০৮:১৫ এম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া এক যুবককে আটক করা হয়েছে ১ হাজার ইয়াবাসহ। জনতা তাকে মারধর করে পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। মাদক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত বুধবার, উপজেলার সীমান্ত গ্রাম পুরান লাউড়েরগড় মাদরাসার সামনে নাজমুল হাসান হিমেল নামের ওই যুবক এবং তার সহযোগী সোহাগ আহমদকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর তাদের পুলিশের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। নাজমুল, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ছাতারকোণা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে এবং সোহাগও একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় জনতা জানায়, মোটরসাইকেলে করে হিমেল ও তার সহযোগী সোহাগ সীমান্ত এলাকা থেকে ফিরছিলেন। তখন লাউড়েরগড় এলাকার লোকজন তাদের আটক করে তল্লাশি করেন। এই সময় সাড়ে ৯৫০ ইয়াবা পাওয়া যায়। বিক্ষুব্ধ লোকজন তাদের দোকানের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করে। পরে খবর দেন পুলিশে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়া বলেন, এলাকার মানুষজন হিমেলকে আটক করে তার কাছে বিপুল ইয়াবা পান। এরপর তারা পুলিশ ডেকে তাকে ধরিয়ে দেন। তিনি জানান, হিমেল ভারত থেকে ইয়াবার চালান এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত। ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ জানান, হিমেল একজন জুলাই যোদ্ধা। জুলাই আন্দোলনের সময় সে মিটিং-মিছিলগুলোতে অংশগ্রহণ করেছে। তার ভাই তোফায়েল আহমদ বিশ্বম্বরপুর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যুগ্ন সদস্যসচিব। হিমেল ইয়াবার চালানসহ গত রাতে তাহিরপুরের লাউড়েরগড় সীমান্তে আটক হয়েছেন। তিনি বলেন, ৫ অগাস্টের পর মামলা দিয়ে অনেক নিরীহ মানুষকে সে হয়রানি ও নির্যাতন করেছে। তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, হিমেলের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী সংগঠনের ব্যানারে মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে। আদালত হিমেল ও সোহাগকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন