প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলমান উত্তেজনার পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত বিস্ফোরক দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের অজান্তে গোপন এক অভিযানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ১০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে।
ট্রাম্পের অঙ্গীকার, মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০০টিরও অধিক বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি অতিক্রম করতে সহায়তা করেছে। তবে অতীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ ধরনের অভিযানের খবরটি অস্বীকার করে এসেছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়, পার্সি উপসাগরকে আরব উপদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করা সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বর্তমান সময়ে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়ে থাকে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, “গত মাসে আমি আমাদের অসাধারণ মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলাম যে, হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজকে সহায়তা করার জন্য একটি গোপন অভিযান পরিচালনা করা হোক।”
তিনি লিখেছেন, “আজ আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এই প্রচেষ্টার ফলে ১০ কোটিরও বেশি ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছেছে।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, পুরো অভিযানটি এমনভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে যাতে ইরান তার ব্যাপারে কিছুই জানতো না। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, “এখন আমি আপনাদের এমন একটি তথ্য জানাতে পারি, যা আপনারা আগে জানতেন না। আমরা লাখ লাখ ব্যারেল তেল বের করে এনেছি। কেউই এটি জানতো না।”
তিনি এছাড়া বলেন, “জানেন, কী জানতে পারেননি? ইরান। অন্তত এখন পর্যন্ত তারা জানতো না। অন্য রাতে আমরা ২২টি জাহাজ গভীর রাতে, কোনও আলো ছাড়া বের করে এনেছি। কারণ তাদের কোনো রাডার ছিল না। আমরা তাদের রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছি।”
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র মে মাসের শুরুতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। তবে মিত্র দেশগুলোর সমর্থন না পাওয়ায় ট্রাম্প একদিন পরই ওই পরিকল্পনাটি বাতিল করেন।
এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, মে মাসের শেষের দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী আবার একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করে। তবে সে সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মার্কিন নৌবাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ পার হতে সহায়তা করার খবর সঠিক নয়। সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন