ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, আশার পালে নতুন হাওয়া


সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, আশার পালে নতুন হাওয়া

দ্বীপজেলা ভোলা। ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ দ্বীপ জেলা ভোলা সকল দিক থেকে পূর্ণতা পেলেও সড়কপথে অপূর্ণতা রয়েছে। জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা নদীপথের উপর নির্ভরশীল হয়ে আছে।

অতএব, উন্নত চিকিৎসা, উচ্চ শিক্ষা, এবং অন্যান্য সুবিধা থেকে এখানকার সাধারণ বাসিন্দাদের বঞ্চিত থাকতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

জেলায় রাতের অন্ধকার নেমে এলেই, দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস, কৃষিসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র সড়কপথের অভাবে এখানকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা আসছে না। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে এখানকার বাসিন্দারা, কিন্তু সড়কপথে সংযুক্ত হতে তারা পরিধি ভেদ করতে পারেনি।

গত শনিবার (২২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলাকে মহাসড়কে সংযুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পর দ্বীপবাসী নতুন করে সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নের সম্ভাবনা দেখতে শুরু করেছে। তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি দ্রুত এই ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মেঘনা, তেঁতুলিয়া এবং বঙ্গোপসাগর দ্বারা পরিবৃত একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা। কৃষিপণ্য ও রূপালী ইলিশ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে এই জেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

সূত্র জানাচ্ছে, স্বাধীনতার পর থেকেই ভোলা-বরিশাল সড়ক যোগাযোগের জন্য আন্দোলন করে আসছে দ্বীপের জনগণ। তাদের দাবির ভিত্তিতে ভোলা-বরিশাল রুটে সেতু নির্মাণের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ পূর্ববর্তী সরকার নিয়েছিল। তবে আশ্বাস এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মধ্যেই সেতুর কার্যক্রম থেমে আছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ‘বরিশালের রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা’ রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন দ্বীপকে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণায় স্বপ্ন বাস্তবায়নের নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

ভোলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ‘রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের জন্য নতুনভাবে সাড়ে ২১ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করতে হবে। জেলার রহমতপুর থেকে মেহেন্দীগঞ্জ পর্যন্ত ১৮ ফুট চওড়া ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক রয়েছে, যা ৩৪ ফুট প্রশস্ত করা হবে। নদী পারাপারের জন্য এই সড়কের ভোলার ইলিশা চ্যানেলে এক হাজার ৪০০ মিটার এবং হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের মাঝকাজি এলাকায় এক হাজার ৩০০ মিটার তিনটি সেতু নির্মাণ করতে হবে।

এভাবে যুক্ত হতে পারলে ভোলা থেকে শরীয়তপুর ও ঘোষের হাট হয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটার কমবে। বর্তমানে ভোলা থেকে লাহারহাট হয়ে বরিশালের দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। আর প্রস্তাবিত ‘রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ-ভোলা’ মহাসড়কের দূরত্ব হবে ৭৫ কিলোমিটার, যার বাস্তবায়ন সময় লাগবে চার থেকে পাঁচ বছর।

ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলা ও বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জকে মহাসড়কের আওতায় আনতে চাচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর। বহু বছর ধরে আমরা ভোলা-বরিশাল সড়ক যোগাযোগ থেকে বঞ্চিত।’

গোলাম নবী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আমরা অর্থনৈতিকভাবে আরও এগিয়ে যাব। কিন্তু আমরা ভোলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোলা-বরিশাল সেতুর জন্য আন্দোলন করছি। সরকারও ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে। আমার মতে, ভোলা-বরিশাল সেতুর কাজটি আগে হওয়া উচিত, তারপর অন্য সড়ক নিয়ে চিন্তা করা যাবে।’

আরও পড়ুন: পানির মধ্যেই ঢালাই, বের হয়ে গেছে রড: কাঠালিয়ায় বিএডিসির স্লুইসগেট নির্মাণে অনিয়ম

ভোলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম জানান, ভোলা দ্বীপ জেলা হওয়ার কারণে এটি জাতীয় মহাসড়ক নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন। ভোলা জেলাকে মেহেন্দীগঞ্জের সাথে যুক্ত করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। হিজলা উপজেলার সঙ্গে বরিশালের রহমতপুরের সড়ক যোগাযোগ বর্তমানে বিদ্যমান।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পেশ করা হয়েছে। আমরা এ কাজ করতে যাচ্ছি। খুব দ্রুত বিস্তারিত জরিপ এবং অন্যান্য কাজ শুরু করবো। আশা করছি এটি ভোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ হিসেবে গণ্য হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা, গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া ও নুতন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


কলাপাড়ায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা, গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া ও নুতন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬ এবং ৫৩ তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬ ও নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২০২৭ এর জন্য প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি সোমবার ২৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন পায়রায় অনুষ্ঠিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা ক্রীড়া অফিসার মনিরুজ্জামান মুন্না, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আকরাম হোসেন, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার মো.মনিরুজ্জামান খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো.ফখরুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংগঠক সাইফুল আরা বায়জিদ, বাংলাদেশ নারী হকি টিমের সাবেক খেলোয়াড় পারভিন আক্তার।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন খেপুপাড়া নেছার উদ্দিন কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো.নাসির উদ্দিন, খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক আবদুর রহিম, মহিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বি:প্রধান শিক্ষক ভানিকান্ত, হাজিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজালাল মুন্সী, ধানখালী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক তারেক আমান সুমন, এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় উপজেলার সকল কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং ক্রীড়া শিক্ষকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


ভূরুঙ্গামারীতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এ অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি, ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবনে উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা জোগাতে পরিচালিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে, সকাল সাড়ে ৯টায়, ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে উপজেলা অঙ্কুর কালচারাল সেন্টারে সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মোটিভেশনাল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ‘মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র প্রতিনিধিরা। তাঁরা সময়ের যথাযথ ব্যবহার, অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণের উপরে গুরুত্বারোপ করেন।

ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ফখরুজ্জামান জেটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কর্মকর্তা ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. মাহমুদুল ইসলাম সেলিম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বুলবুল, ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও ‘মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র স্বপ্নদ্রষ্টা অধ্যাপক ডা. মেফতাউল ইসলাম মিলন, ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক, সম্মিলিত শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও সোনাহাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বাবুল আক্তার, এবং ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মাহমুদুল ইসলাম সেলিম বলেন, “জিপিএ-৫ পাওয়া জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, তবে এটিই চূড়ান্ত সাফল্য নয়। ভবিষ্যতে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিয়মিত পড়াশোনা, সময়ানুবর্তিতা ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।” তিনি দেশের উন্নয়নে মেধাবী শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ফখরুজ্জামান জেট বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়াও সমাজের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষক ও তাঁদের অভিভাবকেরা ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটিকে এমন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তাঁরা একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে, জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বছর পর নৌকাবাইচ, অনুষ্ঠিত হবে ১২ সেপ্টেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বছর পর নৌকাবাইচ, অনুষ্ঠিত হবে ১২ সেপ্টেম্বর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আয়োজন উপলক্ষে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে একটি সভার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

নৌকাবাইচ শুরু করার পরিকল্পনা সকাল ১১টা থেকে। দুই বছর পর জেলা মধ্যে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

নৌকাবাইচ আয়োজিত হবে কি না, সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করায় জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, 'সিলেটের একটি বিষয় শুনেছি। এখানে কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না, কিছুই হবে না।'

নৌকাবাইচ সফল করার জন্য জেলা প্রশাসক সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ। সভায় সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসাইন আকন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানিম সাহেদ রিপন, সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য, আল আমিন শাহীন এবং অ্যাডভোকেট মো. ইসহাক সহ আরও অনেকেই।

সভায় বক্তারা বলেন, 'ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংস্কৃতির শহর।

চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। তবে নৌকাবাইচ আয়োজনের কেন্দ্র করে উসকানিমূলক কোনো কর্মকাণ্ডের অনুমতি নেই।'

সভায় আরও জানানো হয়, নৌকাবাইচে অংশগ্রহণকারীরা নৌকায় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন না। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নাচানাচিও করা যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনস্বার্থের বাইরে বিএনপি কোনো কাজ করবে না : ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


জনস্বার্থের বাইরে বিএনপি কোনো কাজ করবে না : ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রী শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। সরকাররের কর্মকাণ্ড ও কর্মসূচি সম্পর্কে তাদের অবহিত করতে হবে।

তিনি বলেন, 'নেতাকর্মীরা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে কেউ অনৈতিক চিন্তা করার সুযোগ পাবে না।'

আজ সোমবার, রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, 'সরকারের প্রতিটি কাজ, কর্মকাণ্ড ও বাস্তবায়নাধীন কর্মসূচির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছেন। তাই জনস্বার্থের বাইরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কোনো কাজ করবে না।'

তিনি বলেন, বিএনপি একটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের কাছে যে অবস্থান তৈরি করেছে, তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছে। তারা নারীর ক্ষমতায়ন ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যে ব্যাপক কাজ করেছেন, সেগুলোই BNP এর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।

রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেন, এখন তাদের সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন, যা জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দলের নেতাকর্মীরা এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন এবং তা জনগণের কাছে তুলে ধরবেন। এর ফলে বিএনপির জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাবে।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সারাদেশে যারা দলের নাম ভাঙিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারেন, তাদের সতর্ক হতে হবে। আপনারা অনৈতিক কাজে যুক্ত না হয়ে গঠনমূলক কাজে যুক্ত থাকবেন এবং দলের শক্তি বাড়াবেন। একই সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ইউনিয়ন, উপজেলা, থানা এবং জেলা পর্যায়ের নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন। দলীয় প্রতীকে এখন আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দল-সমর্থিত প্রার্থীকেই সমর্থন দেবেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'এত অপপ্রচার, চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের পরও জরিপে বিএনপির জনপ্রিয়তা প্রায় ৫৪ থেকে ৫৬ শতাংশ। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা আরও বেশি, ৬৫ থেকে ৬৬ শতাংশ।'

তিনি বলেন, 'জনগণের পক্ষে, জনগণের স্বার্থে এবং জনগণের জন্য কাজ করলে সেই দলের সরকার কখনো ব্যর্থ হবে না। সেই সরকার জনগণমুখী সামাজিক সরকার হিসেবে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে।'

এর আগে রিজভী দলের নেতাকর্মী ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ করেন এবং তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

এ সময়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%