ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রান্নার আগে চাল কতবার পানি ধোয়া উচিত


রান্নার আগে চাল কতবার পানি ধোয়া উচিত

রান্নার আগে চাল কতবার ধোয়া উচিত এমন সাধারণ প্রশ্ন নিয়েই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাজ্যে পানি অপচয় রোধে চাল ধোয়ার বিষয়ে সচেতনতামূলক একটি উদ্যোগ নেওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। সেখানে দক্ষিণ এশীয় পরিবারগুলোকে প্রচলিত ৫ থেকে ৭ বারের পরিবর্তে মাত্র দুইবার চাল ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চালের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়েও। ভারতের পিএসআরআই হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান ডায়াটেশিয়ান শালিনী ব্লিসের মতে, বেশিরভাগ পরিবারের জন্য দুই থেকে তিনবার চাল ধোয়াই যথেষ্ট।

তিনি জানান, প্যাকেটজাত চাল পরিষ্কার পানির নিচে দুইবার ধুলেই সাধারণত ধুলোবালি, আলগা স্টার্চ ও সামান্য ময়লা দূর করা যায়। চাল পাঁচ থেকে সাতবার ধুলে যে তা আরও নিরাপদ হয়ে ওঠে, এমন প্রমাণ নেই।

আরও পড়ুন: প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুসের আলোয় সজ্জিত চট্টগ্রামের আকাশ

চাল বারবার ধুলে আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান দূর হয় এমন ধারণা অনেকের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু চাল ধোয়ার মাধ্যমে আর্সেনিকের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায় না। দুই থেকে তিনবার ভালোভাবে ধোয়ার তুলনায় পাঁচ থেকে সাতবার ধুলে বাড়তি স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়ার প্রমাণও নেই।

আর্সেনিক নিয়ে উদ্বেগ থাকলে বারবার চাল ধোয়ার পরিবর্তে চালের উৎস এবং রান্নার পদ্ধতির দিকে নজর দেওয়াই বেশি কার্যকর।

চাল অতিরিক্ত ধোয়ার আরেকটি নেতিবাচক দিক হলো পুষ্টি উপাদান কমে যাওয়ার আশঙ্কা। পানিতে দ্রবণীয় আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, থায়ামিন ও নিয়াসিনের মতো কিছু পুষ্টি উপাদান ধোয়ার সময় পানির সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে পালিশ করা বা কিছু ধরনের সিদ্ধ চালের ক্ষেত্রে এ ধরনের পুষ্টি অপচয় বেশি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, চাল দুই থেকে তিনবার পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রান্না করাই ভালো। পানি পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত বারবার ধোয়ার প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের ল্যান্ডুডনো: পাহাড়, সমুদ্র ও সবুজ প্রকৃতির মিলনস্থল

আর আর্সেনিক নিয়ে উদ্বেগ থাকলে অতিরিক্ত ধোয়ার পরিবর্তে নিরাপদ উৎসের চাল বেছে নেওয়া এবং উপযুক্ত রান্নার পদ্ধতি অনুসরণ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।রান্নার আগে চাল দুই থেকে তিনবার ধোয়া সাধারণত যথেষ্ট। এতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানি অপচয় ও অতিরিক্ত পুষ্টি ক্ষয়ের ঝুঁকিও কমানো যায়।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁর পোরশায় ভূমি অফিস অরক্ষিত: কম্পিউটার দোকানের কর্মীর হাতে সরকারি নথিপত্র, দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


নওগাঁর পোরশায় ভূমি অফিস অরক্ষিত: কম্পিউটার দোকানের কর্মীর হাতে সরকারি নথিপত্র, দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর-তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি, দালালদের দৌরাত্ম্য এবং বাইরের অননুমোদিত ব্যক্তির হাতে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র থাকার অভিযোগ উঠেছে।

গত রোববার (২৩ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী উপস্থিত নেই। এ সময় কার্যালয়ের কার্যক্রম সামলাচ্ছিলেন সামনের একটি কম্পিউটার দোকানের এক কর্মী। তাকে অফিসের ভেতরে নামজারিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নথিপত্র নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়।

ওই কর্মী জানান, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকলে মাঝেমধ্যে তাকে অফিসে বসিয়ে রেখে যাওয়া হয়। তিনি ও আরও কয়েকজন নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) রাশেদুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, সরকারি মামলার শুনানি ও দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনে তিনি এবং অফিসের আরও দুই কর্মী বাইরে ছিলেন। অফিস পাহারার জন্য ঝাড়ুদার মফিজুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি ওই দায়িত্ব পালন না করে বাইরের একজনকে অফিসে বসিয়ে রেখে চলে যান।

তহসিলদার আরও বলেন, বহিরাগত ব্যক্তির হাতে সরকারি নথিপত্র রাখা কোনোভাবেই বিধিসম্মত নয়। বিষয়টি দায়িত্বে অবহেলার মধ্যে পড়ে বলেও তিনি স্বীকার করেন।

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ঝাড়ুদার মফিজুল ইসলাম স্থানীয় কয়েকজন কথিত দালালকে সঙ্গে নিয়ে অফিসে এসে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেন। দালালদের উপস্থিতি এবং ঝাড়ুদারের এমন আচরণকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেছেন তহসিলদার রাশেদুল ইসলাম।

এদিকে, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ভূমি অফিসকে ঘিরে কথিত দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা ভূমি প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে সরকারি নথিপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভূমি অফিসে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫৫তম জশনে জুলুস, যেখানে লাখো আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করেছেন। এবারের জুলুসের নেতৃত্ব প্রদান করেছেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) এবং শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জুলুসের শুরুতে আল্লামা সাবির শাহ সাংবাদিকদের জন্য একটি ব্রিফিং প্রদান করেন এবং সেখানে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা থেকে বের হয়ে জুলুসটি মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা, লালখান বাজার হয়ে টাইগারপাস পর্যন্ত সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর একই পথে দুপুরে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে ফিরে আসে।

আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় জলুসকে ঘিরে দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ আশেকে রাসুলের সমাগম ঘটে। এবারের জুলুসের কারণে নগরীর কয়েক কিলোমিটার এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ট্রাক, বাস, পিকআপযোগে হাজার হাজার মানুষ জুলুসে যোগদান করেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসুল আল্লামা হাফেজ সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)-এর দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রামে প্রথম জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এই আয়োজন হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমাকে কিছুই জানানো হয়নি’, ‘সরকে চুনর’ বিতর্কে নোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


‘আমাকে কিছুই জানানো হয়নি’, ‘সরকে চুনর’ বিতর্কে নোরা

অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ ছবির ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গান নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষাপটে। তিনি একটি পডকাস্টে উল্লেখ করেছেন যে, গানটির হিন্দি সংস্করণ তৈরির সময় তাঁর অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি গানটির লিরিক্যাল ভিডিওতে তাঁর ছবি ব্যবহারের বিষয়েও তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।

নোরা দাবি করেছেন, অনেক সময় তাঁর নীরবতাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। তাই তিনি পুরোনো এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান।

গানটি প্রকাশের পর থেকেই এর কথা ও দৃশ্যায়ন নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। গানে নোরা ফাতেহি এবং সঞ্জয় দত্তকে দেখা যায়। গানটির কথা নিয়ে আপত্তির পাশাপাশি নোরা সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

পরে নোরা একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছিলেন, হিন্দি সংস্করণটির সঙ্গে তাঁর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

পডকাস্টে নোরা জানান, গানটির শুটিং তিনি প্রায় তিন বছর আগে করেছিলেন। সেই সময় গানটি ছিল কন্নড় ভাষায়। বড় বাজেটের সিনেমা এবং সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে কাজের সুযোগ থাকায় তিনি সেই সময় গানটিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

নোরার অভিযোগ, কন্নড় গানটির হিন্দি সংস্করণ তৈরির সময় তাঁর কাছ থেকে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গানটি হিন্দিতে ডাব করার সময় এমন কিছু শব্দ ও কথা ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ে তিনি একমত নন। অথচ এসব পরিবর্তন সম্পর্কে তাঁকে পূর্বে কিছু জানানো হয়নি।

শুধু গান নয়, এর লিরিক্যাল ভিডিও নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন নোরা। তাঁর অভিযোগ, ভিডিওতে তাঁর এমন কিছু ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলো তাঁর পছন্দ নয় এবং ব্যবহারের আগে তাঁর অনুমতি নেওয়া হয়নি।

এমনকি নোরা ও সঞ্জয় দত্তের একটি এআই-তৈরি ছবিও ভিডিওতে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৫ মিনিটে যে ভুলগুলো এড়ালে বাঁচতে পারে প্রাণ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৫ মিনিটে যে ভুলগুলো এড়ালে বাঁচতে পারে প্রাণ 

হঠাৎ বুকে চাপ বা তীব্র ব্যথা, সঙ্গে ঘাম, শ্বাসকষ্ট কিংবা দুর্বলতা—এমন উপসর্গ দেখা দিলে সময় নষ্ট করা বিপজ্জনক হতে পারে। অনেকেই প্রথমে গ্যাস বা অম্বল ভেবে বাড়িতে বসে থাকেন। অথচ হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুকে ব্যথা বা এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রথমেই যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন:

গ্যাস ভেবে বসে থাকবেন না

বুকের ব্যথা বা চাপকে শুধু গ্যাস-অম্বল ভেবে অ্যান্টাসিড খেয়ে অপেক্ষা করা ঠিক নয়। বুকের ব্যথার সঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম, শ্বাসকষ্ট, বমি, দুর্বলতা কিংবা ব্যথা হাত, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যাবেন না

হার্ট অ্যাটাকের সময় হঠাৎ অসুস্থতা বেড়ে যেতে পারে বা রোগী অচেতন হয়ে যেতে পারেন। তাই নিজে গাড়ি চালানোর পরিবর্তে জরুরি চিকিৎসাসেবা ডেকে হাসপাতালে যাওয়াই নিরাপদ। জরুরি চিকিৎসাকর্মীদের মাধ্যমে হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসা শুরু করতেও সময় বাঁচতে পারে।

নিজে থেকে ওষুধ খেয়ে সময় নষ্ট করবেন না

বুকে ব্যথা হলে নিজের ইচ্ছায় নানা ওষুধ খেয়ে অপেক্ষা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে কোন ওষুধ কার জন্য নিরাপদ, তা সবার ক্ষেত্রে এক নয়।

তবে আধুনিক প্রাথমিক চিকিৎসা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তীব্র বুকব্যথায় সচেতন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, যাঁর অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি নেই এবং চিকিৎসক আগে থেকে এটি না খেতে বলেননি, জরুরি চিকিৎসাসেবা আসার অপেক্ষায় অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খেতে পারেন। এ বিষয়ে সন্দেহ থাকলে না খেয়ে জরুরি চিকিৎসাকর্মীদের জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত।

যে লক্ষণগুলো দেখলে দ্রুত সতর্ক হবেন

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ শুধু বুকের ব্যথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বুকের চাপ বা অস্বস্তির সঙ্গে—

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

ব্যথা কখন শুরু হয়েছে, সময়টি মনে রাখুন

বুকের ব্যথা বা অন্য উপসর্গ ঠিক কখন শুরু হয়েছে, সময়টি মনে রাখুন। হাসপাতালে চিকিৎসার সময় এই তথ্য চিকিৎসকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

রোগীকে কীভাবে রাখবেন?

রোগী সচেতন থাকলে আরামদায়ক অবস্থায় বসিয়ে বা হেলান দিয়ে রাখুন। শ্বাস নিতে কষ্ট হলে সাধারণত বসে থাকা অবস্থাই বেশি আরামদায়ক হতে পারে। অযথা হাঁটাহাঁটি বা শারীরিক পরিশ্রম করানো উচিত নয়।

রোগী অচেতন হলে কী করবেন?

রোগী যদি হঠাৎ অচেতন হয়ে যান এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নেন বা শুধু অস্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেন, সেটিকে জরুরি অবস্থা হিসেবে ধরে দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা ডাকতে হবে। প্রশিক্ষণ থাকলে বুকের ওপর চাপ দিয়ে হৃদ্‌যন্ত্র-ফুসফুস পুনরুজ্জীবন পদ্ধতি শুরু করতে হবে এবং সম্ভব হলে স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক হৃদ্‌যন্ত্র পুনরুদ্ধার যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে।

হার্ট অ্যাটাক সন্দেহ হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময় নষ্ট না করা। গ্যাস ভেবে অপেক্ষা করা, নিজে গাড়ি চালানো কিংবা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার বদলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%