০৮:৪৪ পি.এম
ভিয়েতনামে বিধি-বহির্ভূতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জরিমানা পরিশোধ করে বৈধ প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এ আহবানটি করেছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) শুক্রবার, দূতাবাস একটি বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, দেশে ফিরতে ইচ্ছুক যে কোনও ব্যক্তিকে নিজ উদ্যোগে নিকটস্থ পুলিশ স্টেশন বা ইমিগ্রেশন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে রিপোর্ট করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রিপোর্ট করার পর, ভিয়েতনামের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত জরিমানার পরিমাণ উল্লেখ করে একটি সরকারি পত্র প্রদান করবে। ওই পত্রে ব্যাংক হিসাবে জরিমানার অর্থ জমা দেওয়ার পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা এক্সিট পাস সংগ্রহের মাধ্যমে নিজ পাসপোর্ট ব্যবহার করে বাংলাদেশে ফেরা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে
এছাড়াও, দূতাবাস জানায় যে, এ বিষয়ে কোনো মধ্যস্থতাকারী বা তৃতীয় পক্ষের সহায়তা নেওয়া সম্পূর্ণভাবে বিরত রাখতে হবে। বাংলাদেশি বা ভিয়েতনামের কোনো ব্যক্তি কিংবা দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ অথবা অর্থ লেনদেন করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি বাংলাদেশে পাঠানোর আশ্বাস প্রদান করে, এমনকি দূতাবাসের নাম ব্যবহার করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সকলকে এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।
দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পাসপোর্ট না থাকলে কেবল প্রয়োজন ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করাই তাদের দায়িত্ব। এটি উল্লেখযোগ্য যে, সরকারি ফি ১০ মার্কিন ডলার হলেও আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় অনেক সময় তা মওকুফ করা হয়ে থাকে। অতএব, জরিমানার পুরো অর্থ সরাসরি ভিয়েতনাম সরকারের কোষাগারে জমা দিতে হয়।
যদি কেউ কোনো ধরনের প্রতারণার তথ্য অথবা অভিযোগ পায়, তবে উপযুক্ত প্রমাণ সহ দূতাবাসের ই-মেইল [email protected]এ পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন