প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্বিপাক্ষিক সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৃথক দুই উপলক্ষে পত্র পাঠানো হয়েছে।
এক সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আমন্ত্রণ সম্পর্কে প্রশ্ন করার পর তিনি মন্তব্য করেন, "গতকাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক হয়। সেখানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণের যে বিষয়টি আপনি উল্লেখ করেছেন, আমরা তাকে দ্বিপাক্ষিক সফর এবং একইসঙ্গে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ ব্যাপারে আমরা আপনাদের আরও পরবর্তী তথ্য দেব।"
তবে মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এ তথ্য প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ব্রিকসে ‘প্রধানমন্ত্রী’কে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ‘চেয়ারপাসন অব বিমসটেক’কে। আপনি অবশ্যই এই পার্থক্যটি উপলব্ধি করবেন। এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যা আমাদের সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রণ একটি রয়েছে, সেটি আমরা বিবেচনা করব।”
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে শেখ হাসিনাকে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সেই আমন্ত্রণপত্রে শেখ হাসিনাকে ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়া, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরেকটি আমন্ত্রণপত্রে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে দিল্লি সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন