ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কেন্দুয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড


কেন্দুয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মাদকদ্রব্য সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এর আগের বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের একটি দল কেন্দুয়া পৌর শহরের মাস্টারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন: সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক চলছে

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন কান্দিউড়া ইউনিয়নের কুণ্ডলী গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬), একই গ্রামের মৃত আসর উদ্দিনের ছেলে ফজলু তালুকদার (৫০), এবং পৌরসভার বাদে আঠারবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল রহিমের ছেলে মো. সায়েম (৪৩)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, মাস্টারপাড়া এলাকার রামলাল রবিদাসের নিজ দখলীয় পরিত্যক্ত বসতঘরে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দণ্ডপ্রাপ্তদের সন্ধ্যার সময় নেত্রকোনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. আল আমিন জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী বাংলা উইকিসম্মেলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌবহরের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্ত হলো জাপানি ৫টি পেট্রোল বোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


নৌবহরের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্ত হলো জাপানি ৫টি পেট্রোল বোট

দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এর ধারাবহিকতায়, আজ বৃহস্পতিবার জাপানের অফিশিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (ওএসএ) এর আওতায় প্রাপ্ত ৫টি পেট্রোল বোট, জাপানের সরকারের প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করেন।

এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে এবং জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

জাপানের সাথে দীর্ঘদিনের পারস্পারিক আস্থা, বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায়, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ৫টি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। নোট বিনিময়ের মাধ্যমে ২০২৩ সালে নভেম্বরে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়ে, প্রকল্পের কার্যক্রম শেষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।

জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে, 'বানৌজা নির্ভীক'-এ বোটগুলোর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি পেট্রোল বোটের দৈর্ঘ্য ১৬.১৫ মিটার, প্রস্থ ৩.৫৩ মিটার, গভীরতা ১.৭৮ মিটার এবং ধারণ ক্ষমতা ১৩.৫ টন।

পেট্রোল বোটগুলো সর্বোচ্চ ৩২ মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। এই বোটগুলো কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী এবং উচ্চগতিসম্পন্ন হওয়ার ফলে দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে অধিক দক্ষতা ও কার্যকারিতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।

দেশের সমুদ্র বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, টহল অভিযান, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যেকোন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদানে এই বোটগুলি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। উল্লেখযোগ্য যে, ওএসএ কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এই প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রকে সম্প্রসারিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোট দিয়ে বেহেশতে যাবেন না, বাংলাদেশকেই বেহেশত বানাব : গয়েশ্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


ভোট দিয়ে বেহেশতে যাবেন না, বাংলাদেশকেই বেহেশত বানাব : গয়েশ্বর

ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে অনেকেই ভোটের মাধ্যমে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করেছিল। এখন তাদের অলিতে-গলিতেও আর দেখা যায় না।

মানুষকে ধোঁকা দেওয়া একটি বড় ধরনের অপরাধ। তাই আসুন, আমরা সবাই দেশকে ভালোবেসে বাংলাদেশকে বেহেশতে রূপান্তর করি।’

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে ঢাকা-৩ আসনের জিনজিরা ঈদগাহ মাঠে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠন আয়োজিত নাগরিক সমাবেশের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উল্লেখ করেন, কিছু সমস্যা সমাধানযোগ্য, আবার কিছু সমস্যা সহজে সমাধান করা যায় না।

অনেক দুর্ভোগ আমাদের নিজেদের তৈরি। আমরা যদি অসচেতন থাকি, তাহলে দুর্ভোগ আমাদের ছাড়বে না। তাই সচেতন হয়ে পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ এখন ঢাকায় বসবাস করছে।

তাদের আচার-আচরণ এবং জীবনধারা ভিন্ন হওয়ায় সবাইকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এদের একটি অংশের কারণে মাদকের বিস্তার ঘটছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে কেরানীগঞ্জ বিএনপির অবস্থান জিরো টলারেন্স। যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আমি সবাইকে আহ্বান জানাই।

গয়েশ্বর বলেন, সমাজের কিছু দায়িত্ব জনগণকেও নিতে হবে।

জনগণ দায়িত্বশীল না হলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু প্রশাসনের পক্ষে সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। ইভ টিজিং প্রতিরোধে বিদ্যালয়ের আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের আশ্বাসও দেন তিনি।

এ সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু, বিএনপি নেতা মোকারাম হোসেন সাজ্জাদ, আশরাফ আজাদ হোসেন, মুজাহিদ ইসলাম মামুনসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমদানি ঋণের সুদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ফরওয়ার্ড রেট এগ্রিমেন্টের অনুমতি বাংলাদেশ ব্যাংকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


আমদানি ঋণের সুদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ফরওয়ার্ড রেট এগ্রিমেন্টের অনুমতি বাংলাদেশ ব্যাংকের

 বৈদেশিক মুদ্রায় সরবরাহকারী ও ক্রেতা ঋণের (সাপ্লায়ার্স/বায়ার্স ক্রেডিট) আওতায় আমদানি করা পণ্যের সুদের হারজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় (হেজিং) ফরওয়ার্ড রেট এগ্রিমেন্ট (এফআরএ) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ-১ (এফইপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা ডিলার (অথরাইজড ডিলার-এডি) ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, এফআরএ কেবলমাত্র সরবরাহকারী বা ক্রেতা ঋণের আওতায় নেওয়া আমদানি ঋণের সুদের হারজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহার করা যাবে। কোনো ধরনের অনুমাননির্ভর (স্পেকুলেটিভ), লিভারেজভিত্তিক বা প্রকৃত দায়বদ্ধতা ছাড়া এ ধরনের চুক্তি করা যাবে না।

নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত সুদের হারে বৈদেশিক মুদ্রায় ইউস্যান্স আমদানি ঋণ গ্রহণকারী আমদানিকারকরা তাদের ভাসমান সুদের হার (ফ্লোটিং রেট) সংক্রান্ত ঝুঁকি এফআরএ-এর মাধ্যমে আর্থিক ঝুঁকি কমাতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এফআরএ হলো আমদানিকারক ও অনুমোদিত ডিলারের মধ্যে একটি নোশনাল বা কাল্পনিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি সুদের হার নির্ধারণ করা হয়। এ চুক্তির আওতায় মূল ঋণ পরিশোধ করা হয় না। বরং চুক্তিতে নির্ধারিত সুদের হার এবং সংশ্লিষ্ট সময়ের প্রকৃত এসওএফআর হারের মধ্যে নিট সুদের পার্থক্যের ভিত্তিতে স্থানীয় বা বৈদেশিক মুদ্রায় সমন্বয় করা হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে একই দিনে বিদেশি বা স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে ব্যাক-টু-ব্যাক ভিত্তিতে কাউন্টার-হেজিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের সব এফআরএ এক্সপোজার সমন্বয় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই তারা নিজস্ব হিসাবে বাজারঝুঁকি বহন করতে পারবে না। একটি এফআরএ লেনদেনে ব্যাংকের প্রাইসিং স্প্রেড সর্বোচ্চ ১০ বেসিস পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, অনুমোদিত ডিলারের মোট এফআরএ নোশনাল আউটস্ট্যান্ডিং গত ১২ মাসের গড় মাসিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

সার্কুলার অনুযায়ী, এফআরএর জন্য আইএসডিএ বা সমমানের আইনি চুক্তিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট আমদানির তথ্যসংবলিত পৃথক টার্মশিট সম্পাদন করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতি দিন মার্ক-টু-মার্কেট (এমটিএম) মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত ডেরিভেটিভ নীতিমালা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, প্রকৃত অন্তর্নিহিত ঝুঁকি (আন্ডারলাইং এক্সপোজার) ছাড়া কোনো আমদানিকারককে এফআরএ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া বা এ ধরনের লেনদেনে উৎসাহিত করা যাবে না। ভুল তথ্য, বিভ্রান্তিকর পরামর্শ বা ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না দেওয়ার কারণে কোনো আমদানিকারকের ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংক ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, এফআরএ-সংক্রান্ত সব লেনদেন এবং কাউন্টার-হেজিং কার্যক্রম নিয়মিতভাবে এডি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে পর্যালোচনা করতে হবে।

এ ছাড়া, ডেরিভেটিভ লেনদেন পরিচালনার জন্য প্রতিটি এডি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত নীতিমালা, কার্যপদ্ধতি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকতে হবে। এর মাধ্যমে ঝুঁকি শনাক্ত, পরিমাপ, মূল্যায়ন, ব্যবস্থাপনা এবং ডেরিভেটিভ লেনদেনের কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির বিশ্বের সর্বোচ্চ ভাস্কর্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


মেসির বিশ্বের সর্বোচ্চ ভাস্কর্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আর্জেন্টিনার ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসিকে সম্মান জানাতে নিউকুয়েন প্রদেশে নির্মিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ মেসির ভাস্কর্য উদ্বোধনের পর থেকেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এটি বিশাল আকৃতির একটি ভাস্কর্য যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ভাস্কর্যটির উচ্চতা ২৬ মিটার এবং এর ওজন প্রায় ৭০ টন। ভাস্কর্যটি কাট্রাল কো শহরের জাতীয় মহাসড়ক ২২ ও ম্যানুয়েল সাভিও সড়কের সংযোগস্থলে স্থাপন করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি ভারতের ২১ মিটার উঁচু মেসি ভাস্কর্যের রেকর্ডকে ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেসি ভাস্কর্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

এটি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সি পরিহিত মেসিকে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় প্রদর্শিত করেছে। তার দুই পায়ের মাঝখানে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি রাখা হয়েছে এবং তিনি এক হাত আকাশের দিকে নির্দেশ করছেন।

ভাস্কর্যটির নির্মাতা ভাস্কর অ্যালদো বেরোইসা জানান, শুরুতে পরিকল্পনা ছিল ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তের আদলে মেসির হাতে ট্রফি তুলে ধরা হবে। কিন্তু প্রায় ৭০ টন ওজনের স্টিল এবং কংক্রিটের কাঠামোর ভারসাম্য ও নিরাপত্তার কারণে শেষ পর্যন্ত ট্রফিটি মাটিতে স্থানান্তরিত করা হয়।

কিন্তু এই নকশাই বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন কোণ থেকে ভাস্কর্যটি দেখা হলে সেটি অনিচ্ছাকৃতভাবে আপত্তিকর ও ইঙ্গিতপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যা এই বিষয়কে সমর্থন করছে। বিষয়টি নিয়ে হাজার হাজার মন্তব্য, সমালোচনা এবং রসিকতা করছেন নেটিজেনরা।

একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, এই কোণ থেকে দেখলে বিষয়টি অদ্ভুত মনে হচ্ছে। অন্য একজন বলেছেন, ভাস্কর্যটির পেছনে একটি দেওয়া তৈরি করা উচিত ছিল। কিছু ব্যবহারকারী আবার মেসির নামের সঙ্গে ইংরেজি শব্দ Messy (অগোছালো) এর মিল তুলে ধরে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন।

এদিকে, ভাস্কর্যটির মুখাবয়ব নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। দর্শকেরা দাবি করেছেন, মুখের আদল মেসির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তবে এসব সমালোচনার জবাবে ভাস্কর অ্যালদো বেরোইসা বলেন, মেসির মুখের অবয়ব যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তিনি প্রায় তিন মাস ব্যয় করেছেন।

যদিও ভাস্কর্যটির নিয়ে বিতর্ক থেমে থাকেনি, তবে এটি ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনার নতুন একটি দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%