ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন


সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন

কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন। তার মৃত্যু ঘটে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে, যখন তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬৬ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

সেলিমা আহমাদ ১৯৬০ সালের ৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ডেনমার্ক ও কানাডায় ব্যবসা ও নেতৃত্ব বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

সেলিমা আহমাদ নিটল-নিলয় গ্রুপের অটোমোবাইল, সিমেন্ট, কাগজ, রিয়েল এস্টেট, ইলেকট্রনিকস ও আর্থিক সেবাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০০১ সালে তিনি বিডব্লিউসিসিআই প্রতিষ্ঠা করেন। নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ছয় বছরেও নির্মিত হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোই ভরসা পাঁচ গ্রামের মানুষের

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি হোমনা-তিতাসের অবকাঠামো, শিক্ষা ও নারী আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করেন। সেলিমা আহমাদ এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদের স্ত্রী ছিলেন।

এফবিসিসিআইয়ের একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, সেলিমা আহমাদের লাশ দেশে আনার পর জানাজা ও দাফন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সফল বাজেট বাস্তবায়নে সমান বণ্টন নিয়ে সংসদে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


সফল বাজেট বাস্তবায়নে সমান বণ্টন নিয়ে সংসদে আলোচনা

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের সাধারণ আলোচনায় সংসদ সদস্যরা বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সকল এমপির জন্য সমান বণ্টনের ওপর গুরুতর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাদের মতে, সকল সংসদ সদস্যের অধিকার সমান হওয়ায় বাজেটও সমানভাবে বণ্টন করা উচিত।

আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা বলেন, সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে বাজেট বরাদ্দ ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সমভাবে বিতরণ করা হয়। শুধু মন্ত্রীদের নির্বাচনী এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার না দিয়ে এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

নরসিংদী-৫ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বলেন, সকল সংসদ সদস্যের অধিকার সমান। তাই বাজেট বরাদ্দ সব আসনে সমানভাবে বণ্টন করা উচিত। তিনি বললেন, শুধুমাত্র মন্ত্রীদের আসনে নয় বরং অন্য আসনগুলোতেও সমানভাবে বরাদ্দ প্রয়োজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে দেখা গেছে বাজেট ঘোষণা করা হলেও বরাদ্দ মূলত মন্ত্রীদের আসনেই গেছে, অন্য সংসদ সদস্যরা কিছুই পাননি।

তিনি দাবি করেছেন, সরকারের উচিত সমান বণ্টন নিশ্চিত করা, কারণ সব সংসদ সদস্যের অধিকার সমান।

তিনি পূর্ববর্তী বিএনপি শাসনামলের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, নরসিংদী-৩ আসনে তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর এলাকায় প্রায় ৯৯ শতাংশ কাঁচা রাস্তা পাকা করা হয়েছিল, কিন্তু তাঁর নিজের আসনে এবং পাশের আসনে অন্তত ৬০ শতাংশ কাঁচা রাস্তা তখনও পাকা হয়নি।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি সব বরাদ্দই মন্ত্রীদের আসনে যায়, তাহলে ৩০০টি আসনের সংসদ কেন আছেÑএ কারণেই সমান বণ্টনের ওপর জোর দেওয়া দরকার।

বাজেট নিয়ে আলোচনায় নারী আসন-৮ এর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের মূল দর্শন একটি দ্রুত উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

হবিগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান বলেন, এই বাজেট একটি কল্যাণরাষ্ট্রের দিকে অগ্রযাত্রার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাজেট বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিগত আয়কর সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসুদ বলেছেন, আগের ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার সীমা থেকে মাত্র ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।

বাজেটকে সর্বোচ্চ ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেট হিসেবে উল্লেখ করে নড়াইল-২ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য এম আতাউর রহমান বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাস্তব পরিস্থিতির তুলনায় অবাস্তব।

রংপুর অঞ্চলের বরাদ্দ নিয়ে সমালোচনা করে গাইবান্ধা-১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য বলেন, বাজেটে সমান বণ্টনের কথা বলা হলেও উত্তরাঞ্চলের জন্য বরাদ্দ মাত্র ১ শতাংশ।

খুলনা-২ আসনের আরেক বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল বলেন, আয় নিশ্চিত না করেই ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর ফ্যাসিস্ট শাসনামলে জোরপূর্বক গুম হওয়া পরিবারের জন্য ভাতা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান বলেন, মতপার্থক্য থাকলেও সাম্প্রতিক বাজেটটি জনবান্ধব, যার লক্ষ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আয় বাড়ানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

পিরোজপুর-১ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বেশি বরাদ্দ পাচ্ছেন, বিরোধী এমপিরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

সরকারি ও বিরোধী দলের আরও বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বহরিয়া বাজার ও ব্রিজ সংযুক্ত রাস্তা ভেঙে গর্ত, ঝুঁকি নিয়ে চলছে পথচারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


বহরিয়া বাজার ও ব্রিজ সংযুক্ত রাস্তা ভেঙে গর্ত, ঝুঁকি নিয়ে চলছে পথচারী

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নং লক্ষ্ণীপুর ইউনিয়ন বহরিয়া বাজার ও হাইস্কুল সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ রাস্তার দুইপাশে বড় ধরনের গর্ত ও ফাটল দেখা দেওয়ায় পথচারী এবং যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আতঙ্কে ব্রিজ পারাপার হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক নির্মিত ব্রিজটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের খালের ওপর অবস্থিত। দীর্ঘ বছর ধরে, ব্রিজটি বহরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীরামপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষদের যাতায়াতের একটি প্রধান মাধ্যমের ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে, এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভারী বৃষ্টির কারণে ব্রিজের বাজার সংলগ্ন অংশে রাস্তা ভেঙে গিয়ে বর্তমানে সেখানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ফাটল আরও বিস্তৃত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের পাকা রাস্তার কংক্রিটের অংশ ভেঙে যায় এবং গর্ত তৈরি হয়েছে। দুটি অটো বাইক তো দূরের কথা, একটিও অটো বাইক বা রিক্সার জন্য রাস্তার ভাঙনের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে ফাটল স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের চলাচল করতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়ছে। স্থানীয় দোকানদাররা বলেন, ‘ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে। বহুদিন ধরেই এখানে রাস্তা ধসে পড়ে বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে। আমরা আতঙ্কিত রয়েছি। দ্রুত মেরামত না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’ বহরিয়া উচ্ছ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. আজাহার উদ্দিন মিয়া বলেন, ‘এ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ নারী ও পুরুষ সকলেই এই সেতু ব্যবহার করে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন।’

খালের ওপর নির্মিত ব্রিজের সংযোগ রাস্তার দু'পাশে বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ না নিলে বড় দুর্ঘটনা, যানজট এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সেতুর সংযোগ সড়কে এভাবে বড় গর্ত ও ভাঙন সৃষ্টি হওয়ার পেছনে সাধারণত কয়েকটি কারণ দায়ী থাকে। খালের পানি উপচে বা নিষ্কাশন ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় জমে থাকা পানি মাটির নিচ থেকে সরিয়ে দেয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ কমাতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
দীপেন দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রীতে পুনর্বহালের দাবি

রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে অপসারণে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে অপসারণে মানববন্ধন

রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রীতে পুনর্বহাল, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন এবং অ-উপজাতীয় প্রতিমন্ত্রীর পরিবর্তে চুক্তির বিধান মেনে উপজাতীয় প্রতিনিধিকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

লংগদুর কালাপাগুজ্যা মৌজার হেডম্যান মো. মীর সিরাজ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি সুজিত দেওয়ান, জেলা কার্বারি সভাপতি নন্দ বিকাশ চাকমা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা স্বপন মল্লিক, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নুর জাহান পারুল এবং মহিলা হেডম্যান মানুচিং মারমা।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দীপেন দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রীর পদে বহালের দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। স্মারকলিপিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান প্রশাসনিক স্থবিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী উপজাতীয়দের মধ্য থেকে একজন মন্ত্রী নিয়োগ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের কথা রয়েছে এবং মন্ত্রণালয়কে সহায়তার জন্য একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। তবে বর্তমানে এই নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ-উপজাতীয় প্রতিনিধিকে দায়িত্ব দেওয়ায় তা চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করা হয়।

বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একজন অ-উপজাতীয় সংসদ সদস্যকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা তাঁদের মতে চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাঁদের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, রাঙ্গামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সদ্য পদত্যাগকারী মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ১ জুন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তবে এই পদত্যাগ ঘিরে জনমনে প্রশ্ন ও ধোঁয়াশা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিভিন্ন মহল ও সংবাদমাধ্যমের বরাতে স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি; বরং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

নাগরিক সমাজের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে। তাঁরা অবিলম্বে বর্তমান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উপজাতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী নিয়োগের দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে স্লুইচগেট সংস্কার করা হচ্ছে : কেসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে স্লুইচগেট সংস্কার করা হচ্ছে : কেসিসি প্রশাসক

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, জোয়ারের সময় নদীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশিত না হওয়ায় নগরীর কিছু কিছু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণে পাম্প হাউজ নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ইতোপূর্বে এই বিষয়ে পাঁচ বার দরপত্র আহ্বান করা হলেও কারিগরি কারণে তা বাতিল হয়েছে।

অন্যদিকে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, স্লুইচগেট নষ্ট থাকার ফলে জোয়ারের পানি শহরে প্রবেশ করছে। এই কারণে, পাম্প হাউস স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে গেটগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। এছাড়া, চলমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এ প্রকল্পের সুফল দ্রুত পাওয়া যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ওয়াসা কর্তৃক খননকৃত সড়কগুলো নিয়ে তিনি বলেন, খননকৃত সড়কগুলো এখন থেকে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ মেরামত করবে। তবে মেরামত কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করবে কেসিসি। আজ রোববার সকালে রূপসা স্লুইচগেট পরিদর্শন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জোয়ারের সময় অতি বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক করণীয় নির্ধারণে তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে স্লুইচগেট সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম, সাবেক কাউন্সিলর মো. মাহবুব কায়সার, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, খান হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রশাসক নগরীর কে রোডের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।

বিকেলে, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কঞ্জারভেন্সি বিভাগের ৩১টি ওয়ার্ডের সুপারভাইজারদের সঙ্গে এক সভায় মিলিত হন। মহানগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সভায় প্রশাসক পরিদর্শনকালে দৃষ্টিগোচর হওয়া বিভিন্ন অসঙ্গতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সুপারভাইজারদের কাছে জবাব চান। একইসাথে তিনি উদ্ধৃত করে বলেছেন যে, পরিচ্ছন্নতা কাজে কারো গাফিলাতি প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সভায় কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, কঞ্জারভেন্সি অফিসার মো. অহিদুজ্জামান খানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%