০৩:৫৪ পি.এম
শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুতি নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবিটি পিএমও কর্তৃক তোলা।
সরকার প্রাথমিক ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে সম্পূর্ণভাবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করবে। এই লক্ষ্যে দেশের অভ্যন্তরে প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরির বিষয়টি নিয়ে একটি সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
আজ (শনিবার) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হাসান শিপলু আরো জানান, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এই লক্ষ্যে আজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব সংবাদের মাধ্যমে জানালেন, প্রথম পর্যায়ে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের আওতায় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির কাজ শুরু হবে। সরকার এই উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা পূরণ হবে এবং আমদানি নির্ভরতাও কমে যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, তিনটি পর্যায়ে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গ্রাম থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে রাজধানী-এই তিন ধরনের অ্যাম্বুলেন্স তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা
সভায় জানানো হয়, সরকারের এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশে অ্যাম্বুলেন্সের চাহিদা পূরণ হবে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কম হবে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে আধুনিক সুবিধাসংবলিত অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জরুরি রোগী পরিবহন ব্যবস্থাতেও উন্নয়ন ঘটবে।
প্রেস উইং আরও জানায়, সভায় বিশেষজ্ঞরা জানান, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যাম্বুলেন্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম, অক্সিজেন সাপোর্ট এবং জরুরী সেবার বিভিন্ন সুবিধা সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের ভৌগোলিক ও সড়ক যোগাযোগ পরিস্থিতি বিবেচনা করে এসব যানবাহনের ডিজাইন করা হবে।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারি ড. এস, এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মুহাম্মদ এহসান, অধ্যাপক জিয়াউর রহমান, অধ্যাপক আবদুল সালাম আখন্দ, অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ২৫টি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট সাময়িক স্থগিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন