রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৯:২৪ এম
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক লিটন কৃষ্ণ করের ছেলে রুদ্র নীল কর নিলয় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সকল বিষয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। সে কাউখালী গান্ডতা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১ হাজার ২৫০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ১৮২ নম্বর পেয়েছে।
নিলয়ের এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার এ কৃতিত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
রুদ্র নীল কর নিলয় ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী ছিল। নিয়মিত পড়াশোনা, শিক্ষকদের পরামর্শ মেনে চলা এবং পরিবারের সহযোগিতার কারণেই সে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পেরেছে বলে জানা গেছে।
নিলয়ের বাবা কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক লিটন কৃষ্ণ কর বলেন, “ছেলের এই ফলাফলে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সে নিয়মিত পড়াশোনা করেছে এবং পরীক্ষার আগে নিজের পড়াশোনার প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগী ছিল। শিক্ষক হিসেবে আমি সবসময় তাকে পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তার এই সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ও পরিবারের সবার উৎসাহ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমার ছেলে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের জন্য ভালো কিছু করতে চায়। সবাই যেন তার জন্য আশীর্বাদ ও দোয়া করেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্বিপাক্ষিক সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৃথক দুই উপলক্ষে পত্র পাঠানো হয়েছে।
এক সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আমন্ত্রণ সম্পর্কে প্রশ্ন করার পর তিনি মন্তব্য করেন, "গতকাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক হয়। সেখানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণের যে বিষয়টি আপনি উল্লেখ করেছেন, আমরা তাকে দ্বিপাক্ষিক সফর এবং একইসঙ্গে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ ব্যাপারে আমরা আপনাদের আরও পরবর্তী তথ্য দেব।"
তবে মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এ তথ্য প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ব্রিকসে ‘প্রধানমন্ত্রী’কে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ‘চেয়ারপাসন অব বিমসটেক’কে। আপনি অবশ্যই এই পার্থক্যটি উপলব্ধি করবেন। এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যা আমাদের সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রণ একটি রয়েছে, সেটি আমরা বিবেচনা করব।”
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে শেখ হাসিনাকে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সেই আমন্ত্রণপত্রে শেখ হাসিনাকে ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়া, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরেকটি আমন্ত্রণপত্রে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে দিল্লি সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক ও এক বিক্রয় প্রতিনিধির মৃত্যু ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনা মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে ঘটেছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কের নাভানা কারখানা এলাকা থেকে একটি পিকআপ ভ্যান পেছন থেকে ধাক্কা দেয় ঘোড়াশালগামী একটি মোটরসাইকেলকে। ইতিমধ্যে, এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটরসাইকেল আরোহী মো. জাহিদ হোসেন (৫২)। দুর্ঘটনার পর পিকআপ ভ্যানটি ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়।
নিহত জাহিদ হোসেন পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার সুটিয়াকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার গ্রেট সেলস এন্টারপ্রাইজ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অপরদিকে, কালীগঞ্জের জামালপুর এলাকায় একটি দুর্ঘটনা ঘটে যেখানে ঘুমাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি, তখন তার ঘরের মাটির দেয়াল ধসে পড়ে। সে সময় মতিউর রহমান নামের ওই ব্যক্তিটি মারা যান। দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মতিউর রহমান নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল এলাকার জনতা জুট মিলে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের ব্রড পিকে ভয়াবহ তুষারধসে নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিনেরও বেশি সময় পর দেশে ফিরেছে তিন নেপালি পর্বতারোহী ও গাইডের মরদেহ। মঙ্গলবার তাদের মরদেহ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে পৌঁছায়।
নিহত পর্বতারোহীদের মধ্যে ছিলেন কিলি পেম্বা শেরপা, গ্যালু শেরপা ও নিমা শেরপা। এরা ছিলেন নেপালের অভিজ্ঞ এবং পরিচিত পর্বতারোহী এবং উচ্চপর্যায়ের গাইড। মঙ্গলবার কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছিল। দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনজনের কফিন কাঠমান্ডু পৌঁছায়।
বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা কফিনগুলো বিমান থেকে নামিয়ে শববাহী গাড়িতে তুলেছিলেন। এ সময় বিমানবন্দরে নিহতদের পরিবারের সদস্য, সহপর্বতারোহী, নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযানের আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও সেখানে ছিলেন। কফিন বিমানবন্দর থেকে বের করার সময় স্বজনদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত ৩০ জুলাই সকালে পাকিস্তানের ৮ হাজার ৫১ মিটার উঁচু ব্রড পিকে ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্যাম্পের মাঝামাঝি প্রায় ৬ হাজার ৬০০ মিটার উচ্চতায় এ ঘটনা ঘটে। এই তুষারধসে তখন একটি আন্তর্জাতিক দলের ১০ জন পর্বতারোহী নিহত হন। ব্রড পিক পাকিস্তানের কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের ১২তম সর্বোচ্চ পর্বত। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ-নেপালি পর্বতারোহী নির্মল পুরজা, যিনি নিমসদাই নামেও পরিচিত।
এ ছাড়া নিহতদের মধ্যে ছিলেন নেপালের পুর বাহাদুর গুরুঙ, নাওয়াং থিন্দু শেরপা, ওমানের পর্বতারোহী নাধিরা আল হারথি, চীনের ওয়াং ঝং, পাকিস্তানের গাইড সোহেল সাখি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর্বতারোহী ম্যালরি গেইস।
নিহত কিলি পেম্বা শেরপা ‘কিলু’ নামেও পরিচিত ছিলেন। ৪৬ বছর বয়সী এই পর্বতারোহীর বাড়ি নেপালের দোলখা জেলার রোলওয়ালিং উপত্যকায়। তিনি হিমালয়ে পর্বতারোহণে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত কে-টুতে শীতকালীন প্রথম সফল আরোহণের ঐতিহাসিক অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে তিনি ৮ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার বিশ্বের ১৪টি পর্বত জয় করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। গত ৩ জুলাই নাঙ্গা পর্বত জয় করার মধ্য দিয়ে তিনি এই মাইলফলকে পৌঁছান। কিলি পেম্বা নেপালের পর্বতারোহণ প্রতিষ্ঠান ইমাজিন নেপালের গাইড হিসেবে কাজ করতেন। গ্যালু শেরপা গ্যালজেন নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি নেপালের ওখলঢুঙ্গা জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং সেভেন সামিট ট্রেকসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একটি মৌসুমে তিনি তিনবার কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করেছিলেন, যা পর্বতারোহণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অসাধারণ কৃতিত্ব হিসেবে দেখেন। তিনি একাধিকবার এভারেস্টেও আরোহণ করেছিলেন।
নিহত আরেক পর্বতারোহী নিমা শেরপা ছিলেন নেপালের সংখুভাসভা জেলার বাসিন্দা। তিনিও ত্রিশের কোঠার মাঝামাঝি বয়সী ছিলেন এবং এলিট এক্সপেডের জ্যেষ্ঠ গাইড হিসেবে কাজ করতেন। ২০২৬ সালের ব্রড পিক অভিযানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ৮ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার চারটি পর্বত জয় করেছিলেন। ব্রড পিকে নিহত নেপালের পাঁচ পর্বতারোহীর মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে পুর বাহাদুর গুরুঙের মরদেহ নেপালে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। ব্রিটিশ-নেপালি পর্বতারোহী নির্মল পুরজার মরদেহ যুক্তরাজ্যে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার নাগরিকত্ব ছিল। তবে এখনো পর্বতে থাকা আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তাদের মধ্যে একজন নেপালি, একজন পাকিস্তানি এবং একজন মার্কিন নাগরিক। দুর্গম এলাকা ও অনেক বেশি উচ্চতার কারণে উদ্ধারের কাজটি কঠিন হয়ে পড়েছে।
ব্রড পিক পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলে পাকিস্তান-চীন সীমান্তের কাছে অবস্থিত এবং এটি ৮ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার একটি কঠিন পর্বত হিসেবে পরিচিত। কাছের কে-টু পর্বতের তুলনায় ব্রড পিকে সাধারণত পর্বতারোহীর সংখ্যা কম হলেও, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্যাম্পের মাঝামাঝি খোলা ওপরের অংশে এর আগেও তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। পর্বতারোহীদের ভাষ্য মতে, কারাকোরাম অঞ্চলে তুষারের স্তরের অবস্থায় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে এবং কিছু পর্বতারোহী ও গবেষক এর সঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তিত ধরনকে যুক্ত করছেন। তাদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে পর্বতের পথে তুষারের অবস্থা আগের তুলনায় বেশি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
গত ৩০ জুলাইয়ের তুষারধসে একই দলের ১০ সদস্য নিহত হন। অভিজ্ঞ পর্বতারোহীদের মতে, ব্রড পিকের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী একক দুর্ঘটনাগুলোর একটি। নেপালের উচ্চপর্বতে কর্মরত পর্বতারোহী ও গাইডদের জন্যও এটি সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। এর আগে ২০১৪ সালে এভারেস্টে ভয়াবহ বরফধস এবং ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে তুষারধসে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ব্রড পিকের এবারের দুর্ঘটনা আবারও বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বতগুলোতে তুষারধস ও পরিবর্তিত আবহাওয়ার ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি বৈধ খনির বর্জ্য ফেলার স্থান ধসে অন্তত ১৪ জন অবৈধ খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এবং এতে আহত হয়েছেন আরো ৮ জন।
ঘটনার পর দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অজ্ঞাত সংখ্যক মানুষ আটক থাকতে পারেন, যাদের উদ্ধার করতে তল্লাশি অভিযান চলানো হচ্ছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে। একটি স্থানীয় প্ল্যাটিনাম ও অন্যান্য ধাতু উত্তোলনকারী কম্পানির অনুমোদিত বর্জ্যের স্তূপে অবৈধভাবে খননকাজ চালানোর সময় বর্জ্যের বিশালাকার প্রাচীর শ্রমিকদের ওপর ধসে পড়ে।
নিহত ও আহতদের অধিকাংশই প্রতিবেশী দেশ লেসোথো থেকে আসা নথিপত্রহীন অভিবাসী। চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রের পর আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ খননকাজ চালানো এবং অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
আঞ্চলিক পুলিশ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর্থার অ্যাডামস দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, উদ্ধার অভিযান চলার কারণে বর্তমানে ওই এলাকায় সব ধরনের খননকাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ খনি শ্রমিকরা স্থানীয় জুলু ভাষায় ‘জামা জামা’ (যার অর্থ—যারা ভাগ্য পরীক্ষা করে) নামে পরিচিত। বহুজাতিক খনি কম্পানিগুলো কাজ গুটিয়ে নেওয়ায় বন্ধ বা পরিত্যক্ত খনি ও বর্জ্যের স্তূপগুলোতে ভাগ্য অন্বেষণে নেমে পড়েন বহু বেকার ও নথিপত্রহীন মানুষ। সুরক্ষাহীন এসব পরিত্যক্ত স্থানে প্রায়শই এমন মারাত্মক ধস ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত বছরের জানুয়ারি মাসেও দেশটির স্টিলফন্টেইনের একটি পরিত্যক্ত খনি খাদ থেকে ৭৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ