর প্রভাব বড় ধাক্কা খায়। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বাইরে নিজেদের একমাত্র সামরিক ঘাঁটি দুটি বাঁচাতে, সিরিয়ার নতুন ইসলামি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।
ক্ষমতা গ্রহণের পর, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ইতিমধ্যে দুবার মস্কো সফর করেছেন। পুতিন সিরিয়ার অখণ্ডতা রক্ষায় তার প্রচেষ্টার প্রশংসাও করেছেন। তবে, সম্পর্ক উন্নয়নের এ চেষ্টার মাঝেই মস্কোয় আশ্রয় নেওয়া আসাদকে ফেরত দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে দামেস্ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন