০১:৪৪ পি.এম
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, মাদক সেবনের জন্য টাকা না পাওয়া নিয়ে পোশাক শ্রমিক নাসিমা আক্তারকে তারই স্বামী ছায়েদুল ইসলাম ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল দুই সন্তানের সামনে। হত্যাকাণ্ডের পর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত স্বামী ছায়েদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন র্যাব ১- এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, গত রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার সময় গাজীপুরের শ্রীপুরে নাসিমা আক্তার নামের এক পোশাক শ্রমিককে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেন তার স্বামী ছায়েদুল ইসলাম। এই ঘটনা ঘটেছিল তাদের ঘরের দুই শিশু সন্তানের সামনে।
মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী আরো জানান, ঘটনার পরপরই র্যাব-১ তদন্ত শুরু করে। তারা তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে জানতে পারে অভিযুক্ত ছায়েদুল গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় অবস্থান করছে। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব ১- এর অধিনায়ক বলেন, ছায়েদুল এবং নাসিমা দম্পতি ভাড়া বাসায় শ্রীপুরে বসবাস করতেন। নাসিমা একজন গার্মেন্ট শ্রমিক ছিলেন এবং ছায়েদুল মাদকসেবী হওয়ায় বিশেষ কাজকর্ম করতেন না। তিনি মাদকের টাকা নিয়ে প্রায় সময় নাসিমাকে মারধর করতেন। ১২ জুলাই নাসিমা অফিস থেকে বেতন নিয়ে ফেরার পর, রাত আড়াইটার দিকে ছায়েদুল তিন হাজার টাকা দাবি করেন। নাসিমা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, ছায়েদুল ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কোপায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে নাসিমার পরবর্তী মৃত্যু ঘটে। পরে ছায়েদুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। বর্তমানে ছায়েদুলকে গ্রেফতারের পর শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নাসিমা আক্তারের অকালমৃত্যু এবং ছায়েদুলের গ্রেফতারের কারণে তাদের দুটো সন্তানের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। আপাতত এই দুই শিশু মামার হেফাজতে রয়েছে।
আরও পড়ুন: জাপানের ‘ও-সোজি’ মডেলে ডিসি ফরিদার ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন