ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চতুর্থ বিশ্বকাপে ‘ছোট্ট ছেলের মতো’ অনুভূতি সনের


চতুর্থ বিশ্বকাপে ‘ছোট্ট ছেলের মতো’ অনুভূতি সনের

দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক সন হিউং-মিন জানিয়েছে, চারবারের বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা থাকার পরেও আবেগের জায়গায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রবেশ করার অনুভূতি তার জন্য প্রতিটি বারই নতুন এবং এখনো তিনি নিজেকে ছোট্ট ছেলের মতোই অনুভব করেন।

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দক্ষিণ কোরিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে। এশিয়ার অন্যতম অভিজ্ঞ দলে ৩৩ বছর বয়সী সন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৪ ম্যাচে ৫৬ গোল করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সন এখন তার চতুর্থ আসরের অপেক্ষায় আছেন। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তার খেলা ১১ ম্যাচে গোল ৩টি এবং অ্যাসিস্ট ১টি।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

যৌক্তিকতার কারণে দীর্ঘদিন ইউরোপের ফুটবলে খেলার পর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব লস অ্যাঞ্জেলেস এফসিতে খেলেন তিনি। তার অভিজ্ঞতা ও ফর্মকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ কোরিয়া দল ভালো কোনো কিছুর স্বপ্ন দেখছে।

আগামী শুক্রবার চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। এ ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে সন বলেন, "বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা যতবারই হোক, অনুভূতি সব সময় একই থাকে।"

তিনি আরও বলেন, "বিশ্বকাপে ফিরতে পেরে আমি খুব খুশি। এটা আমার প্রথম হোক বা চতুর্থ, আমি এখনও সেই ছোট্ট ছেলেটির মতোই অনুভব করি। বিশ্বকাপ আমার কাছে স্বপ্নের মঞ্চ।"

অতীতে পাওয়া অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তিনি বলেন, "আমরা অতীত থেকে শিখেছি। কাতার বিশ্বকাপে আমাদের ভালো ও খারাপ দুই অভিজ্ঞতাই ছিল। এখন আমরা আরও পরিণত ও অভিজ্ঞ দল।”

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে আগের ব্যর্থতা নিয়ে বেশি চিন্তিত না হয়ে সন বলেন, "প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এক ম্যাচ করে সামনে এগোব।"

দক্ষিণ কোরিয়ার ‘এ’ গ্রুপের অন্যান্য দুই প্রতিপক্ষ হলো মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর আয়ারল্যান্ডে জাতিগত দাঙ্গা, পাঁচ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


উত্তর আয়ারল্যান্ডে জাতিগত দাঙ্গা, পাঁচ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ

উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে এক ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা ও অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে শহরে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এর মধ্যে একটি বাংলাদেশি পরিবারের বাড়ি ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ এসে তাদের এক মিনিটের মধ্যে বের হওয়ার নির্দেশ দেয়।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৮ জুন সোমবার, যখন বেলফাস্টের শেতাঙ্গ বাসিন্দা স্টিফেন ওগিলভিকে ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে সুদান থেকে আসা একজন অভিবাসী। এই ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত জাতিগত বিদ্বেষের রূপ ধারণ করে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বেলফাস্টজুড়ে দাঙ্গা শুরু হয়। শুরুতে রাস্তাঘাট, দোকান, গাড়ি, বাসে অগ্নিসংযোগ করা হলেও রাতের দিকে সহিংসতা অভিবাসীদের বাড়িঘরকে টার্গেট করে। প্রথম রাতে ১৩টি বাড়ির বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে তাদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশি এক পরিবারের বাসায় হামলা চালায় ২৫-৩০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি।

এই পরিবারের মালিক আব্দুল আলিম জানান, রাত ৯টার দিকে প্রথমে তাদের বাসায় আক্রমণ করে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। পুলিশকে কল করা হলে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর এসে তাদেরকে এক মিনিটের মধ্যে বাসা থেকে বের করে অন্য এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে রাখে। সেখানে দুই বেডরুমের ফ্ল্যাটে তিন পরিবারের আটজন সদস্য রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, "ভয়াবহ অবস্থা চারদিকে। আমরা প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। মনে হচ্ছে আমাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।"

পুলিশ জানিয়েছে, এক সুদানী নাগরিকের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দা স্টিফেন ওগিলভিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। হামলায় গুরুতর আহত ওই ব্যক্তি একটি চোখ হারিয়েছেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। পরে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি, বাস ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং অভিবাসী পরিবারগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা পুলিশ ও জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সহিংসতার মূল কারণ শুধুমাত্র ছুরিকাঘাতের ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক বছরে অভিবাসন বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক অসন্তোষ এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উসকানিমূলক তথ্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, "একটি অপরাধের দায় কোনও নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠী বা অভিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো উচিত নয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘পিদ্দী’ ছবিতে শরীর প্রদর্শন বিতর্কের মাঝে ফাঁস জাহ্নবীর অঙ্কের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে আলোচনা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


‘পিদ্দী’ ছবিতে শরীর প্রদর্শন বিতর্কের মাঝে ফাঁস জাহ্নবীর অঙ্কের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে আলোচনা!

‘পিদ্দী’র জন্য জনপ্রিয় অভিনেত্রী জাহ্নবী কপূর নাকি আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক পেয়েছেন। তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক নাকি ‘পিদ্দী’ ছবিটিই দিয়েছে।

এই ছবি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে রয়েছে। ছবিতে রাম চরণের বিপরীতে জাহ্নবী অভিনয় করেছেন। কিন্তু তাঁর শরীরকেই নাকি চরিত্রের থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগও উঠেছে। শ্রীদেবী-কন্যা নিজের অজান্তেও সেই অভিযোগে সম্মতি জানিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য, ‘পিদ্দী’ ছবির জন্য তিনি নাকি আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক পেয়েছেন। এই পারিশ্রমিক তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে বড় অঙ্কের।

‘পিদ্দী’ বিতর্ক নিয়ে অনেক তারকা মুখ খুলেছেন। অনেকে জাহ্নবীর সমর্থন জানিয়েছে। এর পরেই ছবির পরিচালক বুচি বাবু সানা ক্ষমা জানিয়েছেন। এমনকি, বিতর্কিত কিছু অংশ ছবির থেকে বাদও দেওয়া হয়েছে। নির্মাতাদের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, এই ছবির জন্য জাহ্নবীকে ৮ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে। ওই সূত্রের কথায়, “জাহ্নবীর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক এটাই।” জাহ্নবী ছবির সেটে খুব পেশাদার ছিলেন। ‘দেবারা’ ছবির জন্য তিনি ৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন যা থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি তিনি ‘পিদ্দী’তে পেয়েছেন।

প্রথমে ‘দেবারা’, এরপর ‘পিদ্দী’। দুটি ছবিই তেলুগু ইন্ডাস্ট্রিতে সফল। সূত্র জানায়, জাহ্নবীকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই ইন্ডাস্ট্রিতে। তাঁদের মন্তব্য, “জাহ্নবী ছবিতে থাকলে সেটি সফল। তাই তেলুগু চলচ্চিত্রজগতে ওঁকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।” এই কারণে জাহ্নবীর কাছে পরপর বেশ কিছু তেলুগু ছবির প্রস্তাব যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, অল্লু অর্জুনের ছবি ‘রাকা’তেও জাহ্নবীকে দেখা যাবে। এছাড়াও, অন্যান্য তেলুগু ছবিতেও তিনি অভিনয় করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সেই ছবিগুলিতে কি শুধুই ‘স্বল্পবসনা সুন্দরী’র চরিত্রে জাহ্নবী? সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ছবিগুলিতে জাহ্নবী গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে। শুধুমাত্র সৌন্দর্য যোগ করার জন্য অভিনেত্রীকে নায়কের পাশে রাখা হবে, এমন নয়।

‘পিদ্দী’ নিয়ে চলা বিতর্কে সরাসরি এখন পর্যন্ত জাহ্নবী কোনও মন্তব্য করেননি। তবে এক অনুরাগীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের স্ক্রিনশট সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। আনন্দবাজার ডট কম সেই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি। স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছিল, জাহ্নবী ছবিতে যে ভাবে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তা নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট নন তিনি। এক জায়গায় জাহ্নবী আক্ষেপ করে জানান, বক্ষবিভাজিকার শট নেওয়া হয়েছে তাঁর অজান্তেই। তিনি মন্তব্য করেন, “ওরা বলবে, মুখের ‘ক্লোজ়আপ’ শট নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ওরা নেবে বক্ষবিভাজিকার শট। কিছু বিশ্বাস করা যায় না।” এই বিতর্কের মাঝে এমন খবরও সশ্রুত হয়েছিল, যে জাহ্নবী ভবিষ্যতে দক্ষিণের ছবি নিয়ে আগ্রহী নন। তবে বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রী বা তাঁর সহযোগী দল আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদে ফেরার অভিযানের প্রস্তুতি, পৃথিবীর কক্ষপথেই হবে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


চাঁদে ফেরার অভিযানের প্রস্তুতি, পৃথিবীর কক্ষপথেই হবে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা

চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনায় আরেক ধাপ এগিয়ে গেল নাসা। মহাকাশ সংস্থাটি ২০২৭ সালের আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য চারজন নভোচারীর নাম ঘোষণা করেছে। তবে আগের পরিকল্পনার মতো সরাসরি চাঁদে নামার বদলে, এই মিশনটিতে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে একটি জটিল পরীক্ষামূলক মহড়া হিসেবে পরিচালিত হবে।

এই মিশনে নভোচারীরা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটে চড়ে ওরিয়ন মহাকাশযানে যাত্রা করবেন। মহাকাশে গিয়ে তারা স্পেসএক্স ও ব্লু অরিজিনের তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের চাঁদে নামার যান (লুনার ল্যান্ডার)-এর পরীক্ষামূলক সংস্করণের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া অনুশীলন করবেন।

নাসা বলছে, এটি মূলত ২০২৮ সালের আর্টেমিস-৪ মিশনে চাঁদে অবতরণের আগে একটি বড় ধরনের প্রস্তুতি মহড়া। ঘোষিত নভোচারী দলের নেতৃত্বে থাকবেন র‌্যান্ডি ব্রেসনিক, যিনি একজন অভিজ্ঞ নভোচারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মেরিন কর্নেল। তিনি তিনবার মহাকাশে উড়েছেন, প্রায় ১৫০ দিন কক্ষপথে কাটিয়েছেন এবং ৩২ ঘণ্টা স্পেসওয়াক করেছেন।

পাইলট হিসেবে থাকবেন ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ইতালীয় নভোচারী লুকা পারমিতানো। তিনি এর আগে দুইবার মহাকাশে গেছেন এবং আর্টেমিস কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রথম ইউরোপীয় নভোচারী হবেন।

মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে রয়েছেন ফ্র্যাঙ্ক রুবিও, যিনি ২০২২-২৩ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে টানা ৩৭১ দিন অবস্থান করে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘতম একক মহাকাশযাত্রার রেকর্ড গড়েছেন।

দলের চতুর্থ সদস্য আন্দ্রে ডগলাস, যিনি এই প্রথম মহাকাশে যাচ্ছেন। তিনি ২০২১ সালের নভোচারী ব্যাচে নির্বাচিত হন এবং আগে টেস্ট ইঞ্জিনিয়ার ও ইউএস কোস্টগার্ডের রিজার্ভ কমান্ডার হিসেবে কাজ করেছেন।

এই প্রায় দুই সপ্তাহের মিশনে নভোচারীরা পৃথিবীর কক্ষপথে এক বা একাধিক লুনার ল্যান্ডারের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে পরীক্ষা চালাবেন। পাশাপাশি ওরিয়ন মহাকাশযানের বিভিন্ন সিস্টেম ও নতুন স্পেসস্যুটের কার্যকারিতাও যাচাই করা হবে।

নাসার প্রধান জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এই মিশনকে ‘অত্যন্ত রোমাঞ্চকর, জটিল ও সমন্বিত একাধিক উৎক্ষেপণভিত্তিক অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, মানবজাতির চাঁদে ফিরে যাওয়ার পথে এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তিনি আরও বলেন, এই মিশনের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি পরীক্ষা করা হবে, যা ভবিষ্যতে মানুষকে আরও গভীর মহাকাশে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

নাসার মতে, এই মিশনে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ইউরোপীয় সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ভূমিকা থাকবে। হাজার হাজার বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, আর্টেমিস-৩ শুধু একটি মহাকাশ মিশন নয়—এটি ভবিষ্যৎ চন্দ্র অভিযান এবং আরও দূরে মহাকাশ অনুসন্ধানের ভিত্তি গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ১০ কিংবদন্তি: কে সবার আগে পেলে, ম্যারাডোনা নাকি মেসি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ১০ কিংবদন্তি: কে সবার আগে পেলে, ম্যারাডোনা নাকি মেসি?

গত এক শতাব্দী ধরে অনুষ্ঠিত ২২টি টুর্নামেন্টের হাজারো ফুটবলারের মধ্য থেকে সেরা ১০ জন কিংবদন্তি বেছে নেওয়া যেকোনো ফুটবল বিশ্লেষকের জন্য এক কঠিন পরীক্ষা। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা, ব্রাজিলের গারিঞ্চা, ইতালির রবার্তো বাজ্জো বা এক টুর্নামেন্টে ১৩ গোল করা ফ্রান্সের জা ফন্টেইন; এমন আরও অনেক নামই হয়তো এই সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পায়নি। তবে ফুটবল ইতিহাসের পাতা উল্টে বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের অমর করে রাখা এমন ১০ জন মহাতারকাকে নিয়েই সাজানো হয়েছে এই প্রতিবেদন, যাঁরা ফুটবল মহোৎসবে সবচেয়ে বেশি দ্যুতি ছড়িয়েছেন।

তালিকার শুরুতেই ইংল্যান্ডের স্যার জিওফ হার্স্টের কথা বলতে হয়। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে চোট পাওয়া তারকা স্ট্রাইকার জিমি গ্রিভসের জায়গায় খেলতে নেমে ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে অবিশ্বাস্য একটি হ্যাটট্রিক করেন। তার সেই কীর্তিতে ভর করে ইংল্যান্ড একমাত্র বিশ্বকাপটি জিতেছিল। এরপর ব্রাজিলের কাফুর কথা আসে, যিনি ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বজয়ী এই রাইট-ব্যাক সেলেসাওদের রক্ষণ ও আক্রমণের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন।

১৯৮২ সালের ইতালিকে বিশ্বকাপ জেতাতে পাওলো রসি যা করেছিলেন, তা সত্যিই ফুটবল ইতিহাসে একটি রূপকথার মতো। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে সেবার আরো অন্যান্য দলের বিপক্ষে গোল করে তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নেন, এই পেনাল্টি বক্সের রাজা। ফরাসি ফুটবলের জাদুকর জিনেদিন জিদানও আছেন এই মহাতারকাদের কাতারে। ১৯৯৮ সালে ঘরের মাঠে ব্রাজিলকে ফাইনালে দুটি গোল দিয়ে ট্রফি এনে দেওয়া এবং ফরাসি বহুত্ববাদী সংস্কৃতির প্রতীক হয়ে ওঠা জিদান ২০০৬ সালের ফাইনালে লাল কার্ডের ট্র্যাজেডি সত্ত্বেও অনেক প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করেছেন।

অন্যদিকে, মাত্র ২৭ বছর বয়সেই নিজের নাম এই কিংবদন্তিদের তালিকায় গ্রহণ করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ সালে কিশোর বয়সে পেলের পর ফাইনালে গোল করার কৃতিত্ব এবং ২০২২ সালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন, বিশ্বকাপের মঞ্চেই তাঁর সেরা রূপটি দেখা যায়। ফুটবলের সম্রাটদের ভিড়ে জার্মানির 'কাইজার' ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার নামও উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৪ সালে অধিনায়ক হিসেবে ক্রুইফের টোটাল ফুটবলকে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপ জেতার পর, ১৯৯০ সালে কোচ হিসেবেও জার্মানিকে বিশ্বসেরা করেছেন এই ডেকোরাম ও রক্ষণভাগের মহাতারকা।

বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সেরা এবং অনেকের মতে সর্বকালের সেরা লিওনেল মেসি নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে বৃত্ত সম্পূর্ণ করেছেন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের ধাক্কা সামলাতে পেরে, নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে গোল করে এবং ফাইনালে জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে ৩৬ বছর পর সোনালি ট্রফি এনে দেন। আর ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও হলেন এক চরম নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প বলার মতো। ১৯৯৮ সালের ফাইনালে রহস্যময় অসুস্থতার কারণে ট্রফি হাতছাড়া হওয়া সত্ত্বেও, ২০০২ সালে চোট কাটিয়ে ফিরে ৮ গোল করে ব্রাজিলকে পঞ্চম বিশ্বকাপ জিতিয়ে দেন এই ফেনোমেনন।

আর ফুটবল বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ ও উন্মাদনা যার নামের সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত, তিনি দিয়াগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর বিখ্যাত 'হ্যান্ড অব গড' এবং মাঝমাঠ থেকে একক নৈপুণ্যে করা 'শতাব্দীর সেরা গোল' ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়। সেই বিশ্বকাপে তিনি ৫ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট করে একাই আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করেন, এমন একজন ফুটবল রাজপুত্র।

এবং সবার শীর্ষে যার নাম অবধারিতভাবেই চলে আসে, তিনি ফুটবলের রাজা পেলে। ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি ভিন্ন দশকে তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের অনন্য কীর্তি তাঁর। ১৯৫৮ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিশ্বমঞ্চে আবির্ভূত হয়ে হ্যাটট্রিক এবং ফাইনালের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে প্রথম ট্রফি এনে দেন। এরপর ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে পেলের সেই শৈল্পিক ও নান্দনিক ফুটবল ব্রাজিলকে সর্বকালের অন্যতম সেরা দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। ফুটবল বিশ্বকাপ যতদিন থাকবে, পেলের এই শ্রেষ্ঠত্বও ততদিন অম্লান থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%