প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পৃথিবীর ইতিহাসের মধ্যে তৈরি সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরাটি মহাবিশ্বের অদেখা কোণগুলোর ছবি তোলার কাজ শুরু করেছে। চিলির একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত ‘ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরি’ বা পর্যবেক্ষণাগারটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মহাজাগতিক জরিপ শুরু করেছে।
এই দানবীয় টেলিস্কোপ আগামী ১০ বছর ধরে রাতের আকাশের গভীর ও নিখুঁত ছবি তুলবে। প্রতি রাতে এটি শত শত ছবি ধারণ করার পরিকল্পনা করেছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে, এই ক্যামেরা ব্যবহার করে আমাদের ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের কোটি কোটি তারা এবং এর বাইরের কোটি কোটি গ্যালাক্সির একটি সঠিক মানচিত্র তৈরি করা সম্ভাব হবে। এটি খুব দ্রুত ছবি তুলতে সক্ষম। একই জায়গার ছবি বারবার তোলার ফলে আগে যেসব আবছা বা অস্পষ্ট বস্তু দেখা যেত না, সেগুলোও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা ফিল মার্শাল মন্তব্য করেছেন যে, সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখন এমনভাবে মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করতে সক্ষম হবেন, যা তারা আগে কখনো করেননি। গত বছর এই ক্যামেরা দিয়ে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরের কিছু রঙিন নেবুলার অথবা গ্যাসপুঞ্জের ছবি তোলা হয়েছিল। এক আলোকবর্ষের মানে হলো প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন মাইল।
আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন এবং জ্বালানি বিভাগের অর্থায়নে এই পর্যবেক্ষণাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভেরা রুবিনের নামানুসারে এর নামকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি প্রথম প্রমাণ করেছেন যে মহাবিশ্বে ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা অন্ধকার বস্তু নামক একটি রহস্যময় উপাদান বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ১০ বছরের অভিযানে ডার্ক ম্যাটার এবং ‘ডার্ক এনার্জি’র মতো মহাবিশ্বের বড় বড় রহস্যের সমাধান বের করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন