ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পীরগাছায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিএইচসিপি রাজিয়া


পীরগাছায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিএইচসিপি রাজিয়া

 

রংপুরের পীরগাছার দাদন কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) রাজিয়া সুলতানাকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ রবিবার বিকেলে আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২

তার গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘদিন ধরে উঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দাদন কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্ব পালনকালে রাজিয়া সুলতানা সরকারি ওষুধ বিতরণে অনিয়ম, রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, দায়িত্বে অবহেলা, বিভিন্ন সেবার নামে অর্থ আদায় এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে অনিয়ম করে আসছিলেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।

সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি ওষুধ আত্মসাৎ, রোগীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ, গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, ভাতার নামে অর্থ আদায়, নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করা এবং দীর্ঘ সময় কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রাজিয়া সুলতানার দায়ের করা একটি মামলায় গ্রামের ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এক নম্বর আসামি সুজন খান অভিযোগ করে বলেন, 'দাদন কমিউনিটি ক্লিনিকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় আমিসহ নিরীহ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলাম। এর জের ধরেই আমাদের আসামি করা হয়েছে।'

আরও পড়ুন: বরিশালে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ঘাস কাটলেন কমিশনার ও জেলা প্রশাসক

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেট উচ্চাভিলাষী, তবে মূল প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের সম্ভাবনা কম: সিপিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


বাজেট উচ্চাভিলাষী, তবে মূল প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের সম্ভাবনা কম: সিপিডি

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মানব উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি স্পষ্ট দর্শন ফুটে উঠেছে।

কিন্তু এই বাজেটের উচ্চাভিলাষী সামষ্টিক অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রাগুলো নড়বড়ে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, এবং প্রস্তাবিত রাজস্ব কাঠামোতে যেভাবে আছে, সেভাবে টিকে থাকার সম্ভাবনা কম।

রবিবার (২১ জুন) গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাজেট সংলাপ ২০২৬’-এ সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এই গবেষণা সংস্থার ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিভিউ অব বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট’ (আইআরবিডি) বিশ্লেষণটি উপস্থাপন করেন।

গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যে বাজেট পেশ করেছিলেন, সে নিয়ে এই গবেষণা সংস্থা আটটি মূল পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।

সিপিডি উল্লেখ করেছে, সরকারের সাড়ে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের প্রায় ৫ শতাংশ থেকে একটি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের দাবি প্রকাশ করে। কিন্তু বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরের প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।

রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে সিপিডি চিহ্নিত করেছে যে, সরকার রাজস্ব সংগ্রহে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যার পরিমাণ ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিপিডির নিজস্ব প্রাক্কলন অনুযায়ী গত অর্থবছরের প্রকৃত রাজস্ব আদায় হতে পারে মাত্র ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। এর অর্থ দাঁড়ায়, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে প্রকৃত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা হতে হবে প্রায় ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

গবেষণা সংস্থাটি মানবসম্পদ খাতে সরকারি ব্যয়কে নতুন করে অগ্রাধিকার দেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে, গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ১২৪ শতাংশ এবং শিক্ষা খাতে ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

কিন্তু তারা সতর্ক করে বলেছে, উভয় খাতেই দীর্ঘস্থায়ী বাজেট ব্যবহারের দুর্বলতা রয়েছে। যেমন: স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন বরাদ্দ ব্যবহারের হার ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ৮০ শতাংশ থেকে নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছর মাত্র ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সম্পর্কে সিপিডি বলেছে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বরাদ্দ (যা গত অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি) একটি উচ্চাভিলাষী আর্থিক অবস্থান প্রদর্শন করে। তবে গত বছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপির মাত্র ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশ ব্যয় করা সম্ভব হয়েছিল, যা প্রকল্প বাস্তবায়নের নিম্ন সক্ষমতারই ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকা ৮টি মেগা প্রকল্পের মধ্যে একটি প্রকল্পও সময়মতো শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।

সামাজিক সুরক্ষার বিষয়ে চলতি অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে (এসএসএনপি) বরাদ্দ ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। তবে সিপিডি লক্ষ করেছে যে, পেনশন ব্যবস্থাপনা ও কৃষি ভর্তুকি মিলেই মোট সামাজিক নিরাপত্তা বাজেটের ৪৩ দশমিক ২ শতাংশ চলে যায়, যা মূলত সরাসরি দরিদ্রদের লক্ষ্য করে নেওয়া কর্মসূচি নয়।

১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে সরকারি অঙ্গীকার রয়েছে, সে বিষয়ে সিপিডি দেখেছে, কর্মসংস্থান-সংশ্লিষ্ট প্রধান চারটি মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দ মোট ব্যয়ের অংশ হিসেবে কমেছে বা স্থবির হয়ে আছে। এর মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ একেবারে সবচেয়ে বেশি কমানো হয়েছে, যেখানে বরাদ্দ ৯০৯ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে মাত্র ৩২৯ কোটি টাকা করা হয়েছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) উত্তরণ ৩ বছর পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও উত্তরণের পর বাণিজ্য সুবিধা কমে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাজেটে মধ্যমেয়াদি রোডম্যাপের অনুপস্থিতিও সিপিডি চিহ্নিত করেছে।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘টেকসই কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে নতুন সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণের প্রথম বড় সুযোগ এই বাজেট।’ তবে এর সফলতা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়নের গুণগত মান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, বায়ুদূষণ এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একত্রিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও জানান, বিশেষ করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পূর্বে উল্লেখিত সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।

আজকের কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী আরও জানান, শব্দদূষণ লোকের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি করছে, এই বিষয়টি সমাজে আরও বেশি করে বুঝানো প্রয়োজন। শব্দদূষণের কারণে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হতে পারে, যেমন মাথাব্যথা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগের বিঘ্ন এবং অনিদ্রা। শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।

মন্ত্রী আরও বলেন, একজন চালক যে হর্ন ব্যবহার করছেন, সেটিই তার বৃহত্তম ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সড়কে অতিরিক্ত হর্নের কারণে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি প্রকল্প নেওয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিন্ন ও নিয়মিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে পারলে বাংলাদেশকে একটি শব্দদূষণমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে, বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, বিভিন্ন এলাকা পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে গুলশান, বনানী, বারিধারা এবং নিকেতন এলাকা ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছের সড়কের লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে উত্তরা স্কলাস্টিকা সেকেন্ডারি স্কুল পর্যন্ত নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ সচিবালয়, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা এবং দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক এলাকায় ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ জানান, প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৫০০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৭ হাজার ২৯৭টি মামলায় ১ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ১৫৭ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি জানান, ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ জারির মাধ্যমে ট্রাফিক সার্জেন্ট ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের ক্ষমতা প্রদান করায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রায়হান কাওছার বলেন, রেল, বিমান, যানবাহন ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতির পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হলে শব্দদূষণ কমানো সম্ভব।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। এছাড়াও বিআরটিএ'র পরিচালক (অপারেশন) মীর আহমেদ তারিকুল ওমর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালা শেষে মন্ত্রী ‘সার্ভে রিপোর্টস অন নয়েজ লেবেল মেজারমেন্ট ইন ৬৪ ডিস্টিক্স টাউন’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শ্রীবরদীতে

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ পি.এম


কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে গতকাল শনিবার (২০ জুন) স্থানীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ঊজঞ)-সদস্যদের অংশগ্রহণে মজবুত একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শেরপুর জেলা ফরিদা ইয়াসমিন।

এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ, শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল আলম, ফরেস্ট রেঞ্জার মোঃ সুমন মিয়া, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ঊজঞ-এর সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সচেতন নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে স্থানীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সচেতন, দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক ভূমিকা পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে হাতির বিচরণ এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ঊজঞ)-এর সদস্যদের কার্যকর দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের পর দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ঊজঞ সদস্যদের মাঝে জগলাইট বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক এবং সংসদ সদস্য মহোদয় সিংগাবরুণা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, শ্রীবরদীর আয়োজনে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে জিআর চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রীবরদীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীবরদীর ঢেউপা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


শ্রীবরদীর ঢেউপা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন

শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মাহমুদুল হক রুবেল গতকাল শনিবার (২০ জুন) শ্রীবরদী উপজেলার সিংগাবরুনা ইউনিয়নের মেঘাদল বাজারের সংলগ্ন ঢেউপা নদীর চান্দাপাড়া ব্রিজের পাশের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, উল্লেখ্য যে, ঢেউপা নদীর ভাঙনকবলিত অংশের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য মহোদয়ের নির্দেশনায় আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে জনসাধারণের পারাপার নিশ্চিত করা যায়। পরিদর্শনকালে নদীভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য নদীর তীর সংরক্ষণে পাকা বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরামর্শক্রমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, সংসদ সদস্য মহোদয় ও জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%