০৪:২৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা সম্পন্ন হওয়ার পর কাতারের আলোচকরা তেহরান ত্যাগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার এক কূটনীতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই তথ্য প্রদান করেন।
এ রকম একটি সময়ের মধ্যে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান আবারও একে অপরের উপর পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।
দুবাই থেকে এএফপি উক্ত খবরটি জানায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কূটনীতিক আরও বলেছেন, ‘ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে আজ সকালে কাতারের প্রতিনিধিদল তেহরান ত্যাগ করেছে। আলোচনাটি আজ ভোর পর্যন্ত চলেছে।’
তিনি এও বলেন, এই আলোচনা ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই’ পরিচালিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভিড় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি অস্থায়ী কারাগার বা মডুলার কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ‘বিশ্বকাপ জেল’ হিসেবে পরিচিত হয়ে গেছে।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, বিশ্বকাপ চলাকালে সম্ভাব্য বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে ও শহরের বিদ্যমান আটক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা মোকাবিলায় এই অস্থায়ী কারাগার নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় পর্যটন সংস্থা ‘ভিজিট কেসি’ জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার দর্শনার্থী ক্যানসাস সিটি সফর করবেন।
ক্যানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার একটি গ্রুপ ম্যাচ, পাশাপাশি রাউন্ড অফ ৩২ এবং কোয়ার্টার ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মতো দলেরা শহরটিতে বেস ক্যাম্প স্থাপন করবে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি অনুসারে, বড় ইভেন্টে ছোটখাটো অপরাধ, বিশৃঙ্খলা ও আইন লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে। এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০০ আসনের একটি অস্থায়ী জেল তৈরির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী কারাগার না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সহকারী সিটি ম্যানেজার জেফ মার্টিন জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই এটি চালু করার লক্ষ্য ছিল, কিন্তু কাজ সময়মতো শেষ হয়নি। অন্যদিকে, কাউন্সিলম্যান ওয়েস রজার্স বলেছেন, বড় জনসমাগমের সময় শহরে ভিড়, মদ্যপান ও ছোটখাটো বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় এই ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনাও দেখা দিয়েছে। অভিবাসনবিরোধী কিছু সংগঠন এবং স্থানীয় মহল আশঙ্কা করছে যে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা আইসিই-এর মাধ্যমে আটক কার্যক্রম বাড়াতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের জুন-আগস্ট মেয়াদে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) ২৬তম বৈঠকে এই অনুমোদন উল্লিখিত হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে গ্যাস অয়েল, জেট এ-১ ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল এবং অকটেন আমদানির জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ চারটি পৃথক ক্রয় প্রস্তাব কমিটির সামনে উত্থাপন করে।
অনুমোদিত প্রস্তাবের আওতায়, সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড প্যাকেজ-১ এর অধীনে আনুমানিক ৭ হাজার ৬৭২ দশমিক ৬৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ০.০০৫ শতাংশ সালফারযুক্ত গ্যাস অয়েল এবং জেট এ-১ ফুয়েল সরবরাহ করবে। একই ক্যাটাগরির জ্বালানি সরবরাহের আরেকটি প্যাকেজ (প্যাকেজ-২) আনুমানিক ৬ হাজার ৭১১ দশমিক ৭৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড দ্বারা আমদানি করা হবে।
এছাড়া, কমিটি সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১ হাজার ৯০০ দশমিক ০৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে প্যাকেজ-৩ এর আওতায় ফার্নেস অয়েল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। পাশাপাশি, প্যাকেজ-৪ এর অধীনে আনুমানিক ৭৪৮ দশমিক ৯৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্যাসোলিন ৯৫ (অকটেন) সরবরাহের জন্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে নির্বাচন করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা বলেছেন, দুটি পৃথক সরবরাহকারীর কাছ থেকে ডিজেল এবং বিমান জ্বালানি (এভিয়েশন ফুয়েল) সংগ্রহ করার ফলে সরবরাহ চেইন বহুমুখী হবে এবং জ্বালানি আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার ঝুঁকি হ্রাস পাবে।
বাজেটে যাদের জন্য রেল টিকিটে ২৫ শতাংশ ছাড়। এই আমদানির মূল উদ্দেশ্য হলো অভ্যন্তরীণ ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো এবং দেশের জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান উত্তেজনার পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত বিস্ফোরক দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের অজান্তে গোপন এক অভিযানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ১০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে।
ট্রাম্পের অঙ্গীকার, মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০০টিরও অধিক বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি অতিক্রম করতে সহায়তা করেছে। তবে অতীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ ধরনের অভিযানের খবরটি অস্বীকার করে এসেছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়, পার্সি উপসাগরকে আরব উপদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করা সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বর্তমান সময়ে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়ে থাকে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, “গত মাসে আমি আমাদের অসাধারণ মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজকে সহায়তা করার জন্য একটি গোপন অভিযান পরিচালনা করা হোক।”
তিনি লিখেছেন, “আজ আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এই প্রচেষ্টার ফলে ১০ কোটিরও বেশি ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছেছে।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পুরো অভিযানটি এমনভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে যাতে ইরান তার ব্যাপারে কিছুই জানতো না। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, “এখন আমি আপনাদের এমন একটি তথ্য জানাতে পারি, যা আপনারা আগে জানতেন না। আমরা লাখ লাখ ব্যারেল তেল বের করে এনেছি। কেউই এটি জানতো না।”
তিনি এছাড়া বলেন, “জানেন, কী জানতে পারেননি? ইরান। অন্তত এখন পর্যন্ত তারা জানতো না। অন্য রাতে আমরা ২২টি জাহাজ গভীর রাতে, কোনও আলো ছাড়া বের করে এনেছি। কারণ তাদের কোনো রাডার ছিল না। আমরা তাদের রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছি।”
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র মে মাসের শুরুতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। তবে মিত্র দেশগুলোর সমর্থন না পাওয়ায় ট্রাম্প একদিন পরই ওই পরিকল্পনাটি বাতিল করেন।
এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, মে মাসের শেষের দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী আবার একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করে। তবে সে সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মার্কিন নৌবাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ পার হতে সহায়তা করার খবর সঠিক নয়। সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ