বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:১৬ পি.এম
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে আবারও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে দুপুর ২টা থেকে ভোট শুরু হবে এবং চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
দুইজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তবে সাতক্ষীরা-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভোট কোথায় যাবে, তা নিয়ে সকলের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলাম, যারা জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত, বর্তমানে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু তিনি এখনো নিশ্চিত করেননি যে তিনি কোন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন, এমনকি তিনি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন কিনা, সেটিও পরিষ্কার নয়।
নিজের অবস্থান সম্পর্কে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট প্রদানের অধিকারী। তবে কাকে ভোট দেবেন বা আদর্শভাবে ভোট দিতে যান কিনা, এ বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি বলে জানান।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার কারণে মির্জা ফখরুলের অবস্থান শক্তিশালী, কিন্তু স্বতন্ত্র আট সংসদ সদস্যের ভোট নিয়ে ভিন্ন হিসাব করা হচ্ছে।
জাতীয় সংসদের মোট ৩৫০ আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ আসনটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে সাধারণত দলীয় সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেবেন। তবে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখেন।
ইতোমধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে স্বতন্ত্র এমপিদের কাছে ভোট চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে সৌদি আরবে ট্যাক্সি ড্রাইভার পদে ১০০ জন কর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সরাসরি সাক্ষাৎকার ও প্র্যাকটিক্যাল টেস্টের মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।
চাকরির বিবরণ অনুসারে, পদের নাম হলো ট্যাক্সি ড্রাইভার (পুরুষ) এবং পদসংখ্যা ১০০। প্রার্থীদের বয়সসীমা ২০ থেকে ৩৯ বছর হতে হবে। মাসিক বেতন নির্ধারিত হয়েছে ১১০০ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬ হাজার টাকা। চাকরির ধরণ চুক্তিভিত্তিক, যার মেয়াদ ২ বছর। কর্মস্থল হবে মক্কা, সৌদি আরব।
সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ ও ২২ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯টা থেকে। সাক্ষাৎকারের স্থান হলো বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র (বিকেটিটিসি), দারুস সালাম, মিরপুর-১, ঢাকা। সাক্ষাৎকারের জন্য প্রার্থীদের কিছু বহন করতে হবে, যেমন: ১২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড), মূল পাসপোর্ট ও তার ছবি যুক্ত অংশের ৫ সেট রঙিন ফটোকপি, মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে), এবং ভোটার আইডি কার্ডের মূল কপি ও ১ সেট ফটোকপি।
চাকরিতে প্রাপ্ত সুবিধার মধ্যে রয়েছে, দুই বছর চাকরি শেষে কর্মীকে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট কোম্পানি বহন করবে। এছাড়াও, দুই বছরে ৪২ দিনের বেতনসহ ছুটি প্রদান করা হবে। নিয়োগকর্তা থাকার ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা ও যাতায়াতের ব্যবস্থা করবে। সৌদি শ্রম আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইম সুবিধা পাওয়া যাবে।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য সকল ব্যয় বাবদ ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং জামানত বাবদ ১ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দিতে হবে। দুই বছরের কর্মকাল সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে জামানতের ১ লাখ টাকা ফেরত দেয়া হবে। প্রার্থীদের প্রতারণা থেকে সতর্ক করা হয়েছে এবং নির্ধারিত ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার পে-অর্ডার ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলে তা প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বোয়েসেলের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের সাবেক ফুটবলার কাজুয়োশি মিউরা ‘এম্পেররস কাপ’-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতা হিসেবে একটি নতুন রেকর্ড গড়লেন। ৫৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় অপেশাদার দল ‘ওয়ামা সকার ক্লাব’-এর বিরুদ্ধে ‘ফুকুশিমা ইউনাইটেড’-এর ৭-০ ব্যবধানের ম্যাচের সময় পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করেন।
৫৯ বছর ৫ মাস ২৪ দিনের বয়সে মিউরা জাপানের সাবেক মিডফিল্ডার শিনজি ওনোর পূর্বের রেকর্ডটি ভেঙে দেন। উল্লেখ্য, ওনো এই প্রতিযোগিতায় গোল করার সময় ৪১ বছর বয়সী ফুটবলার ছিলেন। ‘কিং কাজু’ ডাকনামে পরিচিত মিউরা বর্তমানে পেশাদার ক্যারিয়ারের ৪২তম মৌসুম পার করছেন। গত মাসে টুর্নামেন্টের বাছাইপর্বে তিনি প্রায় চার বছরের মধ্যে তার প্রথম প্রতিযোগিতামূলক গোলটি করেছিলেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ১২তম মিনিটে পেনাল্টি স্পট থেকে গোল করে এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড দলের হয়ে গোলের সূচনা করেন। এরপর তিনি দ্বিতীয়ার্ধের ১০ম মিনিটে আরও একটি পেনাল্টি থেকে গোল করেন। গোল করার পর তিন মিনিট পরই মাঠ থেকে বদলি হিসেবে উঠে যান।
গোল করার পর সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, "কখন যে আপনার সুযোগ আসবে তা আগে থেকে বোঝা যায় না। তাই আমি সবসময়ই এগুলোর (পেনাল্টি) অনুশীলন করি। আমি আনন্দিত যে সেই পরিশ্রম কাজে এসেছে।" ১৯৮৬ সালে ব্রাজিলে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করা মিউরা ইতালি, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং পর্তুগালেও খেলেছেন। জাপানের হয়ে ৮৯টি ম্যাচে ৫৫টি গোল করা এই স্ট্রাইকার চলতি বছরের শুরুর দিকে ইয়োকোহামা এফসি থেকে তৃতীয় বিভাগের ক্লাব ফুকুশিমায় যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যরাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনে হামলার ঘটনার কারণে পুলিশ তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে, ঘটনার তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (প্রশাসন ও অর্থ) প্রধান করে একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে পৌর এলাকার পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইনের ভিতরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের লাঠিচার্জের কারণে মাদরাসার অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। হামলায় কিছু পুলিশ সদস্যও আহত হন। ঘটনার পর গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
ঘটনার পর রাতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার বৈঠকের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে পুলিশ এবং মাদরাসা ছাত্রদের পক্ষ থেকে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। বুধবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে জেলা পুলিশ এ বিষয়ে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রদান করে।
পুলিশের মিডিয়া উইংয়ের পাঠানো বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, পুলিশ লাইন্সে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক পর্যায়ে বিচ্যুতির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যকে সকল ধরনের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তের প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তাধীন বিষয়ে অনুমাননির্ভর বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে, প্রত্যাহার হওয়া তিন পুলিশ সদস্যের নাম ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সরকারি স্কুলগুলোতে এইচ-১বি ভিসায় বিদেশি শিক্ষক ও কর্মী নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা আনার উদ্যোগ নিয়েছেন গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। তিনি আগামী বছরের অঙ্গরাজ্য আইনসভায় এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব উত্থাপনের কথা জানিয়েছেন।
বর্তমানে টেক্সাসে সরকারি স্কুলগুলোতে ৩৪০ জনের বেশি এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মী কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে ডালাস ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্ট, বা ডালাস আইএসডি, এ সবচেয়ে বেশি কর্মী আছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেখানে ১৭১ জন এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মী কাজ করছেন।
এইচ-১বি ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন এমন পেশায় বিদেশি কর্মীদের সাময়িকভাবে নিয়োগের সুযোগ দেয়। শিক্ষা খাতে, যেখানে স্থানীয়ভাবে যোগ্য কর্মী পাওয়া কঠিন হয়, স্কুল ডিস্ট্রিক্টগুলো এই ভিসার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষক নিয়োগ করতে পারে।
ডালাস আইএসডি জানায়, তারা প্রধানত যেসব পদে স্থানীয়ভাবে শিক্ষক পাওয়া কঠিন, সেসব পদ পূরণের জন্য এইচ-১বি ভিসা ব্যবহার করে। বিশেষ করে ইংরেজি-স্প্যানিশ দ্বিভাষিক শিক্ষা ও বিশেষ শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
টেক্সাসের নির্ধারিত শিক্ষক সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ইংরেজি ভাষার দক্ষতার মতো শর্ত বিদেশি শিক্ষকদেরও পূরণ করতে হয়। এর মানে হলো, এই ভিসার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের স্থানীয় শিক্ষকদের ন্যায় নির্দিষ্ট যোগ্যতার মানদণ্ড মেনে চলতে হয়।
গভর্নর অ্যাবটের এই প্রস্তাবের পেছনে শুধু শিক্ষক নিয়োগের বিষয় নয়, বরং সরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় বিদেশি প্রভাব কমানোর বিষয়টিও আছে। তিনি টেক্সাসের সরকারি স্কুলগুলোতে বিদেশি সরকার বা তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপহার ও অর্থায়নের ওপর আরও কঠোর বিধিনিষেধ চান।
অ্যাবটের উদ্যোগের সমর্থকরা যুক্তি দেন, করদাতাদের টাকায় পরিচালিত সরকারি স্কুলে স্থানীয় কর্মীদের চাকরির সুযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তবে বিরোধীরা আশঙ্কা করছেন, এইচ-১বি নিয়োগ বন্ধ হলে শিক্ষক সংকটে থাকা স্কুল ডিস্ট্রিক্টগুলো আরও চাপে পড়তে পারে।
বিশেষ করে টেক্সাসে দ্বিভাষিক শিক্ষা ও বিশেষ শিক্ষার মতো ক্ষেত্রে যোগ্য শিক্ষক পাওয়া কিছু স্কুলের জন্য ইতোমধ্যেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে যদি বিদেশি শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করা হয়, তাহলে এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে নতুন ব্যবস্থা নিতে হবে।
গভীর থাকতে, এইচ-১বি নিয়োগ নিয়ে অ্যাবটের অবস্থান নতুন নয়। এর আগে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি টেক্সাসের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য সংস্থা ও সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নতুন এইচ-১বি আবেদনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার সরকারি স্কুলগুলোতেও একই ধরনের বিধিনিষেধ আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
তবে, প্রস্তাবটি এখনও আইনে চূড়ান্ত হয়নি। আগামী বছর টেক্সাস আইনসভায় এটি উত্থাপনের পর আইনপ্রণেতাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে সরকারি স্কুলে বিদেশি শিক্ষক ও অন্যান্য এইচ-১বি কর্মীদের ভবিষ্যৎ।
ফলে, টেক্সাসে একদিকে স্থানীয় কর্মীদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়ানোর দাবি, অন্যদিকে শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় বিদেশি কর্মীদের প্রয়োজন— এই দুই অবস্থানের মধ্যেই নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে এইচ-১বি কর্মসূচি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ