১২:৩০ পি.এম
জেলার বিরল উপজেলায় পুকুর খননের সময় এক মাসের ব্যবধানে উদ্ধারকৃত দু’টি কার্তুজ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে ধ্বংস করা হয়েছে।
গতকাল রোববার রাত ১২টায়, দিনাজপুর বিরল থানার ওসি পরিদর্শক মো. আল এমরান এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বিরল উপজেলার দ্বিতীয় দফায় পুকুর খননের সময় উদ্ধার হওয়া কার্তুজ জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্যটি গতকাল রোববার রাতে সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল তাদের নিয়ন্ত্রণে ধ্বংস করেছেন।
আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১ মে, বিরল উপজেলায় পুকুর খননের সময় মাটির নীচ থেকে পরিত্যক্ত একটি কার্তুজ জাতীয় দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই কার্তুজটি বিরল থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছিল এবং উদ্ধারের ১১ দিন পর গত ১২ মে কার্তুজটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ধ্বংস করা হয়েছে।
গেল ১৫ মে বিরল উপজেলার পার্শ্ববর্তী অপর এক গ্রাম থেকে আরো একটি একই ধরণের বিস্ফোরক জাতীয় বস্তুর সন্ধান মিলে। এই বস্তুটি উদ্ধার পূর্বক পুলিশী হেফাজতে রাখা হয় এবং গতকাল রোববার রাতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ওই বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য কার্তুজটি ধ্বংস করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, গত ১ মে জেলার বিরল উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের আগ্রা সিয়াপুর গ্রামের আব্দুল হক এর পুত্র মো. মহসিন আলীর পুকুর খননকালে একটি পুরাতন ও মরিচা ধরা কার্তুজ জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এই দ্রব্যটি পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার কার্তুজ জাতীয় বস্তুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয় করতে রংপুর সেনানিবাসে ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলকে অবহিত করা হয়।
সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল বিরলের সাকইরডাঙ্গা পূণর্ভবা নদীর পাড়ে গত ১২ মে দুপুরে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রব্যটি ধ্বংস করেছেন। কার্তুজ জাতীয় দ্রব্যটির দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৫ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৬ দশমিক ৫ ইঞ্চি।
আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ
গত ১৫ মে, জেলার বিরল উপজেলার দক্ষিণ বিষ্ণুপুর চকেরহাট গ্রামের চুনার মোহাম্মদ এর পুত্র মো. হাফিজুর রহমান (৫৫) এর বাড়ী হতে প্রায় দেড় বছর পূর্বে পুকুর খননকালে পাওয়া অপর একটি বস্তুর সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৫ মে বিরল উপজেলার জগতপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ বিস্ফোরক জাতীয় বস্তুটি উদ্ধার করেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, গতকাল রোববার রাতে রংপুর থেকে আগত সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা কার্তুজটি নিরাপদ স্থানে ধ্বংস করেছেন।
দিনাজপুর পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা বাসস’কে জানান, জেলার বিরল উপজেলায় উদ্ধার হওয়া দু’টি বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য রংপুর সেনানিবাসের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দলকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অবহিত করা হয়েছিল। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক দল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিস্ফোরক দ্রব্য দু’টি তাদের নিয়ন্ত্রণে সফলভাবে ধ্বংস করেছেন।
আরও পড়ুন: শীতের আগমনে গফরগাঁওয়ে প্রস্তুতির ধুম, বাজারে শীতকালীন পণ্য আসছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন