প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভিড় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি অস্থায়ী কারাগার বা মডুলার কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ‘বিশ্বকাপ জেল’ হিসেবে পরিচিত হয়ে গেছে।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, বিশ্বকাপ চলাকালে সম্ভাব্য বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে ও শহরের বিদ্যমান আটক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা মোকাবিলায় এই অস্থায়ী কারাগার নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় পর্যটন সংস্থা ‘ভিজিট কেসি’ জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার দর্শনার্থী ক্যানসাস সিটি সফর করবেন।
ক্যানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার একটি গ্রুপ ম্যাচ, পাশাপাশি রাউন্ড অফ ৩২ এবং কোয়ার্টার ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মতো দলেরা শহরটিতে বেস ক্যাম্প স্থাপন করবে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি অনুসারে, বড় ইভেন্টে ছোটখাটো অপরাধ, বিশৃঙ্খলা ও আইন লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধি পেতে পারে। এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০০ আসনের একটি অস্থায়ী জেল তৈরির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী কারাগার না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সহকারী সিটি ম্যানেজার জেফ মার্টিন জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই এটি চালু করার লক্ষ্য ছিল, কিন্তু কাজ সময়মতো শেষ হয়নি। অন্যদিকে, কাউন্সিলম্যান ওয়েস রজার্স বলেছেন, বড় জনসমাগমের সময় শহরে ভিড়, মদ্যপান ও ছোটখাটো বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় এই ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনাও দেখা দিয়েছে। অভিবাসনবিরোধী কিছু সংগঠন এবং স্থানীয় মহল আশঙ্কা করছে যে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা আইসিই-এর মাধ্যমে আটক কার্যক্রম বাড়াতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন