ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেফতার


নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে হোসিয়ারি শিল্পের শ্রমিক আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা শোয়াইব রহমান সোহেবসহ আরো একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বন্দর উপজেলা এনসিপির সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শোয়াইব রহমান সোহেব (৪২)। তিনি বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে, অপর আসামি হলেন বন্দর উপজেলার শাহী মসজিদ এলাকার বশিরের ছেলে মো. সুমন (৩৮)।

আরও পড়ুন: মদনে শিশু ধর্ষণ ও গর্ভধারণ মামলা, রায় ১১ নভেম্বর

শনিবার দুপুরে র‌্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার মো. নাঈম উল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় বন্দর থানার সালেহনগর এলাকায় একটি অটোরিকশার গ্যারেজে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শোয়াইব রহমানের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আলমগীর হোসেন ওই সালিশ বৈঠকে আসতে দেরি করায় তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে আসেন অভিযুক্ত ফরহাদসহ কয়েকজন। বৈঠকে আলমগীর ও তার ছেলে মুন্না, যিনি মামলার আরেক আসামি মো. জুয়েলের কাছে পাওনা টাকা চাইতে থাকেন। তবে জুয়েল টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এরপর একপর্যায়ে আলমগীরকে মারধর শুরু করেন জুয়েল। পরে তাঁকে গ্যারেজের বাইরে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৪ অক্টোবর সকালে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

হতাহত আলমগীর হোসেন বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকার মৃত সোহবান মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় তাঁর বোন কল্পনা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় হত্যার মামলা করেন। সেই মামলায় এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি হিসেবে শোয়াইব রহমান সোহেবকে এবং ১০ নম্বর আসামি হিসেবে মো. সুমনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

র‌্যাব জানায়, মামলার আসামিদের গ্রেফতারে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে শোয়াইব রহমান এবং তার সহযোগী সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ সকালে তাঁদের বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোয়াইব রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু শেষে ওই আসনে এনসিপির কেউ মনোনয়ন পাননি, যেহেতু জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিসের প্রার্থীকে আসনটি ছেড়ে দিতে হয়েছে।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মো. শওকত আলী জানান, ‘শোয়াইব রহমান বর্তমানে আমাদের দলের কোনও কমিটিতে নেই। নারায়ণগঞ্জ মহানগর এনসিপির কমিটি হওয়ার সময় তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে বিতর্কিত হওয়ায় তাকে কমিটিতে রাখা হয়নি। তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ বিদ্যমান। বন্দর উপজেলা এনসিপির পূর্ববর্তী কমিটি কে বা কারা তৈরি করেছিল, তা আমার জানা নেই। তদ্ব্যতীত সময়ে এনসিপির সমন্বয়কারী কমিটিতে ছিলেন শোয়াইব। পরে তাঁকে আর কোন কমিটিতেও রাখা হয়নি। গত ছয় মাস ধরে এনসিপির কোনও কর্মকাণ্ডে তাঁকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি।’

এনসিপি থেকে মনোনয়নপত্র পাওয়ার ব্যাপারে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে কেউ এনসিপি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারেন। এর ধারাবাহিকতায় শোয়াইবও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। পাশাপাশি আহত জুলাইযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে শোয়াইব মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিল। তবে তিনি নির্বাচন করেননি।’

আরও পড়ুন: মধুপুরে জালেমন বেগম হত্যা মামলার আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার

তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হত্যা মামলায় তার গ্রেফতারের বিষয়ে আমি জেনেছি। তিনি বর্তমানে দলের কেউ নন এবং আমাদের কোনো কমিটিতেও নেই। ফলে তার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কিছু নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বটবাহিনী দেশের জন্য বড় হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ এম


বটবাহিনী দেশের জন্য বড় হুমকি

বাংলাদেশের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী? এর উত্তরে অনেকেই অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে বলবেন, কেউবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির কথা বলবেন। কিন্তু আমাদের সকলের অলক্ষ্যে বর্তমানে একটি নতুন হুমকি দানা বাঁধছে। আমরা এই নতুন হুমকির বিষয়টি অনুভব করছি প্রতিটি মুহূর্তে। এই নতুন আপদ আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ এবং পারিবারিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে, অথচ আমরা এ সংকট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। আমরা মনে করছি, এটি আমাদের নিয়তি হয়ে গেছে। এই নতুন হুমকির মূল বিষয় হল সোশ্যাল মিডিয়ায় বটবাহিনীর সক্রিয়তা। ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের সহজলভ্যতা কারণে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এই ডিজিটাল দুনিয়া এখন শুধুমাত্র মতপ্রকাশের ক্ষেত্রই নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, জনমত নির্মাণ, বাণিজ্যযুদ্ধ এবং এমনকি চরিত্রহননের এক নতুন ক্ষেত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ দাবি করেছেন, দেশের সাইবার জগতের মোট ট্রাফিকের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই বট বা কৃত্রিম কার্যকলাপের দ্বারা সংকলিত। তিনি বলেন, এ বাস্তবতা না বুঝে সাইবার বুলিং বা অনলাইন প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করলে ভুল সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ঝুঁকি থেকে যায়। সাম্প্রতিক সময়ের অনলাইন ট্রাফিক বিশ্লেষণের তথ্যে দেখা যায়, অনলাইনে মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া এবং ইন্টারঅ্যাকশনের বড় অংশই প্রকৃত ব্যবহারকারীর নয়। অর্গানিক বনাম নন-অর্গানিক ট্রাফিক আলাদা করে চিহ্নিত করতে না পারলে সমস্যা মূল জায়গা চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। বর্তমানে, এ বটবাহিনী এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে, তারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আক্রমণ হচ্ছে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এবং ভালো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভুয়া জনমত তৈরি করছে। যেকোনো স্বনামধন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যা অপপ্রচার করে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করছে এবং নারীদের অবমাননা করে তাদের জীবন বিপন্ন করছে। এরা সংখ্যা খুব বেশি নয়, কিন্তু তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে তারা নিজেদের পক্ষে একটা বায়বীয় অনুগত বাহিনী তৈরি করেছে, যা জনগণ নয় বরং বট বা রোবট। বট আসলে কী? বট কথাটি এসেছে রোবট থেকে। এটি মূলত একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, যা ইন্টারনেটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের মতো আচরণ করার জন্য তৈরি করা হয়। যখন কয়েক হাজার বা লক্ষাধিক ভুয়া প্রোফাইলকে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে বলা হয় বট আর্মি বা বটবাহিনী। যেমন, নির্দিষ্ট কাউকে গালি দেওয়া, প্রোপাগান্ডা ছড়ানো বা কারো প্রশংসা করা। এরা মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হল অটোমেটেড এবং অপরটি হল হিউম্যান ট্রল আর্মি। অটোমেটেড বা স্বয়ংক্রিয় প্রকারের বটগুলো হলো সম্পূর্ণ কম্পিউটারচালিত। যখনই তারা নির্দিষ্ট যে কোনো কি-ওয়ার্ড দেখবে, তখনই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মন্তব্য করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা দেশের নাম লিখে পোস্ট করেন, তাহলে প্রোগ্রাম করা বটগুলো সঙ্গে সঙ্গে সেখানে গিয়ে আগে থেকে সেট করা মন্তব্য পেস্ট করে দেবে। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে যুক্ত বটগুলো আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তারা কেবল কপি-পেস্ট নয়, বরং মানুষের মতো করে এসে প্রাসঙ্গিক এবং আলাদা আলাদা মন্তব্য লিখতেও সক্ষম। অপরদিকে, হিউম্যান ট্রল আর্মি আসলে মানুষ, কিন্তু তারা ভুয়া আইডি ব্যবহার করে। এদের টাকা দিয়ে বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিয়োগ করা হয়ে থাকে। একেকজন মানুষ ১০-২০টি আইডি নিয়ন্ত্রণ করে। যখন নির্দেশ পেয়ে যায়, তখন তারা নির্দিষ্ট লিংকে গিয়ে দল বেঁধে আক্রমণে লিপ্ত হয়। প্রযুক্তিগতভাবে এরা বট না হলেও সাধারণ মানুষের কাছে এরা বটবাহিনী নামেই অধিক পরিচিত। এই বটবাহিনী সাধারণত তিনটি কৌশলে কাজ করে। প্রথমত, যেকোনো একটি ঘটনা ঘটার পর জনমত কোন দিকে যাবে, তা এরা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। শত শত পজিটিভ বা নেগেটিভ মন্তব্য করে সাধারণ মানুষের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। দ্বিতীয়ত, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানি করতে এদের লেলিয়ে দেওয়া হয়। যখন হাজার হাজার ভুয়া আইডি থেকে একই ভাষায় গালি বা অপবাদ দেওয়া হয়, তখন সাধারণ মানুষ সেটিকে সত্যি বলে মনে করে। তৃতীয়ত, কোনো পেজ বা আইডি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য এরা একসঙ্গে হাজার হাজার রিপোর্ট করে। ফলে ফেসবুক বা অন্য মাধ্যমের অ্যালগরিদম বিভ্রান্ত হয়ে গিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইডিটি ব্লক করে দেয়। মেটা বা ফেসবুকের ভাষায় এ ধরনের কাজকে কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেনটিক বিহেভিয়ার বলা হয়। তাহলে কীভাবে বট চেনা যায়? বট শনাক্ত করার কিছু পেশাদার উপায় রয়েছে। যেমন, কোনো নিউজ বা পোস্ট যখন পাবলিশ হওয়ার মাত্র ৫ সেকেন্ডের মধ্যে যদি ১০০ বা তার বেশি মন্তব্য চলে আসে, তবে যেনে নেওয়া যায় যে এটি বটের কাজ। কেননা একজন রক্তমাংসের মানুষের পক্ষে এত দ্রুত পড়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। আবার ১০-১৫ জন আলাদা মানুষের মন্তব্য যদি হুবহু একই রকম থাকে, তখন বুঝতে হবে তা বটের কাজ। এর বাইরে, বটদেও আইডিতে সাধারণত কোনো ব্যক্তিগত জীবন বা আসল পরিচয় থাকে না। প্রোফাইল পিকচার হয়ে থাকে কোনো সেলিব্রিটির ছবি, ফুল অথবা পাখির ছবি। টাইমলাইনে নিজের কোনো পোস্টের পরিবর্তে কেবল শেয়ার করা পোস্ট থাকে এবং আইডির ফলোয়ার বা ফ্রেন্ডলিস্টে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। দেশের জন্য হুমকি- বটবাহিনী গণতন্ত্রের জন্য বর্তমানে বড় হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। তারা সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রচার করতে সক্ষম। সরকারের কোনো ভালো সিদ্ধান্ত তারা পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করতে পারে। সরকারের কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির উক্তি তারা বিকৃত করে প্রচার করে জনগণের কাছে তার মর্যাদা হত্যার চেষ্টা করতে পারে। কোনো রাজনৈতিক ঘটনা, আন্দোলন বা সংবেদনশীল সংবাদ প্রকাশের পর মুহূর্তেই হাজার হাজার অভিন্ন মন্তব্য, একই ধরনের ভাষা ও একই সুরের প্রচারণা দেখা যায়। এতে সাধারণ ব্যবহারকারীদের অনেকেই মনে করেন, যেন পুরো সমাজ একটি নির্দিষ্ট মতের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছে। অথচ বাস্তবে এ জনমতের ঢেউয়ের একটি বড় অংশই কৃত্রিম সেটি। বিশেষ কাউকে বা প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানি করার জন্য এদের লেলিয়ে দেওয়া হয়। যখন হাজার হাজার ভুয়া আইডি থেকে একই ভাষায় গালিগালাজ বা অপবাদ দেওয়া হয়, তখন সাধারণ মানুষ অনেক সময় বিভ্রান্ত হয়ে সেটিকে সত্যি মনে করে। এটি অনেক সময় ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার বা তথ্যযুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। আমাদের সমাজে ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি বা তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি এখনো দুর্বল কারণে বটনির্ভর প্রচারণা খুব সহজেই মানুষের আবেগ, রাজনৈতিক বিশ্বাস ও সামাজিক বিভাজনকে প্রভাবিত করতে পারে। এই বটবাহিনীর উল্লেখযোগ্য শক্তি কেবল প্রযুক্তি নয়, বরং মানুষের মনস্তত্ত্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যখন শত শত অভিন্ন মন্তব্য দেখা যায়, তখন সাধারণ ব্যবহারকারীর মনে এমন ধারণা তৈরি হয় যে এটি হয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘ব্যান্ডওয়াগন ইফেক্ট’। রাজনৈতিক যোগাযোগের ভাষায় এর নাম ‘অ্যাস্ট্রোটার্ফিং’; অর্থাৎ কৃত্রিমভাবে এমন পরিবেশ তৈরি করা, যাতে মনে হয় এটি স্বতঃস্ফূর্ত জনমত। প্রকৃতপক্ষে, এটি একধরনের ডিজিটাল প্রতারণা। এমনকি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মব তৈরির আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে তাকে বিতর্কিত বা হত্যাযোগ্য করার কাজটিও বটের মাধ্যমে করা হয়। বাংলাদেশের বটবাহিনীর দাপট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই কৌশল বর্তমানে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রথমে ডিপফেক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট উৎপন্ন করা হচ্ছে, পরে সেটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে বট ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সত্য ও মিথ্যার সীমারেখা ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ধীরে ধীরে এমন এক জায়গায় পরিণত হচ্ছে, যেখানে তথ্যের চেয়ে প্রোপাগান্ডা অধিক প্রভাবশালী। এই বট সংস্কৃতি সমাজে বিষাক্ততা বাড়াচ্ছে, মতপ্রকাশের পরিবেশ সংকুচিত করছে এবং তথ্যের প্রতি মানুষের আস্থা ধ্বংস করছে। গণতন্ত্র শুধুমাত্র ভোটের ওপর দাঁড়িয়ে নেই; এটি দাঁড়িয়ে আছে মুক্ত মতপ্রকাশ, সত্য তথ্য এবং সচেতন নাগরিকের ওপর। হরতাল, সহিংসতা বা প্রতিপক্ষের কণ্ঠরোধ যেভাবে গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর, ঠিক একইভাবে কৃত্রিম জনমত তৈরির এই ডিজিটাল সংস্কৃতিও সমান বিপজ্জনক। কারণ এটি মানুষের স্বাধীন চিন্তাশক্তিকে প্রভাবিত করে এবং বিভ্রান্তিকে সত্যের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। এই সংকট মোকাবেলার জন্য কয়েকটি একটি পদক্ষেপ জরুরি। প্রথমত, মেটা, গুগলসহ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে বাংলা ভাষা ও স্থানীয় বাস্তবতায় বোঝার সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশের জন্য এখনই মেটা, গুগলসহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। তারা যেন বাংলাদেশে অফিস কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয়ত, সংঘবদ্ধ ডিজিটাল অপপ্রচার ও ট্রল ফার্মের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অবিলম্বে এই আইনগুলো প্রণয়ন করা দরকার। এরপরেও যদি এই ব্যবস্থা করা না হয়, তবে দেশের গণতন্ত্র ক্ষতির শিকার হবে। জনমত প্রতিষ্ঠার পন্থাগুলো বাধাগ্রস্ত হলে আইন ও বিচার খুবই দুর্বল হয়ে পড়বে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি। দেশের স্কুল ও কলেজগুলোতে থেকেই তথ্য যাচাই, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণের শিক্ষা দিতে হবে। সরকারকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দেশের জনগণের অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে, নাকি বটবাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে তথ্য অধিকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দের লড়াকু পারফরম্যান্সে মুগ্ধ আনচেলত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দের লড়াকু পারফরম্যান্সে মুগ্ধ আনচেলত্তি

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ৩২–এর ম্যাচে কেপ ভার্দের লড়াই ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে হারলেও, এবারের বিশ্বকাপের নবাগত দলটি ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছে। কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের প্রতিরোধ নজর কেড়েছে আর্জেন্টিনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তিরও।

ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার শেষ ষোলোর ম্যাচকে সামনে রেখে নিয়মিত ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ আনচেলত্তি। সেখানেই আলোচনা উঠে আসে কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার কঠিন লড়াইয়ের পর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার বিষয়টি।

আনচেলত্তি বলেন, 'কে ভেবেছিল আর্জেন্টিনা কেপ ভার্দের বিপক্ষে এতটা সমস্যায় পড়বে? কেউই না। কিন্তু আধুনিক ফুটবল এখন এমনই। শক্তিশালী দলগুলোকেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়।'

তিনি কেপ ভার্দের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, 'আর্জেন্টিনা খুব ভালোভাবে প্রস্তুত একটি দলের বিপক্ষে খেলেছে। এতে আর্জেন্টিনাকে ছোট করা হচ্ছে না। কেপ ভার্ডে, তাদের খেলোয়াড় এবং কোচ; সবাই দারুণ একটি ম্যাচ উপহার দেওয়ার জন্য অভিনন্দনের দাবিদার।'

এরপর নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আনচেলত্তি জানান, জাপানের বিপক্ষে চোট পাওয়া লুকাস পাকেতার বিকল্প নিয়ে এখনও ভাবছেন। গত শনিবারের (৪ জুলাই) অনুশীলনে পাকেতার জায়গায় খেলেছেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি, যার ফলে দল আক্রমণভাগে চার খেলোয়াড় নিয়ে খেলার কৌশলে অনুশীলন করেছে।

তিনি বলেন, 'পাকেতার মতো আরেকজন খেলোয়াড় আমাদের দলে নেই। দানিলো ও মার্তিনেল্লি দুজনই ভিন্ন ধরনের ফুটবলার। প্রতিপক্ষের শক্তি, আমাদের পরিকল্পনা এবং দলের খেলার ধরন বিবেচনা করেই আমি সিদ্ধান্ত নেব।'

নরওয়েকে নিয়ে আনচেলত্তির মূল্যায়নও ছিল সতর্ক। তিনি বলেন, 'তারা আক্রমণে অত্যন্ত মানসম্পন্ন দল এবং ভারসাম্যপূর্ণ ফুটবল খেলে। তাদের বিপক্ষে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ গড়া কঠিন, কারণ মাঝমাঠে তাদের নিয়ন্ত্রণ খুব ভালো। অবশ্যই আমি বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত, তবে উদ্বিগ্ন নই। ম্যাচে কী হতে পারে, তা নিয়ে চিন্তা করা স্বাভাবিক। তবে আমি আত্মবিশ্বাসী এবং আশা করি আগামীকালও আমরা আরও উন্নতি করব।'

টুর্নামেন্টে ইতোমধ্যে পাঁচ গোল করা আর্লিং হালান্ডকে থামানোর পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, 'গ্যাব্রিয়েল (মাগালহায়েস) বা মারকিনিয়োসকে হালান্ডের বিপক্ষে কীভাবে খেলতে হবে, সেটা আমাকে আলাদা করে বুঝিয়ে দিতে হবে না। গ্যাব্রিয়েল তো তার বিপক্ষে বহুবার খেলেছে।'

চোট কাটিয়ে ফেরা রাফিনিয়াকে নিয়েও ইতিবাচক খবর দেন ব্রাজিল কোচ। 'রাফিনিয়া খুব ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। সে এখনও শতভাগ ফিট নয়, তবে বেঞ্চে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে কিছু সময় খেলতে পারে। সে খুব দ্রুত এবং ভালোভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছে। এতে আমরা আনন্দিত, কারণ সে দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়,'–আনচেলত্তি যোগ করেন।

সবশেষে নেইমারকে নিয়ে আনচেলত্তি বলেন, 'সে দারুণ আচরণ করছে। সে ভদ্র, বিনয়ী এবং সতীর্থদের কাছে খুবই প্রিয়। সে গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়, কারণ তার অসাধারণ গুণগত মান রয়েছে এবং সে খুব নম্র। আমি তাকে নিয়ে খুবই খুশি। অবশ্যই সে খেলতে চায়, যেমন সব সময়ই চেয়েছে। সে মুখে বলে না, 'আমি খেলতে চাই', কিন্তু সেটা স্পষ্ট এবং সেটি ইতিবাচক। কোনো খেলোয়াড়ই বেঞ্চে বসে থেকে খুশি থাকতে পারে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে ৯ বাংলাদেশিসহ ৫৪ অভিবাসী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে ৯ বাংলাদেশিসহ ৫৪ অভিবাসী আটক

পোল্যান্ডে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় ৯ বাংলাদেশিসহ ৫৪ জন অভিবাসীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের মধ্যে রয়েছে ১৫ জন আফগান ও ৩০ জন পাকিস্তানি নাগরিক।

শুক্রবার (৩ জুলাই) পোলিশ পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ বিষয়টি জানায়। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিবাসীরা লিথুয়ানিয়া সীমান্ত দিয়ে পোল্যান্ডে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আটককৃতদের লিথুয়ানিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশ অভিযানের সময় তোলা কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেছে, যেখানে আটক অভিবাসীদের একটি ধাতব কনটেইনারের ভিতরে বসে থাকতে দেখা যায়।

ইউরোপজুড়ে যেসব অভিবাসন আইন কঠোর করা হয়েছে এবং পুনর্বাসন কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপমুখী অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানে অর্থনৈতিক সংকট, বেকারত্ব, নিরাপত্তাহীনতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে অনেক তরুণ উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এসব যাত্রায় তাদের অনেকেই মানবপাচার, সহিংসতা, আটক এবং জীবনহানির মতো গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের পর থেকে প্রায় ৮০ লাখ আফগান দেশ ত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশে পৌঁছেছেন, যাদের বেশিরভাগই অনিয়মিত অভিবাসন পথ ব্যবহার করেছেন। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে অভিবাসনের পথে অন্তত ৫ হাজার ৪৬ জন আফগান মারা গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপ এখন তৃতীয় বিশ্বের পথে এগোচ্ছে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


ইউরোপ এখন তৃতীয় বিশ্বের পথে এগোচ্ছে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপের অভিবাসন নীতির ব্যাপারে তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার খেসারত দিচ্ছে ইউরোপ। তাছাড়া, তিনি আরও বলেছেন যে, তার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া আমেরিকার জন্য একেবারে সঠিক সময়ে হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেছেন, ইউরোপ এখন শিখতে শুরু করেছে যে, যখন আপনি তৃতীয় বিশ্বের অপরাধীদের আশ্রয় দেবেন, তখন আপনি অবশেষে নিজেই একটি তৃতীয় বিশ্বের দেশে পরিণত হয়ে যাবেন।

এর আগে ট্রাম্প ইতিমধ্যেই যুক্তি দিয়েছিলেন যে, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে ব্যাপক অভিবাসন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করে তুলতে পারে। তার পোস্টে, তিনি নিজের রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ উল্লেখ করেছেন এবং অভিবাসন ও জাতীয় পরিচয়ের ওপর তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

অভিবাসনের প্রসঙ্গ ছাড়াও, ট্রাম্প সম্প্রতি ফেডারেল বিচারকদের বিরুদ্ধেও তীব্র সমালোচনা করেছেন। গত ৮ জুন এইচ-১বি ভিসার ওপর তার প্রশাসনের আরোপিত ১ লক্ষ মার্কিন ডলার ফি আদালত বাতিল করার পর, তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘উন্মাদনাপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন। উল্লেখযোগ্য, এই ভিসা ব্যবস্থার আওতায় মার্কিন সরকার প্রতি বছর সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৬৫,০০০ এবং উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০,০০০ কর্মীকে কাজের সুযোগ দেয়।

এছাড়া, গত এপ্রিল মাসে ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনেরও কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করে যুক্তি দেন যে, কিছু অভিবাসী তাদের সন্তানদের আমেরিকার নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার জন্য গর্ভাবস্থার শেষ দিকে আইনটির অপব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%