১০:০৯ পি.এম
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নং লক্ষ্ণীপুর ইউনিয়ন বহরিয়া বাজার ও হাইস্কুল সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ রাস্তার দুইপাশে বড় ধরনের গর্ত ও ফাটল দেখা দেওয়ায় পথচারী এবং যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আতঙ্কে ব্রিজ পারাপার হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক নির্মিত ব্রিজটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের খালের ওপর অবস্থিত। দীর্ঘ বছর ধরে, ব্রিজটি বহরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীরামপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষদের যাতায়াতের একটি প্রধান মাধ্যমের ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে, এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভারী বৃষ্টির কারণে ব্রিজের বাজার সংলগ্ন অংশে রাস্তা ভেঙে গিয়ে বর্তমানে সেখানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং ফাটল আরও বিস্তৃত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের পাকা রাস্তার কংক্রিটের অংশ ভেঙে যায় এবং গর্ত তৈরি হয়েছে। দুটি অটো বাইক তো দূরের কথা, একটিও অটো বাইক বা রিক্সার জন্য রাস্তার ভাঙনের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে।
বিভিন্ন স্থানে ফাটল স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের চলাচল করতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়ছে। স্থানীয় দোকানদাররা বলেন, ‘ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে। বহুদিন ধরেই এখানে রাস্তা ধসে পড়ে বড় বড় গর্ত হয়ে গেছে। আমরা আতঙ্কিত রয়েছি। দ্রুত মেরামত না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’ বহরিয়া উচ্ছ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. আজাহার উদ্দিন মিয়া বলেন, ‘এ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ নারী ও পুরুষ সকলেই এই সেতু ব্যবহার করে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন।’
আরও পড়ুন: নেত্রকোনায় নিজ হাতে ড্রেন পরিষ্কার করলেন জেলা প্রশাসক
খালের ওপর নির্মিত ব্রিজের সংযোগ রাস্তার দু'পাশে বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ না নিলে বড় দুর্ঘটনা, যানজট এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সেতুর সংযোগ সড়কে এভাবে বড় গর্ত ও ভাঙন সৃষ্টি হওয়ার পেছনে সাধারণত কয়েকটি কারণ দায়ী থাকে। খালের পানি উপচে বা নিষ্কাশন ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় জমে থাকা পানি মাটির নিচ থেকে সরিয়ে দেয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ কমাতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন