ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার


যুবদল নেতা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মো. আইয়ুবকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭।

রোববার (২১ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দূরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তিনি জানান, গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে মো. আইয়ুব দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৬টার দিকে বাঘাইছড়ির দূরছড়ি এলাকায় আইয়ুবের ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালায় র‍্যাব-৭-এর একটি দল। সেখান থেকে আইয়ুবকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।

তিনি আরও জানিয়েছেন, যুবদল নেতা মাকসুদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আইয়ুবের নাম আসে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে একটি ওষুধের দোকানের সামনে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা পাঁচ অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবার বিপ্লবের প্রবীণ নেতা রামিরো ভালদেস আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


কিউবার বিপ্লবের প্রবীণ নেতা রামিরো ভালদেস আর নেই

কিউবার বিপ্লবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি রামিরো ভালদেস মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ৯৪ বছর মৃত্যুর সময়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনের মাধ্যমে কিউবার রাষ্ট্রপতি মিগেল দিয়াজ-কানেল রোববার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। যদিও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

১৯৩২ সালে জন্ম নেওয়া রামিরো ভালদেস কিশোর বয়সে ফুলজেনসিও বাতিস্তার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯৫৩ সালে ফিদেল কাস্ত্রো নেতৃত্বাধীন মনকাডা ব্যারাক আক্রমণে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। পরে নির্বাসন শেষে ১৯৫৬ সালে বিপ্লব পুনরায় শুরু করতে যে ৮২ জন যোদ্ধা ‘গ্রানমা’ নৌকায় কিউবায় ফেরেন, তিনি ছিলেন তাদের মধ্যে একজন।

সে সময়ের অতি কঠিন সংঘর্ষে মাত্র কয়েকজন বেঁচে থাকলেও, তাদের মধ্যে রাউল কাস্ত্রো, চে গুয়েভারা এবং রামিরো ভালদেস ছিলেন। পরবর্তীতে সিয়েরা মায়েস্ত্রা পাহাড়ে তিনি চে গুয়েভারার ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৫৯ সালে বিপ্লব সফল হওয়ার পর, ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে গঠিত সরকারের শীর্ষ নিরাপত্তা কাঠামোর দায়িত্ব পান তিনি। পরে তিনি কিউবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী, তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী এবং উপ-প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্যও ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরে, তিনি জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখছিলেন এবং বারবার জনগণকে সাশ্রয়ী ব্যবহারের আহ্বান জানাতেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানকে গার্ড অব অনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানকে গার্ড অব অনার

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশ সরকারপ্রধান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন তার নিজ কার্যালয়ে। গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে তাকে কার্যালয় প্রাঙ্গণে পা রাখার পর।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবন প্রাঙ্গণে এই অভ্যর্থনার সম্মান লাভ করেন। এ সময় তার সঙ্গী ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

এই উষ্ণ অভ্যর্থনার পর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্যালয় ভবনের পঞ্চম তলায় একান্ত বৈঠকে বসেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে।

একান্ত এই বৈঠকের পর, দুই দেশ প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিম নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম প্রমুখ।

বৈঠক চলাকালে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, কর্মী প্রেরণ, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা ও জন-যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন দুই সরকারপ্রধান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, “কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোই আমাদের অগ্রাধিকার। আমরা ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছি এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছি। আমি বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের শক্তিশালী সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি এবং সেই সুযোগগুলো অন্বেষণের জন্য মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, “প্রথম বিদেশ সফরের সময়, আমার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন। তার সফর রাজনৈতিক সম্পর্ককে জোরদার করেছে এবং শ্রমিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছে। আমি মনে করি, আমার মা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে প্রধানমন্ত্রীরূপে মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন। তার সফরের ফলে আমাদের বন্ধুত্ব গভীর হয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে। উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য আমি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।”

বাংলাদেশের সরকারপ্রধান তার বক্তব্যে আরও জানান, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার। পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং মানুষে-মানুষে নিবিড় সম্পর্কের ভিত্তিতে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমান বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়। তারা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এরপর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি জানান, যৌথ কমিশনের বৈঠক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বৃদ্ধির জন্য তারা সম্মত হয়েছেন। তারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার অঙ্গীকার করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আইসিটি, জ্বালানি, অবকাঠামো, জনশক্তি, হালাল শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের খাত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি শ্রমিক, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা দুটি দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন। তাদের অবদান দেশের অর্থনীতি ও সমাজ উভয়েরই উপকারে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে দু’টি কার্তুজ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানধী ধ্বংস করল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


দিনাজপুরে দু’টি কার্তুজ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানধী ধ্বংস করল

জেলার বিরল উপজেলায় পুকুর খননের সময় এক মাসের ব্যবধানে উদ্ধারকৃত দু’টি কার্তুজ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে ধ্বংস করা হয়েছে।

গতকাল রোববার রাত ১২টায়, দিনাজপুর বিরল থানার ওসি পরিদর্শক মো. আল এমরান এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিরল উপজেলার দ্বিতীয় দফায় পুকুর খননের সময় উদ্ধার হওয়া কার্তুজ জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্যটি গতকাল রোববার রাতে সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল তাদের নিয়ন্ত্রণে ধ্বংস করেছেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১ মে, বিরল উপজেলায় পুকুর খননের সময় মাটির নীচ থেকে পরিত্যক্ত একটি কার্তুজ জাতীয় দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই কার্তুজটি বিরল থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছিল এবং উদ্ধারের ১১ দিন পর গত ১২ মে কার্তুজটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ধ্বংস করা হয়েছে।

গেল ১৫ মে বিরল উপজেলার পার্শ্ববর্তী অপর এক গ্রাম থেকে আরো একটি একই ধরণের বিস্ফোরক জাতীয় বস্তুর সন্ধান মিলে। এই বস্তুটি উদ্ধার পূর্বক পুলিশী হেফাজতে রাখা হয় এবং গতকাল রোববার রাতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ওই বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য কার্তুজটি ধ্বংস করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, গত ১ মে জেলার বিরল উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের আগ্রা সিয়াপুর গ্রামের আব্দুল হক এর পুত্র মো. মহসিন আলীর পুকুর খননকালে একটি পুরাতন ও মরিচা ধরা কার্তুজ জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এই দ্রব্যটি পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার কার্তুজ জাতীয় বস্তুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয় করতে রংপুর সেনানিবাসে ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলকে অবহিত করা হয়।

সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল বিরলের সাকইরডাঙ্গা পূণর্ভবা নদীর পাড়ে গত ১২ মে দুপুরে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রব্যটি ধ্বংস করেছেন। কার্তুজ জাতীয় দ্রব্যটির দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি।

গত ১৫ মে, জেলার বিরল উপজেলার দক্ষিণ বিষ্ণুপুর চকেরহাট গ্রামের চুনার মোহাম্মদ এর পুত্র মো. হাফিজুর রহমান (৫৫) এর বাড়ী হতে প্রায় দেড় বছর পূর্বে পুকুর খননকালে পাওয়া অপর একটি বস্তুর সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ মে বিরল উপজেলার জগতপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ বিস্ফোরক জাতীয় বস্তুটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল রোববার রাতে রংপুর থেকে আগত সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা কার্তুজটি নিরাপদ স্থানে ধ্বংস করেছেন।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা বাসস’কে জানান, জেলার বিরল উপজেলায় উদ্ধার হওয়া দু’টি বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য রংপুর সেনানিবাসের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অবহিত করা হয়েছিল। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক দল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিস্ফোরক দ্রব্য দু’টি তাদের নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে ধ্বংস করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় তানিশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় তানিশা

প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর একক অভিনয় বিভাগে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ফরিদপুর সদর উপজেলার ১ নম্বর ঈশান গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেরিমা আলম তানিশা।

১৬ জুন ঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পদক ও সনদ তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তানিশার এই সাফল্যে বিদ্যালয়, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। গতকাল রোববার দুপুরে তানিশার শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তার আগ্রহ ও প্রতিভার পরিচয় পাওয়া গেছে। নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সে জাতীয় পর্যায়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

তানিশার বাবা মেহবুব আলম লিটন সমবায় অধিদপ্তরের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার মা কানিজ ফাতেমা ১ নম্বর ঈশান গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

তানিশার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। এই অর্জন ফরিদপুর জেলার জন্যও গর্বের বিষয় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%