০১:০১ পি.এম
বগুড়ায় একটি কুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর মাধ্যমে জখম করায় পুলিশ স্বপন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। সোমবার (২৯ জুন) মধ্যরাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার হওয়া যুবক ফার্ণিচার দোকানের মালিক এবং তিনি শহরের কানছগাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
গুরুতর আহত কুকুরটিকে তৎকালীন স্থানীয় একটি বেসরকারি পশু চিকিৎসালয়ে ভর্তি করা হয়েছে। অপারেশনের পর কুকুরটি এখন কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: নলছিটি ফেরিঘাটের রাস্তা মেরামত, যাত্রীদের স্বস্তি ফিরেছে
বগুড়া সদর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রায়হান জানিয়েছেন, কুকুরটির পিঠের লেজের একটু আগে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এভাবে আঘাত করা হয়েছে। আঘাতটি গুরুতর। ওই স্থানেই ৪টি সেলাই দিতে হয়েছে। বর্তমানে কুকুরটি মোটামুটি সুস্থ হয়ে উঠেছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী আরও জানান, শহরের কানছগাড়ি এলাকায় স্বপন নামে স্থানীয় এক ফার্ণিচার ব্যবসায়ী সোমবার সাদাকালো রংয়ের একটি কুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়, যার ফলে কুকুরটি গুরুতর আহত হয়ে চিৎকার করে ওঠে এবং পরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
ওসি আরও বলেন, খবর পাওয়ার পর বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা কমিটির সদস্য এমরান হোসেন দুপুর পৌণে ২টারদিকে কুকুরটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় পশু চিকিৎসালয়ে ভর্তি করেন। এরপর তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, কুকুরটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ঘটনায় স্বপন নামের যুবকের সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং তাকে একমাত্র আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর ডিবি পুলিশের সহায়তায় স্বপনকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি বর্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। কুকুরকে কোপানোর জন্য এবং বর্মিজ চাকু রাখার অপরাধে স্বপনের বিরুদ্ধে দুটি ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন