ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজার জন্য নতুন সহায়তা তহবিলকে স্বাগত অস্ট্রেলীয় ত্রাণ সংস্থার


গাজার জন্য নতুন সহায়তা তহবিলকে স্বাগত অস্ট্রেলীয় ত্রাণ সংস্থার

অস্ট্রেলীয় সরকার ইসরায়েলি হামলার ফলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য ২ কোটি ৫০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার (১৭.৫ মিলিয়ন ডলার) সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ‘অস্ট্রেলিয়ান কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট’ (ACFID) নামক ত্রাণ সংস্থাসমূহের ছাতা সংগঠনটি।

ত্রাণ সংস্থাগুলোর এই অ্যামব্রেলা অর্গানাইজেশন জানিয়েছে একটি বিবৃতিতে যে, ‘ফিলিস্তিনের পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের এই অতিরিক্ত সহায়তা প্রাপ্তিকে ACFID স্বাগত জানায়। এই সহায়তার মধ্যে গাজায় দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা এবং ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য তহবিলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এমন একটি সময়ে এই অঙ্গীকার করা হয়েছে যখন গাজায় মানবিক চাহিদা ব্যাপকভাবে বিদ্যমান’ এবং ‘সাধারণ জনগণ ভয়ানক চরম দুর্ভোগ, বাস্তুচ্যুতি ও নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হতে চলেছে।’

আরও পড়ুন: পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের হামলায় ১ নিহত, ৫ আহত

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবের প্রতি হুথিদের হুমকির নিন্দা জানাল আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


সৌদি আরবের প্রতি হুথিদের হুমকির নিন্দা জানাল আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) হুথি বিদ্রোহীদের নৌ-অবরোধ আরোপের হুমকির জন্য তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে।

দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে যে, এই পদক্ষেপ লোহিত সাগরে মুক্ত নৌ-চলাচলকে ব্যাহত করতে পারে।

এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে এবং সৌদি আরবের প্রতি তাদের ‘পূর্ণ সংহতি’ পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বর্তমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার জানিয়েছে যে, তাদের বাহিনী একটি ইরানি বিমান অবতরণ রোধ করতে সানা বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালিয়েছে। হুথিরা এই হামলার জন্য সৌদি আরবকে অভিযুক্ত করে এবং প্রতিরোধমূলক হিসাবে সৌদি আরবের আবহা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।

হুথিরা সৌদি শিপিং বা জাহাজ চলাচলের ওপর অবিলম্বে অবরোধ কার্যকর করারও ঘোষণা দেয়। তাদের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, এটি ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরবের আরোপিত স্থল, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক অবরোধের একটি জবাব হিসাবেই বিবেচিত। গোষ্ঠীটি বলেছে যে, তারা ‘অবরোধের বদলে অবরোধ’ নীতি প্রয়োগ করছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরব এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বলেছে যে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেই খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যবাহী ৩০০টিরও বেশি জাহাজ হুথি-নিয়ন্ত্রিত বন্দরগুলোতে প্রবেশ করেছে।

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং জানিয়েছে যে, তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। এই জলপথটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং এটি সৌদি তেল রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি প্রধান রুট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার যুদ্ধ ব্যয়ের দাবি, সিনেটে জবাবদিহির মুখে পেন্টাগন প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার যুদ্ধ ব্যয়ের দাবি, সিনেটে জবাবদিহির মুখে পেন্টাগন প্রধান

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে তিনি পেন্টাগনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের দাবি তুলেছেন। সিনেটের শুনানিতে উপস্থিত থাকলে তিনি ডেমোক্র্যাট সদস্যদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।

বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। সিনেটের বরাদ্দ কমিটির শুনানিতে হেগসেথ জানিয়েছেন, গত মে মাসে প্রকাশিত সর্বশেষ হিসাবের তুলনায় ইরান যুদ্ধের ব্যয় প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। বর্তমানে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই প্রথম সিনেটের বরাদ্দ কমিটির সামনে হাজির হন পিট হেগসেথ। শুনানিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, কংগ্রেস যদি দ্রুত অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদন না করে, তবে সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে কাটছাঁট করার প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি জানান, তার দপ্তরের জন্য মোট ৮৭ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত তহবিল প্রয়োজন, এর মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন ডলার মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালিত সামরিক কার্যক্রমে ব্যয় হবে।

শুনানি চলাকালে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভকারীরা কয়েক দফা বাধা সৃষ্টি করেন। তারা স্লোগান দেন, ‘ইরান ও ফিলিস্তিনে আমাদের সন্তানদের ওপর বোমা হামলা বন্ধ করুন।’

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস এপ্রিলে আগামী অর্থবছরের জন্য পেন্টাগনের বাজেটে ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চেয়ে কংগ্রেসে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। অনুমোদন পেলে এটি আধুনিক ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক বাজেট হবে।

এদিকে মঙ্গলবার টানা একাদশ দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরানও যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে তার মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে।

হেগসেথ বলেন, ‘আমরা এক বিপজ্জনক বিশ্বে বাস করছি। এ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সাহসী ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।’ বিক্ষোভকারীদের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সংকটময় অবস্থায় এই অতিরিক্ত অর্থায়নের আবেদন করা হয়েছে এবং প্রতিপক্ষের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে রাখতে বড় ধরনের বিনিয়োগ অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, এই অর্থ অনুমোদন না হলে সেনাসদস্যদের বেতন পরিশোধ, দ্রুত অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার সক্ষমতা ঝুঁকির মুখে পড়বে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, বরাদ্দের প্রতিটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ‘প্রাণঘাতী সক্ষমতা’ বাড়ানো এবং ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ব্যয় করা হবে।

শুনানিতে সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির চেয়ারওম্যান রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স জানতে চান, চাওয়া অর্থ বরাদ্দ না পেলে কী ধরনের প্রভাব পড়বে। জবাবে হেগসেথ বলেন, সে ক্ষেত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সামরিক প্রশিক্ষণে কাটছাঁট করা হবে। তিনি সামরিক খাতে অর্থের ঘাটতির জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনকে দায়ী করেন।

তবে কমিটির জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট সদস্য প্যাটি মারে এই অর্থায়নের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন স্বাভাবিক বাজেট প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

ডেমোক্র্যাট দলের দুটি সূত্র এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক সূত্রের দাবি, ইরান যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় সরকারি হিসাবের তুলনায় আরও বেশি। কারণ বর্তমান হিসাব অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটি পুনর্নির্মাণের ব্যয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এসব সমালোচনার জবাবে হেগসেথ বলেন, এই অর্থায়ন অনুমোদিত হলে তা হবে একটি ‘প্রজন্মগত বিনিয়োগ’, যা যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সক্ষমতায় পিছিয়ে পড়া অবস্থা থেকে বের করে এনে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে রাখবে।

শুনানিতে নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ড অভিযোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে বোমা তৈরির জন্য কার্যত সীমাহীন অর্থ চাইছে, অথচ দেশের অনেক নাগরিক পরিবারকে ভরণপোষণ করতেই হিমশিম খাচ্ছেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রেসিডেন্ট যে যুদ্ধকে ইতোমধ্যে ‘জয়ী’ বলে দাবি করছেন, সেই যুদ্ধের জন্য আবারও কয়েক হাজার কোটি ডলার কেন প্রয়োজন? শেষ দিকে ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর গ্যারি পিটার্সের সঙ্গে হেগসেথের তীব্র বাকবিতণ্ডার মধ্য দিয়ে দিনের শুনানি শেষ হয়। সূত্র: বিবিসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ মাসে ৬০৫ কোটি টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ এম


৫ মাসে ৬০৫ কোটি টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার

পাঁচ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) ৭ লাখের বেশি কৃষকের ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটি এ তথ্য জানিয়েছে।

কৃষি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের নির্দেশনা অনুসারে দেশের ৪৮টি জেলার মোট ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন কৃষক এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। তথ্য যাচাই-বাছাই ও হিসাব সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে ঋণ মওকুফ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিএনপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন।

সরকারের এই উদ্যোগে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষিঋণ মওকুফের পরিকল্পনা রয়েছে, যার আওতায় প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হওয়ার কথা।

এছাড়াও কৃষি ব্যাংক জানায়, সরকার ঘোষিত মোট ঋণ মওকুফ কর্মসূচির প্রায় ৩৯ শতাংশ এককভাবে বাস্তবায়ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি দেশের মোট কৃষিঋণের প্রায় ৬৩ শতাংশই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী থাকা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণ তাদের ওপর বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছিল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বাজারের মন্দা এবং নানা অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। ফলে নতুন করে ব্যাংকঋণ নেওয়ার সুযোগ থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছিলেন। ঋণ মওকুফের ফলে এসব কৃষক আবারও নিয়মিত ব্যাংকিং সেবার আওতায় এসে নতুন করে কৃষিঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে জানায় ব্যাংকটি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সঞ্চিয়া বিনতে আলী বলেন, সরকারের নির্দেশনার আলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষকদের তথ্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করে ঋণ মওকুফ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ঋণের দায় থেকে মুক্ত হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে নতুন ঋণ নিয়ে কৃষি উৎপাদনে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি ছিল। পাশাপাশি ‘কৃষক কার্ড’ চালু, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তন, ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার এবং প্রতিবছর ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মতো কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের আসল ও সুদ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় তিন দশক পর আবারও কৃষিঋণ মওকুফের এমন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ কৃষিঋণ-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) কৃষি ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে একই সময়ে ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ হাজার ২৮১ কোটি টাকা বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই নেতার বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে প্রবেশে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


শাবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই নেতার বহিষ্কার, ক্যাম্পাসে প্রবেশে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের খাবারের মান নিয়ে কথা বলার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদলের দুই নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে। একইসাথে, এই দুই শিক্ষার্থীকে আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে অবস্থান এবং প্রবেশ করতে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে ছাত্রদল তাদেরকে বহিষ্কার করেছিল।

গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত দশটায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটির জন্য অভিযুক্ত দুজনকে তদন্ত এবং শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ৪ সেমিস্টার বহিষ্কার করেছে এবং আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। তারা আগামী দুই বছর পর নিয়মিত শিক্ষার্থী হয়ে আবাসিক হলের শিক্ষার্থী হতে পারবেন না।’

এছাড়াও, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে এবং তার চিকিৎসার সকল ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এর আগে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করা কারণে মারধরের ঘটনা ঘটতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রদল।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে একজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহদপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে রবিবার (১৯ জুলাই) সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতির পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করেন।

গত শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মারধরের এই ঘটনা ঘটে। আহত খাইরুল খন্দকার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর তিনি সিলেট নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী খাইরুল খন্দকার অভিযোগ করেছেন, শাহপরান হলের ক্যান্টিনে নিম্নমানের খাবার এবং পচা মাছ পরিবেশনার অভিযোগ তুলে তিনি হলের ফেসবুক গ্রুপে একটি পোস্ট করেছিলেন।

পরে তাকে পোস্টটি সম্পর্কে কথা বলতে ডাকা হয়েছিল। একই রাতে আবারো খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করার পর শনিবার রাতে প্রধান ফটকের সামনে হাসিবুর রহমান ও তারেক রহমান তার সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায়ে তার উপর আক্রমণ করা হয়, ফলে তার বুকে লাথি ও মাথায় আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

অভিযুক্ত তারেক রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, হলের খাবার নিয়ে দেওয়া ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে খাইরুলের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় হাসিবুর রহমানও আহত হয়েছেন এবং তার চশমা ও মোবাইল ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%